২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মাঠেই জবাব দিতে চান নাসির

-

আজ শুরু সাফ ফুটবল। কিন্তু সোমবার পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের নাম ঘোষনা করেননি হেড কোচ জেমি ডে। সাফের ট্রফি প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন জামাল ভূঁইয়া। দলের সূত্রে জানা গেছে ডেনমার্ক প্রবাসী এই মিডফিল্ডারই নেতৃত্ব দেবেন লাল-সবুজদের। যদিও সোমবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে আসেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডোর নাসির উদ্দিন চৌধুরী। সব পজিশনে খেলতে অভ্যস্থ এই ফুটবলারটির এটি চতুর্থ সাফ। তার উপস্থিতি আগের তিন সাফেই গ্রুপ পর্বে বিদায় লাল সবুজদের। তবে ভুটান ট্র্যজেডির ওই ম্যাচে তিনি ছিলেন না দলের সাথে।

কেন এখনও অধিনায়ক মনোনীত করা হয়নি এর জবাবে কোচ বলেন, ‘আমার দলের ২০ জনই অধিনায়ক।’ সংবাদ সম্মেলন নাসির আসায় তার কাছেই প্রশ্ন। সাবেক এটই সেনা সদস্যের মতে, ভুটানের বিপক্ষে আজ আমরা জয়ের জন্যই নামবো। তিন পয়েন্ট নিয়ে ত্যাগ করতে চাই মাঠ।

সাফে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। এই খেলায় জয় জরুরী। কিন্তু প্রতিপক্ষ ভুটান হওয়ায় অন্যমাত্রা যোগ হয়েছে এতে। তাদের কাছে সর্বশেষ ম্যাচে হার ক্ষত আজো বয়ে বেড়াতে হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলকে। তাই সংবাদ সম্মেলনে বারবারই আসছিল প্রতিশোধের বিষয়টি। মামুনুল, জামাল , নাসিররা কি পারবে ভুটানকে হারাতে। সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্ন উঠতেই নাসিরের জবাব, অমরা ভুটান নিয়ে ভাবছিনা। ভাবছি টুর্নামেন্ট নিয়ে। ভুটানের বিপক্ষে জিততে হবে তিন পয়েন্ট পেতে হবে এটাই এখন টার্গেট।

কৌশলে বাংলাদেশ কোচ এবং ফুটবলাররা ভুটান ভীতি দূর করতে চাইলেও ভেতরে ভেতরে ভুটান ভীতি থাকছেই। ২০১৬ সালে ১-৩ গোলের হার যে পিছিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের ফুটবলকে। লাল সবুজ জার্সীধারীদের শরীরের ভাষায় স্পস্ট তারা আজ প্রতিশোধ স্পৃহায় মত্ত।

এদিকে নাসির জানান, ‘ভুটানের বিপক্ষে আমরা আজ কি করবো তা আগাম কিছু বলবোনা। মাঠের খেলাতেই প্রমাণ করবো। ফুটবলারা সবাই এই ম্যাচে ভালো করেত উদ্বুদ্ধ। প্রতিটি পজিশন থেকে সবাই শতভাগ দিলে সাফল্য আসবেই।’

তবে বাংলাদেশ দলের জন্য আতংকের নাম হতে পারেন ভুটানের তারকা ফুটবলার চেন চো। তার জোড়া গোলেই দুই বছর আগের ম্যাচে বাংলাদেশের হার। এখন তিনি আরো পোক্ত। অনেক অভিজ্ঞ। স্বাগতিক মিডফিল্ডার এবং ডিফেন্ডাররা তাকে রুখে দিতে এবং উঠতি অন্য ভুটানীদের ব্যর্থ করে দিতে পারলেই কাংখিত রেজাল্ট আসবে। অন্যথায় চিত্র অন্যরকম হতে পারে । ভুটানের প্রেরণা এক চেন চো। কিন্তু বাংলাদেশ দলে তো একজন চেন চো নেই। তারা ভোগে স্কোরারের অভাবে। নেই দক্ষ স্ট্রাইকার। ফলে অন্যদের দায়িত্ব নিতে হবে গোল করার।


আরো সংবাদ