১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

চুলের কৃত্রিম রঙে স্বাস্থ্য সমস্যা বেড়ে যায়

-

স্টাইল হোক কিংবা পাকা চুল লুকানোর কাজÑ চুলের রঙ বেশ জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। এটা একমাত্র ট্রেন্ড, যা ধীরে ধীরে আরো বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে এবং রঙেও আসছে বৈচিত্র্যতা। আগে কেবল বাদামি বা পার্পল রঙের আধিক্য থাকলেও এখন নিলো, স্বর্ণালি বা অন্যান্য রঙও করছে ফ্যাশনসচেতনরা। কিন্তু চুলের রঙের সাথে স্বাস্থ্যগত বিষয় তো জড়িয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, চুলের রঙ কিভাবে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
প্রকৃতিগতভাবেই ক্যান্সার সৃষ্টিকারী : আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির গবেষণায় বলা হয়, বেশ কিছু গবেষণায় চুলের রঙ আর ক্যান্সারের মধ্যে যোগসূত্র দেখা গেছে। এর কারণ হলো, চুলের রঙে এমন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা কিনা চুল হয়ে ত্বকে প্রবেশ করে। আর এসব উপাদান ক্যান্সার সৃষ্টি করতে সক্ষম।
অ্যালার্জি : সাধারণত চুলের রঙে থাকে প্যারাফেনাইলেনডায়ামাইন। এটি ত্বকের সাধারণ অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদান। এই অ্যালার্জি পিগমেন্টেশন, রথ্যাম আর চুলকানির মাধ্যমে দেখা দিতে পারে।
শ্বাস-প্রশ্বাস : চুলের রঙে থাকে পালসালফেট। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয়। এতে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ অনেকেরই শ্বাসযন্ত্রে সমস্যা সৃষ্টি করে।
চোখ : প্যাকেটেই বলা থাকে, চোখ থেকে দূরে রাখতে হবে। আর চোখে লাগলে দ্রুত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। চোখে পড়লে জ্বালা শুরু হতে পারে। চোখ লাল হয়ে যাবে এবং চোখে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ত্বক বিবর্ণ হয়ে যাওয়া : এটি নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। অনেক গবেষণায়ই বলা হয়েছে, চুলের রঙে ত্বক বিবর্ণ হয়ে যায়। যদি রঙ ত্বকে লাগে তবে এমনটা হয়। তাই রঙ করার জন্য হাতে অবশ্যই গ্লাভস পরে নিতে হয়।


আরো সংবাদ