২৫ মার্চ ২০১৯

ফাঁকা দাঁতের নানা চিকিৎসা

ফাঁকা দাঁতের নানা চিকিৎসা - ছবি : সংগৃহীত

সুন্দর হাসি কে না চায়? কিন্তু দাঁত যদি হয় ফাঁকা, তাহলে তো আর সুন্দর হাসি হবে না। মাঝে মধ্যে দেখা যায় অনেকের সামনের দাঁত বেশ ফাঁকা, তাই তারা কথা বলার সময় মুখে হাত দিয়ে ঢেকে কথা বলেন। শুধুই কি তাই, স্বাধীনভাবে হাসতে না পেরে মানসিকভাবে অনেকেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ফলে প্রতিভা বিকাশে বাধা পায়। কিন্তু আধুনিক দন্তচিকিৎসায় এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান রয়েছে। সাধারণত তিনটি পদ্ধতিতে এ ধরনের সমস্যার সমাধান করা হয়ে থাকে।

১. অর্থোডন্টিক চিকিৎসার মাধ্যমে, ২. লাইট কিউর কম্পোজিট ফিলিংয়ের মাধ্যমে দাঁতের রঙ মিলিয়ে ফিলিং করে ও ৩. পোরসেলিন ক্যাপের মাধ্যমে।

অর্থোডন্টিক পদ্ধতি
এ পদ্ধতিতে রিমুভেবল প্লেট বা ফিক্সড ব্রেস দাঁতে পরিয়ে আস্তে আস্তে সহনীয় মাত্রায় চাপ প্রয়োগ করে দাঁতগুলোকে একত্রিত করা হয়।

লাইট কিউর ফিলিং পদ্ধতি
এই পদ্ধতিতে দাঁতগুলোকে প্রথমে এক ধরনের অম্ল বা এসিড (৩০% অর্থোফসফরিক এসিড) দিয়ে ১৫-২০ সেকেন্ড দাঁতের গায়ে প্রয়োগ করে আণুবীক্ষণিক গর্ত সৃষ্টি করা হয়। পরে দাঁতের শেড বা রঙ অনুযায়ী কম্পোজিড ফিলিং দাঁতের গায়ে ফাঁকা অনুযায়ী লাগিয়ে তার ওপর এক ধরনের কম ক্ষতিকারক রে (জধু) প্রয়োগে ফিলিং শক্ত করা হয়। তারপর বিভিন্ন রকম পলিশার দিয়ে ফিলিং ও বাইরের স্তর মসৃণ করা হয়।

এ ফিলিংয়ের সুবিধা হলো দাঁতের রঙ অনুযায়ী ফিলিং করা যায় এবং খরচও কম। তবে অসুবিধা হলো, শক্ত খাবার, যেমন- টোস্ট বিস্কুট, পেয়ারা, হাড়জাতীয় খাবার খেলে ফিলিং ভেঙে বা খুলে যেতে পারে।

পোরসেলিন ক্যাপ
এটি একটি স্থায়ী পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ভাঙা বা খুলে যাওয়ার কোনো ভয় থাকে না। এটি কিছুটা ব্যয়বহুল, তবে স্থায়ী পদ্ধতি। এতে প্রথমে দাঁতকে রুট ক্যানেল করে তারপর চার পাশে কেটে কিছুটা ছোট করে আকার দেয়ার পর কৃত্রিম একধরনের পোরসেলিন ক্যাপ পরিয়ে দেয়া হয়। এটা পরে আর খোলা যায় না। দাঁতের রঙের সাথে মিল রেখে এ ক্যাপ তৈরি করতে হয়। যে পদ্ধতিই রোগীরা বেছে নেন না কেন, একটা কথা কিন্তু রয়েই যায়, তা হলো অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের সাহায্য নিয়ে কাজ করবেন।
লেখিকা : কনসালটেন্ট ডেন্টাল সার্জন, নাহিদ ডেন্টাল কেয়ার, ১১৭/১, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা।

ফোন : ০১৭১২-২৮৫৩৭২

ব্যায়াম ডায়াবেটিস রোগীর হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
ডায়াবেটিস। সব যুগের সব মানুষের জন্য অত্যন্ত খারাপ অসুখ। এ রোগে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। এর কারণে মৃত্যুর সংখ্যাও সর্বাধিক। এই জটিলতা এড়াতে চিকিৎসকেরা ব্যায়ামের উপদেশ দিচ্ছেন। হাঁটা, দৌড়ানো বা সাঁতার কাটা ডায়াবেটিস রোগীদের হার্টের অসুখ থেকে অনেক দূরে রাখে।

অতীতে চিন্তা করা হতো ব্যায়াম করলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ভয়ের কিছু নেই। আপনার ইনসুলিন কমিয়ে নিন। সপ্তাহে চার ঘণ্টা মাঝারি থেকে বেশি পরিমাণে ব্যায়াম করলে স্ট্রোকের সম্ভাবনাও শতকরা ৪০ ভাগ কমে যায়। মহিলারা প্রতিদিন এক ঘণ্টা ব্যায়াম করলে এ সম্ভাবনা কমে যাবে ৪৫ ভাগ। এ ক্ষেত্রে হাঁটার চেয়ে দৌড়ানোকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। আর অসুবিধা বোধ করলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al