১৬ অক্টোবর ২০১৯

রিয়াল মাদ্রিদকে পেয়ে চোখও টিপলেন, জিহ্বাও বের করলেন

রিয়াল মাদ্রিদের কী হয়েছে কোচ জিনেদিন জিদানও হয়তো বুঝতে পারছেন না। দল ছেড়ে একটি সিজনও অতিবাহিত করেননি। লেজে-গোবরে হয়ে শেষ করলো ২০১৮ সিজন। দলের দুরবস্থায় সিজন শেষ না হতেই সাবেক কোচ জিদানকেও ফেরান রিয়াল কতৃপক্ষ। কিন্তু দল ত্যাগ করা এবং আবার দলে ফেরা এর মাঝে রিয়াল মাদ্রিদে দেখা দিলো আকাশ-পাতাল তফাৎ। রেখে যাওয়ার সময় চ্যাম্পিয়ন লিগ জিতে এসেছেন আর ফিরে গিয়ে কোপা দেল রে-সুপার লিগও কপালে জুটেনি ঐ দলের। এমন অবস্থায় নতুন ২০১৯-২০ এর মৌসুম শুরু করলো রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু এবারও ভালো-মন্দে শুরু হলো মৌসুম।

বুধবার রাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন লিগের প্রথম রাউন্ডে সিজনের প্রথম ম্যাচে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) এর কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয় জিদানের দল। এই ম্যাচে পিএসজির গোলপোস্ট অভিমুখে একটিও ক্লিন শট নিতে পারেনি জিদানের শিষ্যরা। এই ম্যাচে একদমই চেনা যায়নি বেনজেমা-বেলদের। সব দিকেই এগিয়ে ছিল পিএসজি। ৫৪ শতাংশ বল ছিল নেইমার-এমবাপ্পে-কাভানি বিহীন পিএসজির পায়ে। ৪৭ শতাংশ ছিল রিয়ালের দখলে। পিএসজি কর্ণার পায় পাঁচটি রিয়াল পায় সেখানে একটি। পাস একুরেসি ৮৯ শতাংশ সঠিক ছিল পিএসজির রিয়ালের ছিল ৮৫ শতাংশ। ঞলুদ কার্ড রিয়াল পায় ৩টি সেখানে পিএসজি পায় দুটি। পুরো ম্যাচে ডি মারিয়া-ইকার্দিরা ব্যস্ত রাখেন রিয়াল রক্ষণভাগ। দুটি গোলও আসে ডি মারিয়ার পা থেকে।

তবে সাবেক দলের বিপক্ষে গোল করে যে সেলিব্রেশন করলেন ডি মারিয়া, তা হয়তো রিয়াল মাদ্রিদও দেথতে প্রস্তুত ছিল না। মোটামুটি পরনের গেঞ্জি উপরে তুলে এবং মুখের ভিতর থেকে জিহ্বা যতটুকু বের করা যায় সাধ্যমত ততটুকু বের করে সাবেক দলের বিপক্ষে গোল উদযাপন করলেন তিনি।

অন্য দিকে গত সিজন পর্যন্ত রিয়ালের গোল পোস্টের অতন্দ্রপহরী কেইলর নাভাসও ছিলেন এই দিন পিএসজির গোল পোস্ট প্রহরী। এই সিজনে তাকে পিএসজির কাছে বিক্রি করে দেয় রিয়াল। দারুণ সেভও করেছেন নাভাস।

তবে খেলা শেষে নাভাসও সাবেক দল রিয়ালকে চোখ মারতে ভুল করেননি। বিদায়লগ্নে রিয়ালের গোলকিপার কর্তোয়ার দিকে তাকিয়ে রীতিমতো চোখও টেপেন তিনি। তবে চোখ টেপে কী বুঝাতে চেয়েছেন তা পরিস্কার নয়। তবে এই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum