২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পায়ুপথের রোগে চিকিৎসা

পায়ুপথের রোগে চিকিৎসা - ছবি : সংগৃহীত

পাইলস, ফিস্টুলা, পায়ুপথে রক্তক্ষরণসহ পায়ুপথের নানাবিধ জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগীরা হাতুড়ে ডাক্তার কর্তৃক অপচিকিৎসার শিকার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীরা যে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন না তা নয়। তবে এদের সংখ্যা নিতান্তই অপ্রতুল। এর একটা কারণ অবশ্যই আছে, আর তা হচ্ছে- গোপন এ স্থানের সমস্যার কথা রোগীরা প্রকাশ করতে চান না। বিশেষ করে মহিলা রোগীদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা আরো বেশি। তবে আশার কথা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাইলস, ফিস্টুলা, রেকটাল ক্যান্সার এ সবের চিকিৎসা ও অপারেশনের ক্ষেত্রে এক বিপ্লব সৃষ্টি করেছেন এ দেশের সার্জন লেখক নিজেই। তিনি ১৯৯৪ সালে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ল্যাপরোস্কপি সার্জারির উপর এবং পরে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে হেপাটোবিলিয়ারি ও কলোরেক্টাল সার্জারি বিভাগে এক বছর রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন।

সব চেয়ে মজার ব্যাপার হলো, তিনি বাংলাদেশে ক্যারিয়ার করতে চেয়েছিলেন ল্যাপরোস্কপি সার্জারির ওপর। অর্থাৎ পেট না কেটে গলব্লাডারের পাথর অপসারণ করতে চান তিনি। বাংলাদেশে অবশ্য গলব্লাডারের পাথরের রোগীর সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। সম্ভবত আত্মীয়তা অথবা পরিচয় সূত্রে তিনি দেখা করলেন ইত্তেফাকের জেনারেল ম্যানেজার এককালের বিশিষ্ট সাংবাদিক খন্দকার শাহাদাৎ হোসেনের সাথে। তিনি লেখককে পাঠালেন আমার কাছে। উদ্দেশ্য, স্বাস্থ্য পাতায় লেখালেখি করবেন। লেখকের ইচ্ছা হলো তিনি সিঙ্গাপুরে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ল্যাপরোস্কপি সার্জারির ওপর।

প্রতিষ্ঠা পেতে চান ল্যাপরোস্কপি সার্জন হিসেবে। আমি তার কাছে বিস্তারিত জেনে তাকে ল্যাপরোস্কপিক সার্জন হিসেবে ক্যারিয়ার করতে নিরুৎসাহিত করি। কারণ সে সময় বাংলাদেশে ল্যাপরোস্কপিক সার্জারির ক্ষেত্রে নতুন বিপ্লব সৃষ্টি হয়েছে। আর এ বিপ্লবের পেছনেও রয়েছে ইত্তেফাকের অপরিমেয় অবদান। কারণ এ দেশে ল্যাপরোস্কপি সার্জারিকে জনপ্রিয় করতে সদ্য পিএইচডি করে জাপান থেকে দেশে ফেরা ডা: সরদার এ নাঈমকে উৎসাহিত করে ইত্তেফাকই সর্বপ্রথম এ দেশে ল্যাপরোস্কপি সার্জারির প্রসারে অবদান রাখে। এর আগে প্রতি বছর হাজার হাজার রোগী গলব্লাডারের পাথর ও অন্যান্য সমস্যাজনিত রোগী ভারতসহ বিদেশে যেত।

ডা: নাঈমের পথ ধরে এ দেশে তৈরি হয়েছে এ পর্যন্ত শতাধিক ল্যাপরোস্কপিক সার্জন। আজ আর গলব্লাডারের পাথর অপারেশনে রোগীরা বিদেশে যায় না। যা হোক, লেখক যেহেতু ইত্তেফাকের মহাব্যবস্থাপকের মাধ্যমে আমার সাথে দেখা করতে এসেছেন, সে কারণে ল্যাপরোস্কপিক সার্জারির বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্পর্কে একটা ধারণা দিতে চেষ্টা করলাম। বরং লেখকের কথামতো জানতে পারলাম, তিনি সিঙ্গাপুরে শুধু ল্যাপরোস্কপি সার্জারির ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তাই নয়, তিনি পাইলস, ফিস্টুুলার ওপরও বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং অপারেশন ছাড়াই পাইলসের চিকিৎসা করা যায় এমন একটি ধারণা দিলেন। আমি আর কালবিলম্ব না করে তাকে পাইলস, ফিস্টুলাসহ পায়ুপথের বিশেষজ্ঞ হিসেবে ক্যারিয়ার করতে পরামর্শ দিলাম এবং তিনি প্রথমত রাজি ছিলেন না, তথাপি টেস্ট কেস হিসেবে আমার কথামতো পাইলস ও ফিস্টুলার ওপর ইত্তেফাকের স্বাস্থ্য পাতায় কয়েকটি লেখা দিলেন। কিন্তু রোগীরা বেশ খানিকটা সাড়া দিলো। যারা দীর্ঘদিন ধরে পাইলস, ফিস্টুলার রোগে অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন তারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। লেখক সার্জনের চেম্বারে রোগীদের ভিড় পড়তে থাকল। পাইলস, ফিস্টুলা চিকিৎসার ক্ষেত্রে তিনি হয়ে উঠলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী সার্জন। স্বীকৃতি মিলল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃস্থানীয় কলোরেক্টাল সার্জনরা তাকে বিশ্বের ব্যস্ততম ‘পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তিনি সম্প্রতি বৃহদান্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারিতে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালনের স্বীকৃতি স্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের বিরল সম্মানজনক ‘ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ’ অর্জন করেন। প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের সোসাইটি অব কোলন অ্যান্ড রেক্টাল সার্জনস’ একজন বিদেশী বিশেষজ্ঞকে এই স্কলারশিপ প্রদান করে। এ বছর বাংলাদেশের কলোরেক্টাল সার্জন এই লেখক এ সম্মান অর্জন করে বিশ্ববাসীকে হতবাক করে দিয়েছেন। বাংলাদেশের একজন বিশেষজ্ঞ সার্জনের এ কৃতিত্ব চিকিৎসক মহলেও আলোচিত হয়েছে। তিনি ওই স্কলারশিপের সুবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সোসাইটি অব কোলন অ্যান্ড রেক্টাল সার্জনসের বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘অপারেশন সত্ত্বেও বারবার ফিস্টুুলা হওয়া কি রোগটির ধর্ম? নাকি পূর্ববর্তী অপারেশনের ত্র“টি’ শীর্ষক এক বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। বিশ্বের ৪৬টি দেশের এক হাজার ৬৩২ জন সার্জন তার নিবন্ধ শোনেন এবং তার তথ্য ও উপস্থাপনা প্রশংসিত হয় বলে তিনি জানান এবং স্থানীয় পত্রপত্রিকার কিছু কাটিং দেখান।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত তিনটি হাসপাতাল, লাহি ক্লিনিক, ক্লেভল্যান্ড ক্লিনিক ও মায়ো ক্লিনিকে তিন সপ্তাহ প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও তার বিষয় বস্তুর ওপর বক্তব্য রাখেন। মায়ো ক্লিনিকের অধ্যাপক বিশ্বের স্বনামধন্য সার্জন সানহাত নিভা টভংস ও অধ্যাপক রজার ডোজয়েস এবং অন্যান্য ক্লিনিক ও হাসপাতাল থেকে লেখককে যে সমস্ত সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে তাতে কালোরেক্টাল সার্জারির ক্ষেত্রে তার দক্ষতার প্রশংসা করা হয়েছে। এ ছাড়া আমেরিকান সোসাইটি অব কোলন অ্যান্ড রেকটাল সার্জনস এ বছর বিশ্বের ছয়টি দেশের ৪৬ জন সার্জনকে আন্তর্জাতিক ফ্যাকালটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছেন। তার মধ্যে বাংলাদেশের এই লেখক সার্জনের নাম অর্ন্তভুক্ত রয়েছে। ওই সোসাইটির ফ্যাকালটিভুক্ত অপর পাঁচটি দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল ও সুইডেন।

এ কথা বলার অবকাশ নেই, লেখক দেশের একমাত্র কলোরেক্টাল সার্জন। দেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বেশ কয়েকজন খ্যাতিমান কলোরেক্টাল সার্জন রয়েছেন। তবে এ কথাও সত্য, লেখক পাইলস-ফিস্টুলা চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সুনাম অর্জন করেছেন এবং নতুন পদ্ধতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন।

লেখক : বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথ বিশেষজ্ঞ, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, (অব) কলোরেকটাল সার্জারী বিভাগ, বিএসএমএমইউ, ঢাকা।
চেম্বার : ইডেন মাল্টি-কেয়ার হসপিটাল, ৭৫৩, সাতমসজিদ রোড, (ষ্টার কাবাব সংলগ্ন) ধানমন্ডি, ঢাকা।
ফোন : ০১৭৫৫৬৯৭১৭৩-৬

আরো পড়ুন :
দূর হ বিষণ্নতা
ডা: মিজানুর রহমান কল্লোল

‘মন ভালো নেই- এই কথাটা অনেক লোকের মুখেই শোনা যায়। নিত্যদিনের অসুখী ভাব মানুষের মনে জন্ম দেয় বিষণ্নতার। কারণ একমাত্র মনে মধ্যে সীমিত নয়- পারিপার্শ্বিক কারণ জড়িয়ে আছে এর সঙ্গে। বিষণœতা মূলত এমন এক ব্যাধি যা মানুষকে আত্মহননে উৎসাহ জোগায়। যারা সারাক্ষণ বিষণ্নতায় ভোগেন তাদের মধ্যে দেখা দেয় নানা উপসর্গ। ঘুমের ব্যাঘাত, অবসাদগ্রস্ততা, মাথাব্যথা, বুকে কিংবা পেটে ব্যথা, খাবার গ্রহণে অনীহা, ওজন কমে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, যৌনশক্তি হ্রাস পাওয়া, কোনো কিছুতে মনোনিবেশ না করা- এসব যে নিত্যদিনের সঙ্গী। বিষণ্নতাগ্রস্ত ব্যক্তিদের জীবনের প্রতি চলে আসে প্রচণ্ড হতাশা। সমীক্ষায় দেখা গেছে, পুরুষদের চেয়ে মহিলারাই বেশি করে বিষণ্নতায় ভোগেন। তবে বিষণ্নতার জন্য আত্মহত্যা করে থাকেন পুরুষরাই বেশি। কেন এ বিষণ্নতা।

গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের প্রাপ্তির সঙ্গে যখন স্বপ্নের অসঙ্গতি ঘটে তখন বিষণ্নতা ভর করে। প্রতিদিন একঘেয়ে কাজও বিষণ্নতার এটি কারণ। এ ছাড়া যারা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ সেবন করছেন সেগুলো বিষণœতা ঘটাতে পারে। এই ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে রেসারপিন, মেথাইল ডোপা, বেটা বব্লকার প্রভৃতি। হৃদরোগের জন্য ব্যবহৃত ওষুধ ডিজিটালিস অনেক ক্ষেত্রে বিষণ্নতার কারণ। হাঁপানি, চর্মরোগ, আর্থ্রাইটিস প্রভৃতি অসুখে ব্যবহৃত স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ বিষণ্নতা ঘটায়। যারা সর্দি-কাশির জন্য নিয়মিত এন্টিহিস্টামিন ওষুধ খেয়ে থাকেন তাদের ক্ষেত্রেও ঘটতে পারে বিষণ্নতা। যারা থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যায় ভুগছেন তারাও বিষাদগ্রস্ত হয়ে ওঠেন। মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের পূর্বে বিষণ্নতায় ভোগার লক্ষণ দেখা দেয়। কেউ কেউ সন্তান প্রসাবের পর হরমোনের মাত্রা পরিবর্তনের জন্য বিষণ্নতায় আক্রান্ত হন। ডায়াবেটিস কিংবা দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগও বিষণ্নতার জন্য দায়ী। শরীরে পুষ্টির অভাব ঘটলে বিষণ্নতা দেখা দিতে পারে। যৌন কাজে অসফলতা বিষণ্নতার একটি প্রধান কারণ। মোটামুটিভাবে নানা কারণে একজন মানুষ বিষণ্নতায় আক্রান্ত হতে পারে।

কিভাবে দূর করবেন এই বিষণ্নতা
১। কারণ নির্ণয় করুন
অনেকেই জানেন না তিনি কি কারণে বিষণ্নতায় ভুগছেন। মন খারাপ হলে কিংবা কোনো কিছু ভালো না লাগলে তার কারণ খুঁজে বের করুন। যদি কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। আপনি যদি কোনো বিশেষ ওষুধ খেতে থাকেন সে ব্যাপারটা চিকিৎসককে বলুন। কারণ বিভিন্ন ওষুধ নিণœতার সৃষ্টি করে।
২. পৃষ্টিযুক্ত খাবার খান
গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব ঘটলে বিষণ্নতা দেখা দেয়। ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের অভাবে বিষণ্নতা দেখা দিতে পারে। শরীরে লৌহ উপাদানে ঘাটতি বিষণ্নতার জন্ম দেয়। মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিক চলাকালীন এটা বেশি পরিলক্ষিত হয়। তাই সর্বদা পুষ্টিযুক্ত খাবার খান। ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ যেসব খাদ্যদ্রব্যের রয়েছে সেই খাবারগুলো বেছে বেশি করে খান।

৩. নিয়মিত ব্যায়াম করুন
ব্যায়াম অধিকাংশ ক্ষেত্রে আপনার বিষণ্নতা কাটিয়ে দেবে। প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধ্যায় অন্তত এক মাইল মুক্ত বাতাসে হেঁটে আসুন। খুব বেশি পরিশ্রমের প্রয়োজন নেই। স্রেফ হাঁটুন। এ ছাড়া হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। ১০ বার বুক ডন, ওঠবস, সাইকেল চালানো কিংবা সাঁতার কাটা এই চারটি বিষয়ের মধ্যে থেকে আপনার পছন্দমতো একটি বেছে নিয়ে অনুশীলন করুন। কেটে যাবে আপনার বিষণ্নতা।

৪. প্রাণ খুলে হাসুন
কখনো মুখ গোমড়া করে থাকবেন না। যেকোনো হালকা বিষয় হলেও হাসতে শিখুন। গবেষণায় দেখা গেছে হাসি ওষুধের চেয়েও ভালো কাজ করে।

৫. দুশ্চিন্তাকে তাড়া করুন
মনে রাখবেন, কখনো যেন দুশ্চিন্তা আপনাকে তাড়া না করে বরং আপনি দুশ্চিন্তাকে তারা করুন। জীবনের সবকিছুকে সহজভাবে নিন। মনে রাখবেন, একজন মানুষ এক জীবনে সবকিছু হতে পারে না। আপনি যা হতে পারেননি তার জন্য মনে ক্ষোভ পুষে রাখবেন না। বরং বর্তমান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন। বর্তমানকে সাজিয়ে তুলুন আপনার সামর্থ্য দিয়ে।

৬. বেড়িয়ে আসুন কিছু দিন
মাঝে মাঝে একঘেয়ে জীবন থেকে কিছুদিনের জন্য স্বস্তি পেতে বেড়িয়ে আসুন অন্য কোনো জায়গা থেকে। আপনার প্রিয়জনকে সঙ্গে নিন। উপভোগ করুন জীবনের অপার মাধুর্য। প্রকৃতিকে উপলব্ধি করুন। সাগর তীরে গিয়ে একেবারে ছেলে মানুষ হয়ে যান। দেখবেন বেঁচে থাকাটা মন্দ না।

৭. চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
যদি এসব করেও আপনার বিষণ্নতা না কাটে আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকই আপনার ভালো বন্ধু, যিনি বাতলে দেবেন আপনার সঠিক গন্তব্যের দিকনির্দেশনা।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, অর্থোপেডিকস ও ট্রমা বিভাগ, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। চেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, ২, ইংলিশ রোড, ঢাকা।
ফোন: ০১৬৭৩৪৪৯০৮৩ (রোমান)


আরো সংবাদ