২০ এপ্রিল ২০১৯

ভুটানকে হারিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ

ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙ্গে পড়া ভুটানী মেয়েদের বিপরীতে জয়ে ততোটা উল্লসিত দেখা যায়নি লালসবুজদের। এই ম্যাচে জিতলেই সেমি ফাইনাল। সে লক্ষ্য তাদের পূরন হয়েছে। কিন্তু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিতে ভারতকে এড়ানোর প্রাথমিক রাস্তা তৈরীতে জন্য যে বড় ব্যবধানে জয় দরকার ছিল তা হয়নি।

অবশ্য এরপরও আশা শেষ হয়ে যায়নি সাবিনা-মৌসুমীদের। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে এর পরের ম্যাচেই জিততেই হবে নেপালের বিপক্ষে। কাল গোলাম রাব্বানী ছোটন বাহিনীর ২-০ গোলের জয় একই সাথে শেষ চারে চলে গেছে নেপাল এবং ভুটান। আর নেপালের ভিরাত নগরের শাহীদ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে টানা দুই হারে এবারের পঞ্চম মহিলা সাফের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলো ভুটান।

‘বি’ গ্রুপে সেমি ফাইনালে যাওয়ার লড়াই শ্রীলংকা এবং মালদ্বীপের। জয়ী দল চলে যাবে নক আউট পর্বে। ম্যাচ ড্র হলে ১৭ তারিখে ভারত- শ্রীলংকা মাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। বুধবার আসরের টানা চার বারের চ্যাম্পিয়ন ভারত ৬-০তে হারিয়েছিল মালদ্বীপকে।

প্রথম ম্যাচে নেপালের কাছে ০-৩ গোলে হেরেছিল ভুটান। তাই ‘এ’ গ্রুপে নেপাল এবং বাংলাদেশ উভয়ের পয়েন্ট সমান তিন করে হলেও গোল পার্থক্যে এগিয়ে এবারের সাফের স্বাগতিকরা। তাই শুক্রবার গ্রুপ সেরা হতে ড্র দরকার নেপালী মেয়েদের। গত নভেম্বরে অলিম্পিক বাছাই ফুটবলে নেপাল এবং বাংলাদেশের ম্যাচ ড্র হয়েছিল। সিনিয়র ফুটবলে এটিই নেপালীদের বিপক্ষে লালসবুজদের বড় অর্জন।

বৃহস্পতিবার নিজেদের প্রথম ম্যাচ ছিল সাফের বর্তমান রানার্সআপ বাংলাদেশের। তাদের এই খেলা আবার প্রায় চার মাস পরে। এরপরও বেশ দাপটের সাথে খেলে সাবিনার নেতৃত্বেধীন দল। কিন্তু গোল মিস এবং আফসাইডের জন্য বারবার আক্রমন নষ্ট হওয়ায় কাংখিত ৪ -০ গোলের স্কোর আসেনি। গোলশূণ্য প্রথমার্ধ শেষে বিরতির পরই প্রথম গোল। এরপর ৮৬ মিনিটে টেনশন মুক্তি।

শুরু থেকেই ভুটানের উপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। মাঝ মাঠে মৌসুমী- মারিয়া, মনিকা, সানজিদা এবং ফরোয়ার্ড লাইনে সাবিনা-স্বপ্না জুটি সারাক্ষণই আতংক ছড়াতে থাকে ভুটানের রক্ষনভাগে। ডিফেন্স লাইনে দুর্ভেদ্য ছিলেন শিউলি আজিম, মাসুরা এবং আঁখি। এরপরও আসছিল না শুধু গোলই। এই সময় ভুটান মূলত রক্ষণ কাজেই ব্যস্ত থাকে।

১০ মিনিটে বাংলাদেশ গোল পায়নি কর্নার থেকে আসা বলে আঁখি খাতুনের হেড গোলরক্ষক সোজা যাওয়ায়। দুই মিনিট পরেই ম্যাচের অন্যতম সহজ সুযোগ ছোটন বাহিনীর। আঁখি খাতুনের লব থেকে বল পেয়ে যান সিরাত জাহান স্বপ্না। এরপর আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে তিনি বল মারলেও তা চলে বাইরে। ২৩ ও ৩৬ মিনিটে স্বপ্না এবং সাবিনার দুটি প্রচেষ্টাতেও বাধা এই কিপার।

অবশেষে বিরতির পরপরই গোল। মনিকার কর্নারে ঠিক মতো ফিষ্ট করতে পারেননি ভুটানের শেষ প্রহরী। পোস্টের খুব সামনে সে বল হাওয়ায় ভাসতে থাকলে সহ-অধিনায়ক মিসরাত জাহান মৌসুমী হেডে বল জালে পাঠান। পিছিয়ে পড়ার পর ভুটান গোল শোধে আক্রমনে আসার চেষ্টা করে। ফলে উন্মুক্ত হয়ে যাওয়া ভুটানের রক্ষনভাগের ফাটলকে কাজে লাগিয়ে সুযোগ তৈরী করতে থাকে বাংলাদেশ। ৬৮ মিনিটে সাবিনার পাসে বলে পা লাগাতে ব্যর্থ বদলী হিসেবে নামা তহুরা খাতুন।
৮২ মিনিটে স্বপ্নার শট বাম দিকে শরীর ফেলে আয়ত্বে নেন বিপক্ষ কিপার। এরপর ৮৬ মিনিটে গোল। শামসুন্নাহারের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের প্লেসিং শটে ব্যাবধান দ্বিগুন এবং বাংলাদেশকে টেনশন মুক্ত করেন অধিনায়ক সাবিনা। ৯১ মিনিটে তহুরার গোলরক্ষককে একা পাওয়া শট পোষ্ট ঘেঁষে যাওয়ায় তৃতীয় গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। এরপরও সাফে তাদের বিপক্ষে জয়ের ধারাতেই থাকলো তারা।

বাংলাদেশ দল: রুপনা, আঁখি, মাসুরা, শিউলি, ,শামসুন্নাহান, মারিয়া, মনিকা, সানিজদা ( তহুরা ৬৮ মি.) মৌসুমী, সাবিনা, স্বপ্না।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al