২০ এপ্রিল ২০১৯

সাফ ফুটবল থেকে বাংলাদেশের বিদায়

সাফ ফুটবল থেকে বাংলাদেশের বিদায় - শফিউদ্দিন বিটু

তিনি কি জাতীয় দলের গোলরক্ষক? জয়-পরাজয় ছাপিয়ে ম্যাচ শেষে এই প্রশ্নটাই উঠল বড় করে। কিন্তু গোলরক্ষক সোহেলের নামের পাশে প্রশ্নটা নতুন করে নয়। তবু বাংলাদেশ জাতীয় দলের একাদশে খেলতে কষ্ট হয় না আবাহনী লিমিটেডের এ গোলরক্ষকের। শনিবার তার হাস্যকর এক ভুলের বড় মাশুল দিয়েছে বাংলাদেশ। নেপালের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিল ঘরের মাঠের সাফ ফুটবল থেকে।

অথচ শেষ চারে খেলার জন্য কত সহজ সমীকরণ ছিল বাংলাদেশ দলের জন্য। ড্র করতে পারলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত। সে ড্র-ই করতে পারলেন না জামাল ভুইঁয়ারা। ৩২ মিনিটে গোল হজম করার পর আর ম্যাচে ফিরে আসার মতো খেলতে পারেনি লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ফ্রি কিক থেকে নেওয়া বিমল গাত্রি মাগারের একটি অসহায় শট সোহেলের হাত ফসকে জালে জড়ায়। এই গোলটিই হয়ে যায় ম্যাচের নিষ্পত্তি। অথচ গোলটি হজম করার আগ পর্যন্ত ভালোই খেলছিল বাংলাদেশ। সমতায় ফিরবে কী, ৯০ মিনিটে বাংলাদেশ খেয়ে বসে আরও একটি গোল। নবযুগ শ্রেষ্ঠার গোলে স্কোরলাইন ২-০ করে নেপাল।

প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়। আর দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশই। অথচ শেষ পর্যন্ত বিদায় নিল স্বাগতিকেরা। গ্রুপ ‘এ’ থেকে সেমিফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান ও নেপাল।

ম্যাচ শেষে ‘ল্যাপ অব অনার’ দিল নেপাল। স্বাগতিক দর্শকদের কাছে এর চেয়ে যন্ত্রণার দৃশ্য আর কী হতে পারে!

আরো পড়ুন: পাকিস্তানের দ্বিতীয় জয়
ক্রীড়া প্রতিবেদক ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:১৪

ইরানী রেফারি আকরামি হাসান শেষ বাঁশি বাজানোর সাথে সাথে ভুটানের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় নিশ্চিত হলো পাকিস্তানের। দলের কোচিং স্টাফ ও রিজার্ভ খেলোয়াড়দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেই আলাদা হয়ে গেলেন কোচ হোসে অ্যান্থনিও নগেইরা। মাঠে ঢুকে বিশেষভাবে স্মরণ করলেন সৃষ্টিকর্তাকে। এই জয়ে দলের যেমন উপকার হলো তেমনি এই কোচেরও ক্যারিয়ার উজ্জ্বল হলো আরো। সাফের ‘এ’ গ্রুপের তিন ম্যাচের দুই খেলায় জয়। তাও আবার তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফুটবলে ফিরে। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য দারুণ সাফল্য এটি পাকিস্তানের।


সেমিফাইনালে যেতে আগে জিততে হবে ভুটানের বিপক্ষে। এই সমীকরণে শনিবার দিনের প্রথম ম্যাচে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সেই কাজই করে রেখেছে পাকিস্তান। প্রথম দুই ম্যাচে হেরে আগেই এবারের সাফ সুজুকি কাপ থেকে বিদায় হয়েছিল ভুটানের । ফলে এদিন ছিল তাদের নিয়ম রক্ষার ম্যাচ। অন্যদিকে পাকিস্তানের সামনে ছিল না জয়ের বিকল্প, তাই শুরু থেকেই তাদের চড়াও হয়ে খেলা। যা তাদের প্রথমার্ধেই ম্যাচকে একপেশে করে দিতে সহায়তা করে। বিরতির আগেই তারা দুই বার বল পাঠায় ভুটানের জালে। ইনজুরি টাইমে অরো এক গোল । শেষ পর্যন্ত এই ৩-০ স্কোর লাইনই বহাল ছিল। ফলে তিন ম্যাচে দুই জয় নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করলো সর্বশেষ ২০০৫ সাফের সেমিতে খেলা পাকিস্তান। ৬ পয়েন্ট তাদের। ২০০৫-এর নিজ দেশে করাচীর মাঠে তারা সেমিফাইনালে বাংলাদেশের কাছে ০-১ গোলে হেরেছিল। পেনাল্টি থেকে গোলটি করেছিলেন মোহাম্মদ সুজন। অন্য দিকে টানা তিন খেলায় হেরে একেবারে খালি হাতেই থিম্পু ফিরতে হচ্ছে ভুটানকে।

এবার তারুণ্য নির্ভর দল ভুটান। নতুন কোচের অধীনে ভিন্ন এক জাতীয় দল। আশানুরূপ খেলতে পারেননি তারকা ফুটবলার চেন চো। ডিফেন্স ছিল নড়বড়ে। তাই তাদের তিন খেলাতেই হার। বাংলাদেশের কাছে ২-০ , নেপালের কাছে ৪-০ ও শনিবার পাস্তিানের কাছে তাদের পরাজয় ৩-০ গোলে। তিন ম্যাচে ৯ গোল ভুটানের জালে। অন্য দিকে নেপালকে ২-১ গোল পরাজিত করার পর বাংলাদেশের কাছে ০-১ গোলে হার। দেয়ালে পিঠ টেকে যাওয়ায় এদিন প্রথম থেকেই গোলের জন্য মরিয়া ছিলো পাকিস্তান।

৫ ও ১০ মিনিটে দুটি সুযোগ মিস হলেও ২০তম মিনিটে গোল পায় পাকিস্তান। হেডে সাদ্দাম হোসেনের পাস থেকে বল পেয়ে গোলরক্ষককে প্রথম পোস্টেই তীব্র শটে পরাস্ত করেন ম্যাচ সেরা মোহাম্মদ রিয়াজ। ২৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হলো। মোহাম্মদ আলীর লব থেকে বল পেয়ে আগুয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন হাসান বশির। ৪১ মিনিটে রিয়াজের শট ফিরে আসে ক্রসবারে লেগে।

দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময় থেকে ক্লান্ত হয়ে পরে পাকিস্তান। এই সুযোগে ভুটান চড়াও হয়ে খেলতে থাকে। সুযোগও আসে। ৭৮ মিনিটে কাবি রাজ রাইয়ের হেড ক্রসবারে লাগলে ও ৮৭ মিনিটে চেন চো’র শট পাকিস্তানের গোলরক্ষক ঠোকালে ব্যবধান কমেনি। উল্টো ইনজুরি টাইমে বদিলি আহমেদ ফাহিম কাউন্টার অ্যটাক থেকে গোল করে পাকিস্তানের সহজ জয় নিশ্চিত করেন।

এদিকে পাকিস্তানের এই জয়ের ফলে বাংলাদেশের জন্য সেমিফাইনালের সমীকরণ কঠিন হয়ে গেল। নেপালের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাই জিততে হলে লাল-সবুজদের। গোলের ব্যবধানই সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছে পাকিস্তানকে। তিন ম্যাচ শেষে ৬ পয়েন্টের সাথে তাদের গোল ব্যবধান দাঁড়ালো ৩টিতে। বাংলাদেশেরও পয়েন্ট ৬। গোল ব্যবধান ৩। শেষ ম্যাচে অন্তত ড্র করতে পারলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ চারে উঠে যাবে বাংলাদেশ।

কিন্তু কোনোভাবে যদি নেপালের কাছে হেরে যায়, তাহলে গোল ব্যবান কমে যাবে বাংলাদেশের। সে ক্ষেত্রে গোল পার্থক্যে এগিয়ে যাবে নেপাল এবং পাকিস্তান। শেষ চারে উঠতে পারবে না বাংলাদেশ। বিদায় নিতে হবে গ্রুপ পর্ব থেকেই। সুতরাং, নেপালের সঙ্গে অন্তত ড্র করতেই হবে বাংলাদেশকে।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al