film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

গর্ভাবস্থায় “পানি ভাঙা” কী

গর্ভাবস্থায় “পানি ভাঙা” কী - ছবি : সংগ্রহ

সাধারণত এমনিওটিক মেমব্রেন রাপচার হয় লেবার পেইন ওঠার পর। তবে কোনো কারণে যদি এর আগেই মেমব্রেন রাপচার হয়ে এমনিওটিক ফ্লুইড বা গর্ভস্থ পানি বের হয়ে যায় তবে তাকে প্রিম্যাচিউর রাপচার অফ মেমব্রেন বা গর্ভাবস্থায় 'পানি ভাঙা' বলে। এটি গর্ভাবস্থায় একটি সাধারণ সমস্যা।

অনেক মায়েরা বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত থাকেন। দেখা যায় কোনো কারণে যদি মাসিকের রাস্তা দিয়ে অতিরিক্ত পানি বের হয় তবে বেশিরভাগ গর্ভবতী নারীরা ধরে নেন এটা বাচ্চার পানি অর্থাৎ অ্যামনিওটিক ফ্লুইড। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ সময় অনেক কারণেই এমন সিক্রেশন হতে পারে, যেমন ইউরিনবা প্রস্রাব যদি বের হয় তা হলেও একে এমনিওটিক ফ্লুইডের মতোই মনে হতে পারে। প্রেগনেন্ট অবস্থায় ভ্যাজাইনাল সিক্রেশন অনেক বেড়ে যায়, যার ফলে মাঝে মাঝে এইনরমাল সিক্রেশনকেও এমনিওটিক ফ্লুইড ভেবে ভুল হতে পারে।

# কিভাবে সঠিক ডায়াগনোসিস সম্ভব?
ভালোভাবে হিস্ট্রি নিয়ে আমরা কিছুটা আইডিয়া করতে পারি আসলেই মেমব্রেন রাপচার হয়েছে কি-না। মেমব্রেন রাপচার হলে সাধারণত একসাথে অনেক পানি বের হবে এবং পেটিকোট ভিজে যাবে।এছাড়া স্পেকুলাম এক্সামিনেশনের মাধ্যমে জরায়ুর মুখ সরাসরি দেখে কনফার্ম করা যায়, এবং কিছু ইনভেস্টিগেশন করেও বোঝা যায় এটা সত্যিই এমনিওটিক ফ্লুইড কিনা।

অনেক মায়েদের ধারণা আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে এর ডায়াগনোসিস সম্ভব। আসলে আল্ট্রাসনোগ্রাম শুধুমাত্র বলতে পারবে তার এমনিওটিক ফ্লুইড কতটা আছে।ফ্লুইড যদি কম থাকে, তবে সেটা বিভিন্ন কারণে হতে পারে।আর তাই মেমব্রেন রাপচার হয়েছে কিনা এ সম্পর্কে কনফার্ম হওয়া যাবে না।

# ফলাফল কি হতে পারে?
গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে যদি এমনটি হয়ে থাকে তবে সাধারণত এবরশন হিসেবেই ধরা হয়। আর যদি বাচ্চা ম্যাচিওর হতে কিছু দিন বাকি থাকে, তবে রোগীকে হাসপাতালে বেড রেস্টে রেখে বাচ্চার ম্যাচুরিটি পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়। তবে এর মধ্যে যদি লেবার পেইন অথবা ইনফেকশনের কোনো লক্ষণ দেখা যায় তবে সেই প্রেগনেন্সি আর কন্টিনিউ করা সম্ভব হয় না।

গর্ভাবস্থার শেষ দিকে পানি ভাঙলে মাকে ২৪ ঘন্টার অবজারভেশনে রাখা হয় ৮০ থেকে ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে লেবার পেইন উঠে যায়। যদি লেবার পেইন না থাকে তবে ওষুধের মাধ্যমে ইন্ডাকশন (লেবার পেইন শুরু করা) করাও সম্ভব।

# সতর্কতা

গর্ভাবস্থায় এমনিওটিক ফ্লুইড রাপচার/পানি ভাঙ্গা একটি ইমারজেন্সি সমস্যা। কারণ এই মেমব্রেন গর্ভস্থ বাচ্চাকে বাইরের জীবাণু থেকে রক্ষা করে। তাই মেমব্রেন রাপচার হলে রোগীকে জীবাণুমুক্ত প্যাড ব্যবহার করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হয়, এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয়।একই সাথে এমনিওটিক ফ্লুইড এবং ইউরিন পরীক্ষা করে দেখা হয় কোনো ইনফেকশনের লক্ষণ আছে কিনা, কারণ বিভিন্ন ইনফেকশনের কারণেও মেমব্রেন রাপচার হতে পারে। তাই পানি ভাঙ্গার লক্ষণ দেখা দিলে গর্ভবতীদের উচিত অনতিবিলম্বে তার নিকটস্থ ডাক্তারকে অভিহিত করা।


অ্যাসোসিয়েট কন্সালটেন্ট ( অবস-গাইনি)
ইমপেরিয়াল হসপিটাল, চট্টগ্রাম।


আরো সংবাদ