২৩ মার্চ ২০১৯

সুইডেনকে বিদায় দিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

সুইডেনকে বিদায় দিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড - এএফপি

ফিফার তথ্য মতে বিশ্বকাপে সুইডেন যদি প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকে তাহলে সে ম্যাচটি তাদের পক্ষে যায় না। গত ১১ ম্যাচে এমন পরিস্থিতিতে দুটি ম্যাচ ড্র করে সুইডেন এবং ৯ টি ম্যাচ হারে। ব্যাতিক্রম হলো না শনিবারও। প্রথমার্ধে ১-০ তে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচটি পরে ২-০ গোলে সুইডেনকে হারিয়ে সেমিতে জায়গা করে নেয় ইংলিশরা। রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার জয়ী দলের সাথে সেমিতে লড়বে ইংল্যান্ড।

২৫ বারের দেখায় এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ডই। ৮ জয়ের বিপরীতে সুইডেনের ৭ জয়। বাকি ৯ টি ম্যাচ ড্র। ২০০২ ও ২০০৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে উভয়ের দেখায় দুটি ম্যাচই ছিল ড্র (১-১ ও ২-২)। এ নিয়ে সুইডেন ৫ বার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলছে। তন্মধ্যে ১৯৩৮, ১৯৫৮ ও ১৯৯৪ সালে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। আর ১৯৩৪ সালে জার্মানি বিপক্ষে হেরেছে। গতকালও পঞ্চম সাক্ষাতে হারলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

ভলগা নদীর পাশের শহর সামারায় লড়ছে ইংল্যান্ড-সুইডেন। ম্যাচটি ছিল বিশেষ কিছু। প্রথমার্ধের শেষ ১৫ মিনিটে সুইডিশদের চেপে ধরে একটি গোল আদায় করে নেয় ইংলিশরা। প্রথম কোয়ার্টারে আসলে বেশি একটা উল্লেখ করার মতো কিছু দেখাতে পারেনি দুই দলের কেউই। কর্নার থেকে অ্যাশলে ইয়াং বলটাকে ভাসিয়ে দিলেন পেনাল্টি বক্সের মধ্যে। ঠিক পেনাল্টি স্পটের ওখান থেকেই উড়লেন মাগুইরি। শক্তিশালী যে হেড করলেন তা বাঁ পাশ থেকে মুহূর্তে জালে। গোলকিপার রবিন ওলসেনের কিছু করার ছিল না। ৩০ মিনিটে ১-০ এর লিড ইংল্যান্ডের। এ নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে ৮ বার সেট পিস থেকে গোল করলো ইংল্যান্ড। ১৯৬৬ সালে পর্তুগালের সেট পিস থেকে এমন ৮ গোল করার রেকর্ড রয়েছে।


এরপর সুইডেন একটা আক্রমণ করলো কিন্তু কাজে আসলো না। তবে উল্টো তাদের চেপে ধরতে লাগল ইংলিশ ফরোয়ার্ড লাইন। বাঁ দিক থেকে আতঙ্ক তৈরি করলেন রাহিম স্টার্লিং। কোনোমতে পাঠানো বলটা অবশ্য ডেলে আলিকে পেল বক্সেই। রবিন ওলসেনকে হারাতে পারলেন না আলি। ৪৪ ও ৪৫ মিনিটে স্টার্লিংয়ের সামনে দুইবার ফিনিশিংয়ের সুযোগ আসল। একবার স্টার্লিং দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে মারলেন ১০ গজ দুর থেকে। নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ওয়ান টু ওয়ান হয়ে গেলেন স্টার্লিং গোলকিপার ওলসেনের সাথে। কিন্তু যেই না শট নেবেন তখনই ঝাঁপিয়ে বলটা কেড়েছেন সুইডিশ কিপার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতায় ফিরতে পারত সুইডেন। কিন্তু দারুণ সেভ করে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। ক্রস থেকে আসা বলে বক্সের ভেতর থেকে জোরালো হেড করেছিলেন মার্কাস বার্গ। কিন্তু বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক হাতে বল ফিরিয়ে দেন পিকফোর্ড।৫৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইংল্যান্ড। এই গোলটাও হেডে। হেসে লিনগার্ডের দারুণ ক্রস থেকে ডেলে আলীর হেড খুঁজে নেয় সুইডেনের জাল (২-০)। ৬২ মিনিটে আরেকটি দারুণ সেভ করে আবারো ইংল্যান্ডের ত্রাতা গোলরক্ষক পিকফোর্ড। বক্সের ভেতর থেকে ভিক্টর ক্লায়েসনের শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান ২৪ বছর বয়সি এই গোলরক্ষক। বাকি সময়টা পাল্টাপাল্টি আক্রমনে গোলের দেখা কেউ না পেলে সেমিফাইনালের উঠার আনন্দ নিয়ে মাঠ ছড়ে ইংল্যান্ড। আর হতাশায় মুহ্যমান সুইডেন শিবির।

সুইডেন শেষবার বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে খেলেছে ১৯৯৪ সালে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে। সেবার তারা তৃতীয় স্থান নিয়ে শেষ করেছিল আসর। আর ১৯৬৬ এর বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড শেষবার ফিফা বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে খেলেছে ১৯৯০ ইতালি বিশ্বকাপে। চতুর্থ হয়েছিল সেবার ইংলিশরা। এবার নতুন ইতিহাস লিখার দারপ্রান্তে ইংলিশরা।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al