২৩ মার্চ ২০১৯

সেমিফাইনালে উঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি সুইডেন-ইংল্যান্ড

সেমিফাইনালে উঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি সুইডেন-ইংল্যান্ড - ফিফা ডট কম

সেমিফাইনালে উঠার লড়াইয়ে সামারা অ্যারেনায় মুখোমুখি হয়েছে সুইডেন-ইংল্যান্ড। শেষ ষোলোয় কলম্বিয়ার বিপক্ষে খেলা দলটি অপরিবর্তিত রেখে সুইডেনের বিপক্ষে খেলতে নামছে ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।

সুইডেন দলে দুটি পরিবর্তন। নিষিদ্ধ রাইট-ব্যাক মিকায়েল লুসতিগের জায়গায় খেলবেন এমিল ক্রাফট। আর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরেছেন মিডফিল্ডার সেবাস্তিয়ান লারসন। বাদ পড়েছেন গুস্তাভ স্ভেনসন। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের দুটিতে জিতে ‘এফ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয় সুইডেন। আর শেষ ষোলোয় তারা ১-০ গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারায়। তিন ম্যাচের দুটিতে জিতে জি' গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্বে ওঠা ইংল্যান্ড শেষ ষোলোয় টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে হারায়।

চলতি শতাব্দীতে প্রথমবার সেমিফাইনাল খেলার হাতছানি ইংল্যান্ড ও সুইডেনের সামনে। সামারার কোয়ার্টার ফাইনালে অপেক্ষা করছে তাই টানটান উত্তেজনা।

১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের পর আবার সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ সুইডেনের। যুক্তরাষ্ট্রের ওই আসরে তৃতীয় হয়ে বিশ্বকাপ শেষ করেছিল তারা। আর ইংল্যান্ড শেষ চারে খেলেছিল ১৯৯০ সালে, ইতালির ওই আসরে ইংলিশরা হয়েছিল চতুর্থ। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে আজ একদল নিশ্চিতভাবে হাসবে সেমিফাইনালে ওঠার আনন্দে।

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে শেষ ষোলোর বাধা পেরিয়েছে সুইডেন। ইয়েমিল ফোসবার্গের দিক পাল্টে যাওয়া গোলে সুইডিশরা জায়গা করে নেয় কোয়ার্টার ফাইনালে। ইংল্যান্ডকে অবশ্য ঘাম ঝরাতে হয়েছে, কলম্বিয়ার বিপক্ষে তাদের জয়টা আসে টাইব্রেকার থেকে। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে লাতিন আমেরিকার দলটি সমতায় ফেরার পর অতিরিক্ত সময়েও ম্যাচ শেষ হয় ১-১ ড্রতে। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শুটআউটে থ্রি লায়ন্স শেষ আটে জায়গা করে নেয় ৪-৩ গোলের জয়ে।

সামারাতেও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। সুইডেনের রক্ষণ ঠিক রেখে কাউন্টার অ্যাটাকিং ফুটবল নিয়ে ভাবতে হচ্ছে গ্যারেথ সাউথগেটকে। যদিও নিজেদের নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ইংলিশ কোচ। ‘উন্নতির ধারা সচল’ রাখতে চান তিনি বিশ্বকাপে। সুইডেনের বিপক্ষে নামার আগে বলেছেন, ‘ইংল্যান্ড ইতিহাস তৈরির ধারাটা সামনে এগিয়ে নিতে চায়। ১০ বছর পর প্রথমবার আমরা নকআউট পর্বের ম্যাচ জিতেছি এবং ২২ বছর পর প্রথমবার পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়েছি।’

মুখোমুখি লড়াইয়ে দুই দলের জয় সমান। ২৩বারের সাক্ষাতে দুই দলই জিতেছে ৭টি করে ম্যাচ, ড্র হয়েছে ৯ ম্যাচ। ইংল্যান্ড-সুইডেন প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিল ১৯২৩ সালে। স্টকহোমের ওই ম্যাচে ইংলিশরা পেয়েছিল ৪-২ গোলে জয়। তাদের সবশেষ সাক্ষাৎ ২০১২ সালের ১৪ নভেম্বরে, যে ম্যাচে জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের চোখ জুড়ানো বাইসাইকেল কিকে সুইডেন জিতেছিল ৪-২ ব্যবধানে।

ওই দুটোই ছিল প্রীতি ম্যাচ, তবে বিশ্বকাপেও দেখা হয়েছে তাদের দুইবার। ফুটবল মহাযজ্ঞের লড়াইয়েও তারা একই জায়গায় দাঁড়িয়ে, কেউই জয় নিয়ে ছাড়তে পরেনি মাঠ। ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া-জাপানের আসরে গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ড-সুইডেনের ম্যাচ ড্র হয় ১-১ গোলে। পরের বিশ্বকাপে জার্মানির আসরে ড্র করে ২-২ গোলে।

আজ অবশ্য ড্রয়ের কোনও জায়গা নেই। জয় একদলের হবেই। যে জয়ে নতুন শতাব্দীতে প্রথমবার সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে ইংল্যান্ড কিংবা সুইডেন। 

ইংল্যান্ড একাদশ: জর্ডান পিকফোর্ড, কাইল ওয়াকার, হ্যারি ম্যাগুইয়ার, জন স্টোনস, জর্ডান হেন্ডারসন, জেসি লিনগার্ড, কিরান ট্রিপিয়ার, ডেলে আলি, অ্যাশলে ইয়াং, রাহিম স্টার্লিং, হ্যারি কেইন

সুইডেন একাদশ: রবিন ওলসেন, এমিল ক্রাফট, ভিক্তর লিনদেলফ আন্দ্রিয়াস গ্রাংকভিস্ত, লুদভিক আউগুস্তিনসন, ভিক্তর ক্লসন, সেবাস্তিয়ান লারসন, আলবিন একদাল, এমিল ফর্সবার্গ, মার্কাস বার্গ, ওলা তইভনেন


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al