২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মালয়েশিয়ার কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ

-

শক্তিশালী মালয়েশিয়ার বিপক্ষে এশিয়ান গেমস হকিতে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। ভারতে ছয়টি ও কেরিয়ায় পাঁচটি প্রাকটিস ম্যাচ বৃথাই গেল। দুর্বল কাজাকিস্তানকে ৬-১ গোলে ও চির প্রতিদ্বন্দ্বী ওমানকে ২-১ গোলে হারিয়ে এশিয়াড হকিতে যে আস্থার জায়গা তৈরি করেছিল টিম বাংলাদেশ, তা যে ক্ষণস্থায়ী সেটিই বুঝিয়ে দিলো শক্তিশালি মালয়েশিয়া। আজ নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারল ওয়ার্ল্ডকাপে খেলা মালয়দের বিপক্ষে।
মালয়েশিয়ার সাথে লাল সবুজদের সর্বশেষ সাক্ষাত ২০১৭ সালে ঘরের মাঠে ওয়ার্ল্ড কাপ রাউন্ড টু-এ। সেবার ৩-০ গোলে হেরেছিল স্বাগতিকরা। অথচ এবার ৭-০। বাংলাদেশ যে হকিতে আগের জায়গায়ই রয়েছে সেটি মানতে নারাজ লাল সবুজদের মালয়েশিয়ান কোচ গোবীনাথান কৃষ্ণমুর্তি। বড় হারের পরও তিনি বললেন, ‘ছেলেরা চেস্টা করেছে কিন্তু পারেনি। স্পিড, স্কিল এবং স্ট্যামিনায় পিছিয়ে থাকলেও তারা ভীত ছিল না। গোল হজম করার পরও তারা আক্রমনে গিয়েছে। পুরোপুরি ডিফেন্সিভ কখনোই ছিল না। আগে তো তারা আক্রমনের চিন্তাই করতে পারতো না। ১১ টি প্রাকটিস ম্যাচ খেলে টিম বাংলাদেশ সেই ভীতি কাটাতে পেরেছে। আরো উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। যা একদিনে হওয়ার কথা নয়। কমপক্ষে পাঁচ বছরের টার্গেট হাতে নিতে হবে। শুরু করতে হবে অপেক্ষাকৃত কম বয়সী নতুনদের দিয়ে।’
বাংলাদেশের তো আর শীর্ষে থাকার কোনো সুযোগ নেই। তাই আগামি ম্যাচে থাইল্যান্ডকেই টার্গেট করেছে ফরহাদ হোসেন শিটুল বাহিনী। তাদের বিপক্ষে জয় পেলেই অন্তত ৫ম/৬ষ্ঠ স্থানের জন্য লড়বে বাংলাদেশ। বর্তমানে ওই টার্গেটেই হাঁটছে বাংলাদেশ। ৫/৬ স্থান পেলেই বিশাল পাওয়া হবে জিমি-চয়নদের। চারটি এশিয়ান গেমস খেলা চয়নও একটা তৃপ্তির ঢেঁকুর দিয়ে তুলে রাখতে পারবেন জাতীয় দলের জার্সি।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে মাত্র চারটি আক্রমণই করতে পেরেছে গোবীনাথানের শিষ্যরা। সারাক্ষন ব্যস্ত ছিল নিজেদের রক্ষণভাগ সামলাতে। কয়েকবার দেখা গেল কোচকে উত্তেজিত হতে। এক পর্যায়ে হাতের কলমও ছুঁড়ে ফেললেন সজোরে। পরে জানা গেল তার শেখানো পথে হাটেনি শিষ্যরা। প্রথম কোয়ার্টারে নিজেদের কিছূটা ধরে রাখতে পারলেও দ্বিতীয় কোয়ার্টারে হজম করতে হয়েছে ৩ গোল, তৃতীয় কোয়ার্টারে আরো ৩ টি এবং শেষ কোয়ার্টারে ১ গোল। সাত গোলের দুটি পিসি, চারটি ফিল্ড গোল এবং একটি স্ট্রোক থেকে।


আরো সংবাদ