০৬ ডিসেম্বর ২০১৯

স্বা স্থ্য তথ্য

-

টাক মাথা এবং হৃদরোগ
চুল পড়ে টাক হয়ে গেলে শুধু সৌন্দর্যই নষ্ট হয় না, সাথে হৃদযন্ত্রটাও নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিষয়টি নিয়ে গবেষণা হচ্ছে বেশ কয়েক বছর থেকে। বেশ কয়েকজন টাকওয়ালাকে দীর্ঘসময় ধরে পর্যবেক্ষণ করেছেন গবেষকেরা। টাক মাথা এবং হৃদরোগ নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা শেষে দেখা গেছে, যাদের মাথায় টাক রয়েছে তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সাধারণের চেয়ে অনেক বেশি। বয়স ৪৫ পেরোনোর সাথে সাথেই এদের অনেকেরই হার্ট অ্যাটাক, বুকে ব্যথা এমনকি এনজিওপ্লাস্টি কিংবা বাইপাস সার্জারি পর্যন্তও যেতে হয়েছে। এদের কারো যদি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকে তাহলে এসব ঝুঁকি থাকে অনেক অনেক বেশি। মূলত শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে ছেলেদের মাথায় টাক পড়ে। এই অধিকমাত্রার টেস্টোস্টেরনের সাথে অ্যাথরোস্ক্রেররোসিস, উচ্চরক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং সর্বোপরি হৃদযন্ত্রের মধ্যে একটা যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। তবে টাক মাথার চিকিৎসা করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো যাবে এমনটি ভাবা ঠিক হবে না। টাকের সম্ভাবনা দেখা দিলে হৃদযন্ত্রের প্রতি সচেতন হয়ে উঠুন। অ্যান্টি অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার খান, ধূমপান ছেড়ে দিন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং কোলেস্টেরলের প্রতি অবশ্যই নজর রাখুন।

ধূমপানে শ্রবণশক্তির ক্ষতি হয়
ধূমপানের প্রসঙ্গ এলেই এর হাজারো ক্ষতিকর প্রভাবের কথাও চলে আসে একেবারে সাথে সাথেই। সম্প্রতি এর সাথে যোগ হয়েছে আরো একটি। ধূমপান আমাদের শ্রবণশক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ইউনিভার্সিটি অব উইন্সকনসিন মেডিসিনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অধূমপায়ীদের চেয়ে ধূমপায়ীদের শ্রবণক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রবণতা শতকরা ৭০ ভাগ বেশি থাকে। ধূমপান শ্রবণযন্ত্রে রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে। ফলে এর স্বাভাবিক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কানে কম শোনা এবং এক সময় বধিরতা। অর্থাৎ ধূমপান ছেড়ে দেয়ার জন্য আপনার কাছে আরো একটি নতুন যুক্তি দাঁড় করানো হলো।

পাকা জামের মধুর রসে...

পাকা জামের মধুর রসে শুধু মুখই রঙিন হয় না, এর রয়েছে অনেক গুণ। জামে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই এর রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক ক্ষমতা। এ ছাড়াও সম্প্রতি গবেষকেরা এর আরো একটি গুণ আবিষ্কার করেছেন। জামের মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শিরাগাত্রকে দৃঢ় করে। আর এ কারণেই পাইলস প্রতিরোধে জামের ভূমিকা বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ মলদ্বারের শিরাগুলোর স্ফীতিজনিত প্রদাহই হলো পাইলস। এই শিরাগুলো ফেটে গিয়েই রক্তপাত হয়। এ ছাড়াও জামে প্রচুর ফাইবার বা আঁশ রয়েছে। আর খাবারের আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। শুধু জামই নয় স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি বা চেরি ফলেও রয়েছে উপরি উক্ত গুণগুলো।
অ্যাথলেট বা ব্যায়ামবিদেরা তাদের প্রাত্যহিক কসরত শেষে দুধ-ডিম খেয়ে থাকেন। ‘পেশি সুগঠিত করতে বেশি বেশি প্রোটিন খাওয়া প্রয়োজন’Ñ এ জাতীয় ধারণা থেকে তারা তাদের খাদ্যসূচিতে অতিরিক্ত প্রোটিন সংযোজন করে থাকেন। কিন্তু এই ধারণা কতটুকু সঠিক? একজন অ্যাথলেট বা ব্যায়ামবিদের জন্য সেটুকু প্রয়োজন, যেটুকু একজন সাধারণ পরিশ্রমী মানুষের জরুরি। পেশিগুলো যদিও প্রোটিন দ্বারা তৈরি তথাপি খাবারের প্রোটিন এতে বাড়তি কোনো সংযোজন ঘটায় না। পেশির নিয়মতান্ত্রিক ব্যায়ামই পেশিকে সুগঠিত ও সুদৃঢ় করে। বরং যেকোনো কায়িক পরিশ্রমের পর গ্লুকোজসমৃদ্ধ খাবার বা পানীয় খাওয়া প্রয়োজন। প্রাণশক্তির জন্য এটা জরুরি।
ষ ডা: রুমানা চৌধুরী


আরো সংবাদ




Paykwik Paykasa
Paykwik