১৩ নভেম্বর ২০১৮

বিষণ্নতা থেকে ডায়াবেটিস

বিষণ্নতা থেকে ডায়াবেটিস - ছবি : সংগৃহীত

সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে যে, বিষণœতা ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি দ্বিগুণ বাড়িয়ে তোলে। ডায়াবেটিসে ভুগছেন এমন ১০ শতাংশ পুরুষ ও ২০ শতাংশ মহিলা বিষণ্নতায় আক্রান্ত। বিষণ্নতার রোগীরা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। বিষণ্নতা থেকে ডায়াবেটিস কেন হয় এর কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে যে, এসব রোগীরা শারীরিক পরিশ্রম করেন না বললেই চলে। তা ছাড়া বিষণ্নতা থেকে অনেক সময় বেশি খাওয়ার অভ্যাস হয়ে যায় ও এতে ওজন বেড়ে যায়। বিষণ্নতায় কিছু হরমোন নিঃসৃত হয়, যা কি না ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। সুতরাং আজকাল ডায়াবেটিক রোগীরা বিষণ্নতায় ভুগছেন কি না তা লক্ষ রাখতে হবে। আর বিষণ্নতায় ভুগছেন যারা তাদের যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে ডায়াবেটিকের হাত থেকে বাঁচাতে হবে।

আপনার শিশুর জন্য জিংক
শিশুদের জন্য জিংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, জিংক সাপলিমেন্ট যে সব শিশুরা পেয়েছে তাদের মধ্যে শিশু মৃত্যুর হার কম। পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় জিংক শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রামক রোগ, নিমোনিয়া এসব রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে জিংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কম ওজনের শিশুদের জন্যও জিংক প্রয়োজন। জিংক শিশুদের ক্ষুধা বৃদ্ধি করে এবং ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। জিংকের অভাবে শিশুদের এক্সোডার্মাটাইটিস হতে পারে। এতে শিশুর ঠোঁটে, জিভে লালচে ঘা হতে পারে। পায়ুপথেও ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং ডায়রিয়া হয়। প্রতিদিন আধা চামচ দিনে দুইবার জিংক সিরাপ শিশুর জন্য প্রয়োজন। শিশুর সুস্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে জিংক সাপলিমেন্ট দিন।

সুস্বাস্থ্যের জন্য সঠিক খাদ্য গ্রহণ

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় খাবার খাবেন। সময়মতো খাদ্য গ্রহণ করলে হজম প্রক্রিয়া ভালো হয় যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। অসময়ের খাদ্য গ্রহণ হজম করতে পাকস্থলির অসুবিধা হয় ফলে বদহজম বা এসিডিটির সমস্যা হয়ে থাকে। খাদ্য ভালোভাবে চিবিয়ে নিন এবং ধীরে ধীরে গিলে খান। তাড়াহুড়া করে খাবেন না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশে খাদ্য গ্রহণ করুন। সানন্দচিত্ত দেহের জন্য সুস্বাস্থ্যকর। দুই খাবারের মাঝখানে বাড়তি কোনো খাবার খাবেন না। লক্ষ রাখবেন, অসময়ে কোনো খাবার যেন আপনার পেটে না যায়, এতে দৈহিক ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে। দুই খাবারের মাঝখানে প্রচুর বিশুদ্ধ পানি পান করুন। পানি পান করলে দেহ থাকবে সতেজ, তরতাজা যা শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে।

প্রতিদিনের খাবারে যেন কিছু পরিমাণ আঁশ জাতীয় খাবার থাকে। দৈনিক একবেলা আটার রুটি খাওয়ার অভ্যাস করুন- এটা আঁশ জাতীয় খাবার যা কুষ্ঠকাঠিন্য দূর করে আপনাকে অস্বস্তির হাত থেকে রক্ষা করবে। সহজ, সরল পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুতের অভ্যাস করুন। এ ধরনের খাবার গ্রহণে হজমের কোনো অসুবিধা হয় না। চিনির ব্যবহারে মিতাচারী হোন। ডায়াবেটিস রোগীরা চিনির পরিবর্তে প্রাকৃতিক মিষ্টি বা ট্যাবলেট সুকরল ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন সুষম খাদ্য গ্রহণের চেষ্টা করুন।

খাবার নির্বাচনে লক্ষ রাখবেন যাতে খাদ্যের ছয়টি উপাদানই বজায় থাকে। খাদ্য প্রস্তুতের সময় লক্ষ রাখবেন যেন খাদ্যগুণ বজায় থাকে। নষ্ট হওয়ে যাওয়া শাকসবজি ও ফলমূল দিয়ে খাদ্য প্রস্তুত করবেন না। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং ক্ষেত্রেবিশেষে রক্তে বিষক্রিয়া বা ফুড পয়জনিং হয়ে মৃত্যুর হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। খাদ্য প্রস্তুততে সবসময় লক্ষ রাখতে হবে যেন খাবার রুচিকর এবং পুষ্টিকর হয়। চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, নিরামিষের দিকে নজর দিন। দৈনিক কমপক্ষে একটি ফল খেতে ভুলবেন না। কখনোই একসাথে অতিরিক্ত খাবার খাবেন না, পেটের কিছু অংশ খালি রেখে খাওয়া শেষ করবেন; এটা স্বাস্থ্যকর। দীর্ঘ সময় ধরে শাকসবজি রান্না করবেন না। এতে ভিটামিন অনেকটা নষ্ট হয়ে যায়। ভাজা খাবার বর্জন করুন, এটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শাকসবজি সিদ্ধ করার সময় অতিরিক্ত পানি ফেলে দেবেন না। কারণ এটা ভিমটানি ও খনিজসমৃদ্ধ। এই পানি স্যুপে দেয়া যেতে পারে অথবা এমনি পান করা যায়।


আরো সংবাদ

১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে নির্বাচনে সম্পৃক্ত করতে চান ড. কামাল আস্থা রাখুন, হিন্দু সম্প্রদায়কে ফখরুল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আগের চেয়ে বেশি দমনমূলক : অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আ’লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য হলেন ফারুক খান ও আব্দুর রাজ্জাক সহকর্মীর আঘাতে প্লাস্টিক ফ্যাক্টরির কর্মচারী নিহত শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিক শিমুল হত্যা মামলায় মেয়র মিরুর জামিন স্থগিত শিশুশ্রম নির্মূলের ল্যমাত্রা অর্জনে দেশ যথেষ্ট পিছিয়ে নির্বাচনী তফসিল পুনর্নির্ধারণ জাপা ইতিবাচকভাবেই দেখছে : জি এম কাদের ৩২ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে খেলাফত আন্দোলন অভিভাবক ঐক্য ফোরাম চেয়ারম্যানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি

সকল