১৫ নভেম্বর ২০১৮

বিশ্বকাপের সেরা গোল (ভিডিওসহ)

বেঞ্জামিন পাভার্ড
বেঞ্জামিন পাভার্ডের অসাধারণ সেই গোল - সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বেঞ্জামিন পাভার্ডের অসাধারণ ভলির গোলটি বিশ্বকাপে সেরা গোলের মর্যাদা লাভ করেছে বলে ফিফা ঘোষণা দিয়েছে।

ফ্রান্সের এই ফুল-ব্যাকের ডান পায়ের দুর্দান্ত ভলির বলটি শেষ ১৬’র লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক ফ্র্যাংকো আরমানিকে ফাঁকি দিয়ে বাম দিকের টপ কর্ণার দিয়ে জালে প্রবেশ করে। এতে করে দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স ২-২ গোলে সমতা ফেরায়।

এই ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপের দ্রুতগতির গোলটিও এই তালিকায় এগিয়ে ছিল। কিন্তু পাভার্ডের গোলটি ফাইনালে ফ্রান্সের শিরোপা জয়ের পরেও দীর্ঘদিন সবার মনে গেঁথে থাকবে।

এবারের আসরে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ফিলিপ কুতিনহো, নাচো ফার্নান্দেজ, জেসে লিনগার্ডরা দারুন সব গোল করেছেন। কিন্তু অনেক বিবেচনার পরে পাভার্ডের গোলটিকেই সেরা হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে সমর্থকদের বিপুল সংখ্যক ভোটে পাভার্ডের গোলটিই সেরা বিবেচিত হয়েছে।

রাশিয়ায় তার পারফরমেন্সে সন্তুষ্ট হয়ে বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ ২২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারকে দলে নিতে ইতোমধ্যেই আগ্রহ দেখিয়েছে।

 

দেখুন ভিডিওতে-

 

আরো পড়ুন : সেই ওজিলকে আপন করে নিয়েছে আর্সেনাল

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তায়েব এরদোগানের সাথে ছবি তোলার কারণে দলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন জার্মান তারকা ফুটবলার মেসুত ওজিল। এই ঘটনার জেরে রাগে-ক্ষোভে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তুর্কি বংশোদ্ভূত এই তরুণ। এরপরই তার সমর্থনে কথা বলছেন অনেকে। এবার সেই তালিকায় যোগ হলেন আরো একজন। তিনি ওজিলের ক্লাব আর্সেনালের বস উনাই ইমেরি। এই জার্মান তারকাকে শুধু সমর্থনই করেননি। তাকে আপন করে নিয়েছেন তিনি, পাশাপাশি পুরো ক্লাব। সেই কথাই সাক্ষাৎকারে জানালেন তিনি।

আর্সেনাল বস বলেন, 'ওজিল ক্লাবের সব খেলোয়াড়দের কাছে সম্মনিত ব্যক্তি।'

তিনি আরো বলেন, 'আমরা ক্লাবের সব খেলোয়াড় এবং ওজিলকে এখানে নিজের বাড়ির মতো পরিবেশে রাখার চেষ্টা করি। কখনো যেন তাদের এটা মনে না হয়, তারা পরিবারের বাইরে আছেন।'

উনাই ইমেরি বলেন, 'আমরা ক্লাবের সব খেলোয়াড়ের পরিবারের মতো। ওজিলকে স্বাভাবিক পরিবেশ দিতে প্রতিদিনই তার সাথে কথা-বার্তা বলছি। তার সতীর্থদের সাথেও। এই সব কিছু আমাদের জন্য ভালো ফলাফল বয়ে আনবে।'

ওজিলের প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, 'তার সাথে আমার সম্পর্ক ভালো। আমি অন্য খেলোয়াড়দেরও দেখেছি, তাদের সাথেও তার সম্পর্ক ভালো। সে তার সতীর্থদের কাছে খুব সম্মানিত ব্যক্তি।'

উল্লেখ্য, রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে তুর্কি প্রেসিডেন্টর সাথে ওজিলের ছবি নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর মধ্যেই গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যায় ২০১৪’র বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বাকিদের সাথে ব্যর্থতার দায় গিয়ে পড়ে ওজিলের উপরেও। তবে পারফরম্যান্স জনিত কারণে নয়, দলের মধ্যে ওজিল কোণঠাসা হয়ে পড়েন রাজনৈতিক কারণে। এক পর্যায়ে তা এতটাই বেড়ে যায় যে, অবসর নিতে বাধ্য হন ওজিল।

 

আরো পড়ুন : ফিফা সেরা খেলোয়াড়ের সংক্ষিপ্ত তালিকায় মেসি-রোনালদো-এমবাপে

ফিফা সেরা খেলোয়াড়ের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেেছ। এতে আছেন লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও কিলিয়ান এমবাপে। তবে বাদ পড়েছেন নেইমার ও পল পগবা।

গত বছর এই তালিকায় শেষ পর্যন্ত তৃতীয় স্থানে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। বার্সেলোনা ছাড়ার পরে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইর হয়ে তিনটি ঘরোয়া শিরোপা দখল করার পরেও এবার আর নেইমারের স্থান হয়নি ফেবারিটের তালিকায়। অন্যদিকে ২০ বছর পরে প্রথমবার বিশ্বকাপে শিরোপা ঘরে তোলা ফ্রান্সের হয়ে পগবা খেললেও এই তালিকায় তিনি আসতে পারেননি। অথচ তার জাতীয় দলের সতীর্থ এমবাপে, অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান ও রাফায়েল ভারানে ঠিকই জায়গা করে নিয়েছেন। এই তালিকায় একমাত্র ডিফেন্ডার হিসেবে স্থান পেয়েছেন ভারানে। তার সাথে আরো আছেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল বিজয়ী রিয়াল মাদ্রিদের সতীর্থ লুকা মড্রিচ।

লিভারপুলের হয়ে দুর্দান্ত এক মৌসুম শেষ করা মিসরীয় ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহও আছেন এই তালিকা। আছেন প্রিমিয়ার লিগের তারকা এডেন হ্যাজার্ড, কেভিন ডি ব্রুনে ও হ্যারি কেন।

ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের এই পুরস্কার প্রবর্তন হওয়ার পরে দুই বছরই তা অর্জন করেছেন রোনালদো। আর মেসি দু’বারই হয়েছে রানার্স-আপ। খেলোয়াড়, কোচ, সমর্থক ও গণমাধ্যকর্মীরা ভোট দিয়ে তাদের সেরা খেলোয়াড়কে বেছে নেয়। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠিত আড়ম্বরপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হবে।

ফিফা সেরা খেলোয়াড়ের সংক্ষিপ্ত তালিকা :
অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান (অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ এবং ফ্রান্স)
এডেন হ্যাজার্ড (চেলসি ও বেলজিয়াম)
হ্যারি কেন (টটেনহ্যাম ও ইংল্যান্ড)
কিলিয়ান এমবাপে (পিএসজি ও ফ্রান্স)
লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনা)
লুকা মড্রিচ (রিয়াল মাদ্রিদ ও ক্রোয়েশিয়া)
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (রিয়াল মাদ্রিদ ও পর্তুগাল)
কেভিন ডি ব্রুনে (ম্যানচেস্টার সিটি ও বেলজিয়াম)
মোহাম্মদ সালাহ (লিভারপুল ও মিশর)
রাফায়েল ভারানে (রিয়াল মাদ্রিদ ও ফ্রান্স)

দেখুন:

আরো সংবাদ