২৭ মে ২০১৯

বিশ্বকাপ প্রাক বাছাই : বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ লাওস

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল - ফাইল ছবি

ফিফা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ১৮৮। সে মোতাবেক এএফসি র‌্যাংকিং ৪১। লাল সবুজদের এএফসিতে এই র‌্যাংকিং ২০১৫ সালের মতো ৩৪ এ থাকতে পারলে মিলতো সরাসরি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে খেলার। বাফুফের অদূরদর্শীতায় বাংলাদেশ আছে ৪০ এর পরে। এতে যা হওয়ার তাই। ২০২২ কাতার বিশ্ব্কাপের সরাসরি বাছাইপর্বে খেলা হচ্ছে না জামাল ভূঁইয়াদের। খেলতে হচ্ছে বিশ্বকাপের প্রাক বাছাইয়ে।

বুধবার এই প্রি কোয়ালিফাইংয়ে জেমি ডে বাহিনীর প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হয়েছে। মালয়েশিয়ার এএফসি ভবনে অনুষ্ঠিত ড্র’তে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে আসিয়ান অঞ্চলের দেশ লাওসকে। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে তাদের সাথে বাংলাদেশের ম্যাচ ৬ ও ১১ জুন।

এই দুই লেগের ম্যাচে বাংলাদেশকে প্রথমে খেলতে হবে অ্যাওয়ে ম্যাচ। ৬ জুন এই অ্যাওয়ে ম্যাচ লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়েনে। ১১ জুন দ্বিতীয় লেগের খেলা ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। সেপ্টেম্বরের বাছাই পর্বে অন্য ৩২ দেশের সঙ্গী হতে ২০০৩ এর সাফ চ্যাম্পিয়নদের জিততে হবে লাওসের বিপক্ষে এই দুই পর্বের ম্যাচে। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়েতে গোল পার্থক্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং বাংলাদেশ যদি ৬ জুন লাওসের মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফিরে আসতে পারে তাহলে ঢাকায় তাদের ড্র করলেই চলবে।

আর ভিয়েনতিয়েনে যদি ১-১ বা ২-২ গোলে ড্র করে আসতে পারে সেক্ষেত্রে ১১ জুন তাদের গোলশূন্য ড্র ই হবে বাছাই পর্বে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। এছাড়া যদি দুই পর্বেই ম্যাচে শেষে বিজয়ের হাসি শোভা পায় লাল সবুজ জার্সীধারীদের মুখে তাহলে তো কথাই নেই। সেপ্টেম্বর থেকে লড়াই করতে বাড়তি প্রেরণা পাবে। একই সাথে ফিফা র‌্যাংকিংয়েও উন্নতি হবে। বাংলাদেশ যদি লাওসে হেরেও আসে তাহলে ঢাকায় তাদের জিততে হবে বড় ব্যবধানে।

লাওস পরিচিত প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের। এই পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে দেখা হয়েছে তিন বার। এতে জয়, পরাজয় ও ড্র প্রতিটিই একটি করে। ২০০৩ সালে হংকং এ অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে হাসানুজ্জামান বাবলুর দলকে বিস্ময়কর ভাবে ২-১ গোলে হারিয়ে দেয় লাওস। এই লাওস প্রথম ম্যাচে ১-৫ গোলে হেরেছিল হংকংয়ের বিপক্ষে। পরে বাংলাদেশ ২-২ গোলে ড্র করে হংকংয়ের বিপক্ষে। বাংলাদেশ তখন হংকং গিয়েছিল সাফ চ্যাম্পিয়নের মর্যাদা দিয়ে। ২০১৭ সালে ফের তাদের সাথে দেখা বাংলাদেশের। মার্চের ফিফা প্রীতি ম্যাচে লাওসের মাটিতে ২-২ গোলে ড্র অ্যান্ড্রু অর্ড বাহিনীর। গত বছরের বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে জেমি ডে বাহিনী অবশ্য প্রথম বারের মতো জয়ের স্বাদ পায় লাওসের বিপক্ষে। সিলেটে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বিপলু আহমেদের গোলে ১-০তে জয় বাংলাদেশের।

ফিফা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের কাছেই আছে লাওস। তাদের বর্তমান র‌্যাংকিং ১৮৪। বাংলাদেশ আছে ১৮৮ তে। এই দুই দেশ ছাড়াও কাতার বিশ্বকাপের জন্য এশিয়া থেকে প্রাক বাছাই পর্ব খেলতে হচ্ছে আরো ১০ দেশকে। এতে মঙ্গোলিয়া খেলবে ব্রুনাইয়ের বিপক্ষে। শ্রীলংকার প্রতিপক্ষ ম্যাকাও। কম্বোডিয়া মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তানের। ভুটান পাচ্ছে গুয়ামকে। আর মালয়েশিয়াকে পেরোতে হবে পূর্ব তিমুরের বাধা।

বাংলাদেশের অবশ্য বিশ্বকাপ প্রাক বাছাইয়ে জয়ের কোনো রেকর্ড নেই। আছে মাত্র একটি ড্র য়ের কৃতিত্ব। ২০০৪ সালে তাজিকিস্তান ঢাকা ও দুশানবে দুই পর্বেই ২-০তে হারিয়েছিল গোলাম সারোয়ার টিপুর দলকে। ২০০৭ সালে সৈয়দ নইমুদ্দিনের কোচিংয়ে গড়া দলের সাথে ঢাকায় ১-১ এ ড্র করেছিল তাজিকিস্তান। এরপর ফিরতি ম্যাচে দুশানবেতে ৫-০ গোলের জয় তাজিকদের।


আরো সংবাদ




Instagram Web Viewer
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa
agario agario - agario