২২ এপ্রিল ২০১৯

অচেতন হয়ে যাওয়া

-

অচেতন হয়ে যাওয়া এমন একটি অবস্থা যেখানে ব্যক্তি বাইরের উদ্দীপনা প্রয়োগে কোনো সাড়া দেয় না। যেকোনো পরিমাণ উদ্দীপনায় সম্পূর্ণ সাড়াহীন অবস্থাকে কোমা বলে। চোখের তারায় আলোর প্রতিক্রিয়া দেখে অজ্ঞানের বিভিন্ন পর্যায় বোঝা যায়। যদি আলো ফেললে চোখের তারা সঙ্কুচিত হয় সেটাকে বলে ‘স্টেট অব স্টুপর’ বা অসাড়তা স্তর। কিছু কিছু ক্ষেত্রে চোখের তারায় আলো ফেললে কোনো প্রক্রিয়া সৃষ্টি হয় না এবং চোখের তারা প্রসারিত হয়ে যায়। কখনো কখনো কোমার সাথে খিঁচুনি থাকে।
সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ
ষ হেড ইঞ্জুরি বা মাথায় আঘাত
ষ ইপিলেপ্সি বা মৃগি রোগ
ষ হিস্টিরিয়া
ষ পয়জনিং বা বিষক্রিয়া
ষ শক
ষ শ্বাসরোধ
ষ ডায়াবেটিস
ষ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা রক্ত জমাট বাঁধা
ষ হিটস্ট্রোক
ষ মূর্ছা যাওয়া
ষ হার্ট অ্যাটাক
ষ মস্তিষ্কে ইনফেকশন
প্রতিক্রিয়ার মাত্রা
এগুলো রোগীর সাড়া দেয়ার বিভিন্ন স্তর।
রোগীর নি¤েœাক্ত বিষয়গুলো হতে পারেÑ
১. রোগীকে কোনো প্রশ্ন করলে সে স্বাভাবিকভাবে উত্তর দিতে পারে এবং স্বাভাবিক কথাবার্তা চালিয়ে যেতে পারে।
২. কেবল সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে
৩. রোগী কোনো প্রশ্নের কেবল অস্পষ্টভাবে সাড়া দিতে পারে।
ষ নির্দেশ মান্য করা
ষ কেবল ব্যথা প্রদানে সাড়া দেয়া
ষ কোনো কিছুতেই কোনো সাড়া না দেয়া
ফাস্ট এইড
প্রথমেই রোগীর কোনো বন্ধু বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করা উচিত যে, রোগীর কোনো রোগ রয়েছে কি না, যেমনÑ ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, মৃগিরোগ ইত্যাদি এবং রোগী কোনো অসুস্থতার জন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করছিল কি না।
এসব তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে ডায়াবেটিস, হাইপারটেশন কিংবা মৃগিরোগের ক্ষেত্রে। রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হচ্ছে কি না সেটি পরীক্ষা করে দেখুন।
ষ রোগীর শ্বাসপথে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকলে যেমন জিহ্বা পেছনের দিকে চলে গেলে সেটি মুক্ত করুন।
এ ক্ষেত্রে দুই চোয়ালের কোনা বুড়ো আঙুল দিয়ে সামনের দিকে ঠেলুন।
ষ মাথা এক পাশে কাত করে দিন।
ষ প্রয়োজনে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দিন।
ষ মুখে কিছু খাওয়াবেন না।
ষ কৃত্রিম দাঁত থাকলে সেটা সরিয়ে ফেলুন এবং এক টুকরো কাপড় দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।
ষ যদি শ্বাস-প্রশ্বাসে আওয়াজ হয় তাহলে রোগীকে বালিশের সাপোর্ট দিয়ে থ্রি কোয়ার্টার এল পজিশনে রাখুন।
ষ রোগীর কাপড় চোপড় ঢিলা করে দিন।
ষ রোগীকে গরম রাখুন।
ষ রোগীর পা ওপরে তুলুন এবং মাথা নিচের দিকে রাখুন। তবে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত রোগীকে এমন করা যাবে না।
ষ রোগীকে একা রেখে যাওয়া যাবে না।
ষ রোগীর মল-মূত্র পরিষ্কার করুন।
ষ রোগীর খিঁচুনি হলে জিহ্বায় যাতে কামড় না লাগে সেজন্য দুই সারি দাঁতের মাঝে শক্ত কিছু রাখুন, যেমনÑ চামচ।
ষ যদি উচ্চমাত্রার জ্বর থাকে তাহলে কোল্ড স্পনজিং করুন।
ষ বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে নিয়মমাফিক ব্যবস্থা নিন।
ষ মাথায় আঘাত লাগলে রক্তপাত বন্ধ করতে ক্ষতস্থানে শক্ত ব্যান্ডেজ বাঁধুন। ক্ষতে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করবেন না।
লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, অর্থোপেডিকস ও ট্রমা বিভাগ, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। চেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, ২, ইংলিশ রোড, ঢাকা।
ফোন: ০১৬৭৩৪৪৯০৮৩ (রোমান)

 


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat