১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রোদে পোড়া ত্বকের রঙ কখনো স্বাভাবিক হয়?

রোদে পোড়া ত্বকের রঙ কখনো স্বাভাবিক হয়? - ছবি : সংগ্রহ

শ্যামা সারা দিন বাইরে ঘুরে বেড়ায়। বাইরে না গিয়েও উপায় নেই। কলেজ শেষে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখতে যাচ্ছে। সকালে কোচিং, দুপুরে কম্পিউটারের ক্লাস, বিকেলে কখনো ড্রাইভিংয়ের ট্রেনিং, কখনো আবার ড্রেস ডিজাইনের কাজ শেখে। প্রচণ্ড ব্যস্ততায় সারাটা দিনই বলতে গেলে বাইরে কাটে। তার মধ্যে কম করে হলেও এক ঘণ্টা রোদের সংস্পর্শে আসতে হয়। ইদানীং শ্যামার আশপাশের সবাইকে বলতে শোনা যায়, তোর গায়ের রঙটা যেন ডার্ক হয়ে যাচ্ছে।

ব্যাপারটা শ্যামাও খেয়াল করেছে। আসলেই তাই, রোদ ত্বকের বিশেষ ক্ষতি সাধন করে থাকে। ত্বকের প্রায় ৯০ ভাগ ভাঁজের জন্য রোদই দায়ী। তবে কর্কশ রোদের কারণে তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তা থেকেও যে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, সেটা বোধ হয় অনেকেরই জানা নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে ত্বকের নিচে অবস্থিত টিস্যু বা কলা নিজে থেকেই পুনর্নির্মাণ এবং নবায়িত হতে থাকে। এই কৌশল অবলম্বন করতে গিয়ে কতটুকু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে বিষয়ে অনেকেই অবগত নন। এ বিষয়ে ডার্মাটোলজিস্ট বা ত্বক বিশেষজ্ঞের কথা হচ্ছে, সারা বছর ধরে প্রতিদিনই কমপক্ষে ১৫ প্রোটেকশন ফ্যাক্টর (এসপিএফ) ক্ষমতাসম্পন্ন সানস্ক্রিন বা ময়শ্চারাইজার শরীরের উন্মুক্ত অংশে মাখতে হবে। আর এটি মেখে রাখতে হবে বারান্দা বা রোদে কোনো কাজ করতে গিয়ে দাঁড়ানোর সময়, জানালা উঁকি দেয়া রোদের সংস্পর্শে আসার সময়। এমনকি শীতের মিষ্টি রোদের সংস্পর্শে আসার সময়ও এই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এভাবে নিয়ম মেনে রোদের আড়ালে চলতে পারলে দু-এক বছরের মধ্যেই ত্বক আবার আগের মতো কোমল ও আরো স্থিতিস্থাপকতা ফিরে পাবে। কিন্তু সানস্ক্রিনটি সঠিক হতে হবে। অনেক নামী-দামি কোম্পানি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্রিমে সানস্ক্রিনের উপস্থিতির কথা বললেও মোড়কে এসপিএফ মাত্রা উল্লেখ না থাকার কারণে সেগুলোর মধ্যে আদৌ কোনো সানক্রিন আছে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। সানস্ক্রিনের মাত্রার বিষয়টি মনে রাখতে হবে।

আমাদের জন্য সানস্ক্রিনের মাত্রা কমপক্ষে ১৫ হওয়ার বাঞ্ছনীয়। তাই সানস্ক্রিন কেনার সময় এগুলো দেখে নিতে হবে। ওষুধ ও কসমেটিক্সের দোকানে এগুলো পাওয়া যায়।
সুতরাং রোদের সংস্পর্শে এলেই যে ত্বক বাদামি হয়ে যাবে, তা নয়। রোদের কারণে ত্বকের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব।

তবে দীর্ঘ দিন ধরে যাদের ত্বক রোদে পুড়ছে, তাদের ক্ষেত্রে এই কৌশল অবলম্বন করে ফল পেতে একটু বেশি সময় লাগবে। এ ছাড়া যাদের বয়স ইতোমধ্যে ৫০ অতিক্রম করেছে তাদের ক্ষেত্রে ফল পেতে আরো বেশি সময় লাগবে। কারণ বৃদ্ধ বয়সে ত্বক এমনিতেই স্থিতিস্থাপকতা হারাতে থাকে।


আরো সংবাদ

ফাঁসির রায় শুনে আসামি হাসে বাদি কাঁদে (১১৮৭৬৬)শোভন-রাব্বানীকে নিয়ে ঢাবি অধ্যাপকের ফেসবুক স্ট্যাটাস (৪৮৭৫২)নতুন ভিডিও : রক্তাক্ত রিফাতকে মিন্নি একাই হাসপাতালে নিয়ে যান (৩২২৫১)শোভনকে নিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা মামুনের ফেসবুক স্ট্যাটাস (২৭১৯০)খালেদা জিয়া আলেমদের কিছু দেননি, শেখ হাসিনা সম্মানিত করেছেন : আল্লামা শফী (১৮০১৫)ওমরাহর খরচ বাড়ছে, সৌদি ফি নিয়ে ধূম্রজাল (১৭১৩৭)পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হলে দিলিপ ঘোষকে যশোহর পাঠিয়ে দেবো (১৬৮৮৩)এবার আমিরাতের জাহাজ আটক করলো ইরান (১৩৩৭২)‘মানুষকে যতটা আপন মনে হয় ততটা আপন নয়’ (১৩১৮০)নতুন ভিডিও : রক্তাক্ত রিফাতকে মিন্নি একাই হাসপাতালে নিয়ে যান (১২৮২২)