১৫ অক্টোবর ২০১৯

আফসোস নিয়েই দেশে ফিরলেন মারিয়ারা

কোচ গোলাম রাব্বানী  ছোটন  একবারও বলেননি তাদের লক্ষ্য ছিল এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা ফুটবলের সেমিফাইনালে খেলা। তবে মনের ভেতর সেই টার্গেট তাদের স্থিরই ছিল। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ শেষে স্পষ্ট হলো কি দারুন সুযোগই না হাতছাড়া হওয়ার গেল। যে ম্যাচটা তারা উপহার দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই খেলা থাইল্যান্ড এবং জাপানের বিপক্ষে হলে শুধু করার ইতিহাসই নয় একাধিক জয়ের সুখ স্মৃতি নিয়ে দেশে ফিরতে পারতেন মারিয়া মান্ডারা। যা তাদের সেমিতে খেলার গোপন ইচ্ছেও পূরন করে দিতো। এরপরও তাদের সন্তুস্টি জাপানের কাছে নয় গোলে হারের পর অস্ট্রেলিযার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে দুই দফা লিড নিয়ে ২-২ এ ড্র করা।

যা তাদের এ্এফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলের চ’ড়ান্ত পর্বে প্রধম বারের মতো পয়েন্ট এনে দিয়েছে। এবারের মতো এএফসির আসর শেষ। এখন বাংলাদেশ আগামীবার এই টুর্নামেন্টের চ’ড়ান্ত পর্বে খেলার ছাড় পত্র পাবে কিনা সেটার পরীক্ষা আগাম ীবছর। তবে এখন মহিলা দ্েলর মূল লক্ষ্য সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলের েিশরাপা পুনরুদ্ধার। যা আগামী মাসে, মানে ৬-১৫ অক্টোবর ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত হবে। এই মাঠেই গত বছর ভারতের কাছে ০-১ গোলে হেরে শিরোপা খুইয়েছিল বাংলাদেশ দল। ২০১৭ সালে ঢাকায় যা তারা অর্জন করেছিল এই ভারতকেই ১-০তে হারিয়ে।

তবে বাংলাদেশ দলের মূল সমস্যা এবার একেবারে প্রায় নতুন দল নিয়ে অনূর্ধ্ব-১৫ সাফে খেলতে হচ্ছে। এবারের এএফসি টুর্নামেন্টের অভিজ্ঞতা তেমন কাজে আসবে না আগামী মাসের সাফে। মাত্র দুই জন খেলোয়াড় আছেন যারা থাইল্যান্ডে চ’ড়ান্ত পর্বে ম্যাচ খেলেছেন। এদের একজন হলের গোররক্ষক রুপনা চাকমা। তিনি সব ম্যাচেই ছিলেন পোষ্টের নীচে ছিলেন। আর ছোট শামসুন্নাহার দু’টি ম্যাচ খেলেছেন। শামসুন্নাহারের গত বছরের সাফে চার গোল ছিল পাকিস্তানেরর বিপক্ষে। যদিও স্কোয়াডে থাকা আট ফুটবলার আছেনর যারা খেলতে পারবেন আসন্ন সাফে। বাকীরা হলেন রিপা, রেহানা, নোশুন, ইয়াসমিন, রোজিনা ও মুন্নী। রিপা গত সাফে বদলী হিসেবে নেমে দারুন এক গোল করেছিলেন ভুটানেরর বিপক্ষে। কোচ গোলাম রাব্বানী ছেটান জানান, আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য আগামী মাসের সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ সাফের শিরোপা পুনরুদ্ধার। এবারের আসর দলের ফুটবলারদের জন্য দারুন অভিজ্ঞতা হয়েছে। যা তাদের খুব কাজে দেবে সাফে। যারা খেলতে পারেনি তারাও টিমের সাথে থেকে নিজেদের পোক্ত করেছেন। এটা কাজে দেবে ভুটানের সাফে। সে সাথে যারা সিনিয়র তাদের আগামী এস এ গেমসের জন্য নিজেদের ভালো ভাবে তৈরী করতে পারবেন।

কোচ যে নতুন করে কাউকে এএফসির টুর্নামেন্টে সাফের দলের কাউকে পরীক্ষা করাবেন সেই সুযোগই হয়নি। প্রতিপক্ষ রা যে শক্তিশালী । এদের বিপক্ষে নতুন কাউকে দেখার সুযোগই নেই। ছোটন যোগ করেন, ভেবেছিলাম আস্ট্রলিয়ার বিপক্ষে রেহানাকে খেলাবো। কিন্তু তাকে পেলে সেই স্থান দিয়েই আক্রমন শানাতো তারা। তাই সে পথে যেতে পারিনি।

কোচ সাফকে ঘিরে তার পরিকল্পনার কথা বললেও বাফুফের টেকনিক্যাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটিজিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি নিশ্চিত নন কারা কারা এই দল থেকে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ দলে খেলার সুযোগ পাবেন। আর বাংলাদেশ যে সহজেই থিম্পুর মাঠ থেকে শিরোপা পুনরুদ্ধার করবে সেটাও বললেন না। তার মতে, প্রতিপক্ষ নিয়েও আমাদের ভাবতে হবে। সেখানে ভারত এবং নেপালের মতো শক্তিশালী দল আছে।ূ


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum