২১ এপ্রিল ২০১৯

কোচের নির্দেশনা মেনে খেলেই জয় পেয়েছি : তপু বর্মন

তপু বর্মণ - শফিউদ্দিন বিটু

সাফ সুজুকি কাপে যেন উড়ছেন বাংলাদেশ দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মন। স্ট্রাইকার না হয়েও স্বাগতিক বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলকে পরপর দুই ম্যাচে গোল করে জিতিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে জয় সূচক গোলের নায়ক তপু বর্মন বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষেও জয়সুচক একমাত্র গোলটি করেছেন। যে কারণে তার উদযাপনটিও ছিল কিছুটা ভিন্ন।

বৃহস্পতিবার খেলা শেষে স্বাগতিক দলের গোলদাতা তপু বর্মন বলেন, এই জয়টি আমাদের দলের এবং দর্শকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা দেশের ফুটবলের জন্য কাজ করছি এবং করব।’

আজকের এই সফলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোচ আমাদের যেভাবে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন সেভাবেই আমরা খেলার চেষ্টা করেছি। তিনিই আমাদের বলেছেন, ধৈর্য্য ধরার জন্য। প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়রা ক্লান্ত হলে ফলাফল আসবে। আমরা তার নির্দেশনা মেনে সফল হয়েছি। ’

ম্যাচে গোল দিয়ে এই জয়ের অনুভূতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই জয়ের অনুভূতি এই মুহূর্তে আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। শুধু এই টুকুই বলতে পারি আমি খুবই আনন্দিত।’

গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ নেপালের বিপক্ষে। ওই ম্যাচের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তপু বলেন, ‘আমরা এখনো নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ পরিকিল্পনা নিয়ে এই মুহূর্তে ভাবছি না। আগামীকাল এই বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা করব।’

স্বাগতিক দলের কোচ জেমি ডে বলেন, ‘ছেলেরা কঠোর পরিশ্রম করেছে। এর ফসল হিসেবে তারা এই জয়টি পেয়েছে। আমাদের পরিকল্পনাই ছিল বিশ্বনাথ ঘোষের লম্বা থ্রোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা। পরিকল্পনাটি ভালভাবেই বাস্তবায়ন করতে পেরেছে ছেলেরা। এ জন্য তারা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।’

আরো পড়ুন : পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমির পথে বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২২:৩৪

বাংলাদেশের মাটিতে লালসবুজদের বিপক্ষে কোনো জয় নেই পাকিস্তানের। বরং দুটি ড্র ছাড়া বাকী সবই বাংলাদেশের জয়। কার সাফ সুজুকি কাপের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে ফের জেমি ডে বাহিনীর জয়োৎসব। ৮৫ মিনিটে তপু বমর্নের গোলে ২০১১ সালের পর আবার ঢাকার মাঠে শেষ হাসি পাকিস্তানের বিপক্ষে। একই সাথে ২০১৩ সালে কাঠমান্ডু সাফে তাদের কাছে হারের বদলাও হলো। সেই ম্যাচে তারা জিতেছিল ২-১ এ। টানা দুই জয়ে বাংলাদশে এখন ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে। সেমিতে যেতে শনিবার নেপালের সাথে ড্র ই যথেষ্ট হবে।

তবে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের গোলের উৎস বিশ্বনাথের লম্বা থ্রো। এই লম্বা থ্রোতে কাল বারবার গোলের সম্ভাবনা তৈরী হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত ৮৫ মিনিটে সাফল্য।

একাদশে একটি পরিবর্তন। মিডফিল্ডার আতিকুর রহমান ফাহাদের জায়গায় সুযোগ পান অভিজ্ঞ মামুনুল ইসলাম মামুন। সাবেক এই অধিনায়কের উপস্থিতি দলের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডকে শক্তিশালী করেছে। কোচের ৪-২-৩-১ ফরমেশনে রক্ষন লাইনের ঠিক উপরে ছিলেন এই মামুনুল এবং জামাল ভুইয়া। কিন্তু পাকিস্তানীদের মিডফিল্ডকে গুড়িয়ে ডিফেন্স চেরা কোনো পাস দেয়ার জন্য তা যথেষ্ট ছিলনা। বরং প্রতিপক্ষের আক্রমন রুখে দিতে তা পর্যাপ্ত মনে হয়েছে প্রধমার্ধে। ফলে প্রথম ৪৫ মিনিটে অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী পাকিস্তানীদের বিপক্ষে লালসবুজদের কোনো আক্রমন না হওয়ার নেপথ্য তাই।

স্বাগতিকদের কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর কৌশল বুঝে ডি বক্সের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে শুরু করেন পাকিস্তানী কিপার ইউসুফ ইজাজ ভাট। ফলে দূর থেকে শটে তাকে পরাস্ত করার বৃথা চেষ্টা ছাড়া প্রথমার্ধে আর কিছুই করতে পারেনি জেমি ডে বাহিনী। বরং ৯ মিনিটে গোলের খুব কাছে চলে গিয়েছেল পাকিস্তান। ডেনমার্ক প্রবাসী মোহাম্মদ আলীর সাধারন মানের হেড নিজের দীর্ঘ দেহকে পুঁজি করে কোনো মতে কর্নার করেন বাংলাদেশ কিপার শহীদুল আলম সোহেলে।এই দীর্ঘ দেহের কারনেই সব কোচের মতো জেমিরও পছন্দ এই সোহেল।

শুরু থেকে নড়বড়ে ছিলেন বাংলাদেশের রাইটব্যাক পজিশনে খেলা টুটুল হোসেন বাদশা। ৫৫ মিনিটে তার ভুলেই আবার গোলের সুযোগ পেয়ে যায় আলী। তবে এবারো সোহেলের প্রতিরোধ। মোহাম্মদ আলীর তীব্র ডান পায়ের শট বাম দিকে শূন্যে শরীর ভাসিয়ে কর্নার করেন বাংলাদেশ কিপার। লালসবুজরা কাউন্টার অ্যাটাকে ভালো, এশিয়াডে তা দেখেছেন পাকিস্তানের ব্রাজিলিয়িান কোচ হোসে অ্যান্থনিও নগেইরা। তাই পাকিস্তান দলও ছিল সতর্ক। তারাও ঘর গুছিয়ে আক্রমনে উঠার চেষ্টা করতে থাকে।

৫৮ মিনিটে বাংলাদেশ প্রথম বারের মতো পরীক্ষায় ফেলে বিপক্ষ গোলরক্ষককে। কিন্তু বিপলুর শট গোলরক্ষক সোজা যাওয়ায় কিছুই হয়নি। ৮৩ মিনিটের মামুনুলের ফ্রি-কিকে তপু গোল করতে ব্যর্থ হলেও ৮৫ মিনিটে সাফল্য। বিশ্বনাথের লম্বা থ্রোতে পাকিস্তানের বক্সে একটি হেড হয়। সে হেড পোস্টে ঘেঁষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ছুটে আসা তপু বর্মনের হেড উল্লাসে ভাসায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজার বিশেক দর্শককে।এই নিয়ে সাফের টানা তিন ম্যাচে গোল পেলেন তপু। ২০১৫ তে কেরালায় ভুটানের বিপক্ষে গোল ছিল। এবার ৪ সেপ্টেম্বর ফের ভুটানের বিপক্ষে গোল করেন।

বাংলাদেশ দল: সোহেল , তপু, বাদশা, বিশ্বনাথ, ওয়ালী, জামাল, জনি, মামুনুল, সাদউদ্দিন, বিপলু( ইমন বাবু ৯৪ মি.), সুফিল ( রনি ৮৯ মি.)।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat