১৭ নভেম্বর ২০১৮
ফাইনাল নিয়ে মার্তার কলাম

হৃদয় বলছে নতুন চ্যাম্পিয়ন...

বিশ্বকাপ
ক্রোয়েশিয়ার জয়োৎসব - সংগৃহীত

রাশান বিশ্বকাপের সূচনার আগে আমার মতো অনেকের কল্পনাতেও আসেনি আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও জার্মানির মধ্যে অন্তত একটি দলের উপস্থিতিবিহীন ফাইনাল অপেক্ষায় রয়েছে। ফ্রান্সকে নিয়ে কিছুটা আত্মবিশ্বাস ছিল। তাদের পারফরম্যান্সে ভক্তদের প্রত্যাশাও পূরণ হয়েছে। কিন্তু ক্রোয়েশিয়া ফিফার ২১তম বিশ্বকাপের ফাইনালে উন্নীত হবে তা কেউই বিন্দুমাত্র আঁচ করতে পারেনি! মূলত দারুণ এনজয় করেছি জালাটকো ডালিচের দলের ফুটবলারদের কঠোর পরিশ্রমী পারফরম্যান্স। দলটিতে বেশ ক’জন সুপারস্টার আছেন। বলকান অঞ্চলের প্রতিনিধিদের মূল ফুটবলার লুকা মডরিচ, ইভান র‌্যাকিটিচ ও মারিও মানজুকিচ। তবে বিউটিফুল গেম খ্যাত ফুটবলের গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের সর্বোচ্চ আলোচিত ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার অংশগ্রহণের গৌরব অর্জনের ‘এক্স ফ্যাক্টর’ ভূমিকায় একটি ইউনিট হিসেবে পারফর্ম করার সক্ষমতা।

মাঠে নৈপুণ্য প্রদর্শনের চ্যালেঞ্জে ক্রোয়েট ফুটবলারদের দৃঢ় ঐক্যের চিত্রনাট্য দুর্বল করে দিয়েছে প্রতিপক্ষের আত্মবিশ্বাস। সাম্প্রতিক সময়ের ক্লাব ফুটবলের আলোচিত তিন পারফরমারের উপস্থিতির পরও তাদের কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে পারফরম্যান্সের দৃপ্ত বাসনা ফুটবল ইতিহাসের অন্যন্য দৃষ্টান্তের অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বা-প্রান্ত দিয়ে পেরিসিচের বিরামহীন ছুটে চলার পরও চির সজীব মুখাবয়বে কোনো দাগ ফেলতে পারেনি ক্লান্তির রক্তিম ছাপ। প্রতিটি ম্যাচেই একদম ফ্রেশ পারফরম্যান্স প্রদর্শনের চ্যালেঞ্জে পুরোপুরি সফল রাইট ব্যাক ভ্রাসকোর সহায়তায় উদারতার নতুন উদাহরণ ক্রোয়েট মিডফিল্ডের ফুটবলাররা। প্রয়োজনের মুহূর্তে গোলরক্ষক ড্যানিয়েল সুবোচিচও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মেডেল গলায় পরিয়ে নেয়ার যোগ্যতার প্রমাণ দেন। ২০১৮ সালের অধিকতর সামর্থ্যরে অধিকারী ফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়া।

ফিফার ২১তম মেগা আসর প্রমাণ করেছে অতীত ইতিহাস ও গৌরবের কাঁধে পা রেখে বিশ্বকাপে সাফল্যের উৎসবে মেতে ওঠার দিন শেষ। একে একে বিদায় নিয়েছে জার্মানি, আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। কিন্তু ক্রোয়েশিয়ার স্বপ্নযাত্রা অব্যাহত থেকে গেছে। আটানব্বইয়ে সেমিফাইনাল খেললেও বিগত দেড় দশক দুঃসময় গেছে দেশটির ফুটবলের। ইউরোপীয় বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ও মাঠে গেমপ্ল্যানের নিখুঁত বাস্তবায়নে নতুন উত্থান ক্রোয়েট ফুটবলের। প্রতিটি ম্যাচের প্রতিপক্ষের শক্তি-দুর্বলতা নিরূপণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে অসাধারণ বুদ্ধিমত্তার স্বাক্ষর রেখেছেন ক্রোয়েশিয়ার কোচ ডাচিল। জাতীয় দলের জার্সিতে মধ্যমাঠে লুকা মডরিচের প্রতিটি ক্লাসিক টাচ ঘুম হারাম করেছে প্রতিপক্ষের। ক্রোয়েটদের ফাইনালে উন্নীতের অবিস্মরণীয় কৃতিত্ব রচনার প্রাণভোমরার দায়িত্ব পালন করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের প্লে-মেকার।

ফুটবলের সর্বোচ্চ ট্রফির ভাগ্যনির্ধারণীর লড়াইয়ে ক্রোয়েশিয়ার প্রতিপক্ষ ফ্রান্স। আটানব্বইয়ের চ্যাম্পিয়ন ফরাসিদের হালের সেনসেশন কাইলিয়ান এমবাপে ফিফার ২১তম বিশ্বকাপের শ্রেষ্ঠ বিস্ময়। বয়স মাত্র ১৯। কিন্তু বিশ্বকাপের মতো আসরে পারফরম করার স্নায়ুচাপ মোকাবেলার চ্যালেঞ্জে তিনি অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ সুপাস্টারদেরও হারিয়ে দিয়েছেন। ফাইনালে তার বল পায়ের ম্যাজিকের প্রত্যাশায় অসংখ্য ভক্ত। যদিও একক এমবাপে-নির্ভর দল নয় ফ্রান্স। মাঠের পজিশন বিচারে তাদের প্রতিটি বিভাগ অত্যন্ত সমৃদ্ধ। প্রতিটি নতুন ম্যাচেই পারফরম্যান্সের উন্নতি ফাইনালের হট ফেবারিটের আসনেও ফ্রান্স। সবার সম্ভাব্য ‘চ্যাম্পিয়ন’ রেসে একক আধিপত্য তাদের। আমার মাথায়ও চেপেছে ফরাসিদের সাফল্যের চিত্রনাট্য। কিন্তু হৃদয় বলছে, বিশ্বকাপের নতুন চ্যাম্পিয়নের উৎসবে মেতে উঠবে ক্রোয়েশিয়া!

 

আরো পড়ুন : শিরোপা উৎসব করবে কারা, ফ্রান্স না ক্রোয়েশিয়া?

দেখতে দেখতে রাশিয়া বিশ্বকাপের পর্দা নামার সময় হয়ে এসেছে। আর মাত্র একটি খেলা বাকি। ফ্রান্স বনাম ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে একটি দেশের হাতে শিরোপা উঠবে। উল্লাস করবে তারা, তাদের ক্রীড়া ইতিহাসে আরো একটি স্বর্ণালী অধ্যায় যুক্ত হবে। ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনো ইতোমধ্যে রাশিয়া বিশ্বকাপকে এই ফুটবল মহাযজ্ঞের আসরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সেরা বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু নানা কারণেই বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে রাশিয়া বিশ্বকাপ উল্লেখ করার মতো হয়ে থাকবে বা অনেক কিছুর জন্য প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল হিসেবে রাশিয়া ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই করে নেবে। ২০১৮ বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথমবারের মতো ভিএআর বা ভিডিও অ্যাসিট্যান্ট রেফারি ও গোল লাইন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কার্ড ও পেনাল্টি দেয়াতে রেকর্ড করে ফেলেছেন রেফারিরা। কিন্তু এসব কারণে নয়, রাশিয়া বিশ্বকাপ দর্শকদের মনে থাকবে বেশ কিছু দিন এই কারণে যে, এই বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই কিংবা শেষ আটে বিশ্বফুটবলের শক্তিধর দেশগুলো বিদায় হয়েছে।

রাউন্ড অব সিক্সটিনেই বিশ্বজুড়ে সমর্থন পুষ্ট আর্জেন্টিনার বিদায়। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়ে সবাইকে হতবাক করে দেয় গত আসরের শিরোপাজয়ী জার্মানি। মেসির দেশ আর্জেন্টিনার মতোই একই রাতে বিদায় নেয় বিশ্ব ফুটবলের আরেক সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। শেষ আটে স্বাগতিক রাশিয়ার সাথে বিদায় নিয়েছে উরুগুয়ের সুয়ারেজ এবং দ্বিতীয় পর্বে ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ী স্পেন। শেষ আটেই অঘটনের শিকার হয়েছে বাংলাদেশে আরেক জনপ্রিয় দেশ ব্রাজিল। তাই কোয়ার্টার ফাইনালের পর থেকেই বাংলাদেশে রাশিয়া বিশ্বকাপ অনেকটাই পানসে হয়ে গিয়েছিল। শেষ চারে বিদায় নিয়েছে আরেক দুই ফেভারিট ইংল্যান্ড ও বেলজিয়াম। শেষ ধাপে দাঁড়িয়ে আছে শুধু ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া। এই ধাপটি অতিক্রম করতে পারলেই শিরোপা উৎসব করবে একটি দেশ এবং বেদনার রঙ নীলে নীলাভ বর্ণ হয়ে হৃদয় ভাঙবে একটি দেশের। আজ রাতেই পরিষ্কার হয়ে যাবে রাশিয়া বিশ্বকাপের শিরোপা উৎসব করবে কোন দেশ- ফ্রান্স নাকি ক্রোয়েশিয়া?

২০১৮ সালের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরটির শেষ চরণটিকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত মস্কোর লুজনিকি স্টেডিয়াম। দিদিয়ের দেশ্যমের ফ্রান্স তাদের বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো এই শিরোপাটি জয় করার জন্য লড়বে। অপর দিকে এই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে যথার্থভাবেই জায়গা করে নেয়া ক্রোয়েশিয়াও চাইবে যেন তাদের দেশও বিশ্বকাপ জয় করে জনগণকে উল্লাসে ভাসায়। রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্স তাদের সেরার মধ্যে সেরাটা দেখিয়েছে এবং নি¤œগামিতায়ও তারা সামনের সারিতেই ছিল। এমবাপ্পের ফ্রান্স ২০ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপে যেন নতুন চেহারা নিয়ে হাজির হয়েছে। চলতি বিশ্বকাপে তাদের অভিযানটা অনেকটা রোলারকোস্টারে চড়ার মতো ছিল।

গ্রুপ পর্বে তাদের খেলায় নিম্নগামিতা ছিল কিন্তু রাউন্ড সিক্সটিন থেকেই তাদের জ্বলে ওঠা শুরু। ২০০২ ও ২০১০ বিশ্বকাপে ফ্রান্স গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। ২০০৬ বিশ্বকাপে ফাইনাল ও রানার্স আপ হয়েই তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়। বর্তমান দলটির এই ক্ষমতা আছে তারা বিশ্বকাপ জয় করে তাদের ফুটবল ইতিহাসে আর যেন কোনো অসহনীয় অবস্থায় পড়তে না হয় সেটা নিশ্চিত করার। দেশ্যমের দলে বর্তমান বিশ্ব ফুটবলের তরুণ অনেক প্রতিভা আছে। গত বিশ বছরে ফ্রান্সের চেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে খেলেনি আর কোনো দেশ। ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশ্যমও একটি রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। ব্রাজিলের মারিও জাগালো ও জার্মানির বেকেনবাওয়ারের পর তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে অধিনায়ক ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জয় করার। সেমিফাইনালে রাশিয়া বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করা বেলজিয়াম ফ্রান্সের রক্ষণভাগকে ভেদ করতে পারেনি এবং এমবাপ্পেরা চতুর্থবারের মতো চলতি বিশ্বকাপে ক্লিন শিট নিয়ে ম্যাচ শেষ করে। স্যামুয়েল উমতিতির একমাত্র গোলেই বেলজিয়ামকে বধ করে ফ্রান্স। উমতিতির মাঝে যেন ৯৮ বিশ্বকাপের লিলিয়েন থুরামকে খুঁজে পেয়েছে তারা।

এর আগে সাত গোলের খেলায় মেসির আর্জেন্টিনাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল। সেই ম্যাচ থেকেই সৌরভ ছড়িয়ে যাচ্ছেন কিলিয়েন এমবাপ্পে, যেন অনেকটা ফরাসি বিখ্যাত পারফিউমের মতোই। দুইটি গোল ছিল তার দ্বিতীয় রাউন্ডে। এর পর থেকেই ফ্রান্স তাদের খেলায় আক্রমণভাগের সাথে রক্ষণভাগের দৃঢ়তার সমন্বয় ঘটিয়েছে। এন্টনি গ্রিয়েজম্যান, উসমান ডেম্বেলে ও নাবিল ফেকির তাদের হয়ে দারুণ খেলেছেন এবং প্রতিটি ম্যাচেই তারা প্রভাব রেখেছে। অলিভার গিরুড প্রত্যেকটি ম্যাচে খেললেও একটি গোলও করতে পারেননি, হয়তো ফাইনালে তার সেরাটা দেখা যাবে। নিজেদের সর্বশেষ ছয়টি ম্যাচে মাত্র একটিতে ড্র করেছে ফ্রান্স। এমবাপ্পের দিকে দৃষ্টি থাকবে ব্রাজিলের পেলের পর বিশ্বকাপের ফাইনালে সবচেয়ে কম বয়সে গোল করতে পারে কি না সেটা দেখার জন্য। দেশ্যমের দলে তেমন কোনো ইনজুরি সমস্যা নেই। সেমিফাইনালে এডেন হ্যাজার্ডের সাথে সংঘর্ষে সামান্য আঘাত পেয়েছিলেন ব্লেইস মাতুইদি।

পূর্ব ইউরোপের ছোট দেশ ক্রোয়েশিয়া মাত্র ৪০ লাখ জনসংখ্যা দ্বারা অধ্যুষিত। কিন্তু তাদের পরিচয় অনেকটাই মডরিচ, র্যাকিটিচ, পেরিসিচ ও মান্দজুকিচের ক্রোয়েশিয়া হিসেবে। রাশিয়া বিশ্বকাপে তারা যেন অসাধারণ, অভিনবত্ব ও অলৌকিকত্বকে সামনে নিয়ে আসার দায়িত্ব নিয়েছে। গ্রুপ পর্বে মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় দিয়ে যা শুরু। রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত তারা পিছিয়ে পরে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প লিখেছে। ডেনমার্ক, রাশিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয় এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও তাদের লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে। কিয়েরেন ট্রিপারের গোলে ইংলিশ থ্রি লায়ন্সরা এগিয়ে গিয়েছিল খেলার শুরুতেই কিন্তু পেরিসিচ এবং অতিরিক্ত সময়ে মান্দজুকিচের গোল তাদের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে নিয়ে এসেছে। যদিও ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে বেশ কিছু সুযোগ মিস করেছিল।

কিন্তু জালাটকো ডালিচের ক্রোয়েশিয়া নিজেদের খেলাটা ঠিকই খেলেছে। বিশ্বের সেরা মাঝমাঠ আছে তাদের, যেখানে লুকা মডরিচ এবং ইভান র্যাকিটিচের মতো সেনানীরা আছে। আক্রমণভাগে জুভেন্টাসের মান্দজুকিচ। এ ছাড়া ইন্টার মিলানের পেরিসিচ এবং আরো অনেক অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে ক্রোয়েশিয়ার, যারা তাদের শেষ হাসিটি হাসতে সাহায্য করতে পারে। ক্লান্তিই একমাত্র দায় নিতে পারে ক্রোয়েশিয়া ফাইনালে খারাপ করলে। গোলরক্ষক সুভাসিচ যেমন তাদের নায়ক তেমনি সিমে সালিজকো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কিছুটা ইনজুরি সমস্যায় ছিল তা কেটে গেছে। প্রথম একাদশে ব্রোজভিচকে রাখতে পারেন কোচ ডালিচ। নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচেই জয় পেয়েছে ক্রোয়েটরা। ক্রোয়েশিয়া ৪-১-৪-১ ফরমেশনে খেলবে এবং ফ্রান্স ৪-২-৩-১ ফরমেশনে। এই দুইটি দেশ এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে এবং ফরাসিরা একবারো পরাজিত হয়নি। তিনটি জয় এবং দু’টি ড্র নিয়ে তারা এগিয়ে আছে সামনা সামনি মোকাবেলায়। রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্স তাদের রেকর্ড বজায় রাখবে নাকি ক্রোয়েশিয়া নতুন ইতিহাসের জন্ম দেবে সেটা রোবরার গভীর রাতেই জেনে যাবে বিশ্ব। সে সময় পর্যন্ত বিশ্ববাসীকে অপেক্ষা করতে হবে ২০১৮ বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা উৎসব করবে কি ফ্রান্স না ক্রোয়েশিয়া সেটা দেখার জন্য।

দেখুন:

আরো সংবাদ