esans aroma gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indir Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধে বিশ্ব আদালতের নির্দেশ

মিয়ানমারকে গণহত্যার আলামত সংরক্ষণ করতে হবে, চার মাসের মধ্যে দিতে হবে প্রতিবেদন ; আইসিজের আদেশ মিয়ানমারের ওপর প্রচণ্ড নৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে : সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির
আইসিজের প্রেসিডেন্ট আবদুলকাবি আহমেদ ইউসুফ (মধ্যে) অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিচ্ছেন : এএফপি -

রোহিঙ্গা হত্যা-নির্যাতন বন্ধ, তাদের বাস্তুচ্যুতিরোধ এবং গণহত্যার অভিযোগসংশ্লিষ্ট আলামতগুলো সংরক্ষণ করার জন্য মিয়ানমারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।
নেদারল্যান্ডের হেগে আইসিজে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা অভিযোগের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী পদক্ষেপ হিসেবে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়া হয়। এই আদেশ বাস্তবায়নে মিয়ানমার কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা চার মাসের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে। এরপর অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারকে ছয় মাস অন্তর প্রতিবেদন দিতে হবে। একই সাথে গাম্বিয়াকে এসব প্রতিবেদন সরবরাহ করতে হবেÑ যাতে দেশটি তাদের মতামত দিতে পারে। ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সমর্থনে গাম্বিয়া জাতিসঙ্ঘের গণহত্যা সনদ ভঙ্গের অভিযোগে গত ১১ নভেম্বর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজেতে মামলা করে। গাম্বিয়ার অভিযোগ, মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালানো হয়েছে, যার প্রক্রিয়া আজো অব্যাহত রয়েছে।
আইসিজে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আইসিজের রায় বা নির্দেশনা বাস্তবায়ন সনদ স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক। গাম্বিয়া ও মিয়ানমার উভয়েই এই সনদ সই করেছে। আইসিজের চূড়ান্ত রায়ের পর আপিলের কোনো সুযোগ নেই। কোনো অভিযোগের ব্যাপারে আইসিজের রায় পেতে অন্তত পাঁচ বছর সময় প্রয়োজন হয়। তবে অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য আইসিজে অভিযোগ নিষ্পত্তিতে সহায়ক হতে পারেÑ এমন প্রয়োজনীয় কিছু পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারে।
আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদ ছাড়া বিশ্ব আদালতের রায় বা আদেশ কার্যকরের অন্য কোনো পদ্ধতি নেই। তবে এই আদেশ রোহিঙ্গা নৃশংসতার সাথে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনতে মিয়ানমারের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির গতকাল নয়া দিগন্তের সাথে আলাপকালে বলেন, আইসিজের আদেশে প্রমাণিত হলো অন্যায় বা অপরাধ করলে ছাড় পাওয়া যায় না। রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নৃশংসতার জন্য বিচারের পথে এটি এক ধাপ অগ্রগতি। এখন বাংলাদেশের কাজ হলো রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও সম্মানের সাথে টেকসইভাবে রাখাইনে ফেরত পাঠানো। আমরা আশা করি, আইসিজের এই আদেশের পর মিয়ানমার রোহিঙ্গা ইস্যুটি পুনর্মূল্যায়ন করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, আইসিজের আদেশ মিয়ানমারের ওপর প্রচণ্ড নৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। এর মাধ্যমে প্রথমত, মিয়ানমার যে অপরাধ করেছে তা প্রতিষ্ঠিত হলো, দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মিয়ানমারের ভাবমর্যাদা দারুণভাবে ক্ষুণœ হলো। রাখাইনের ওপর সম্প্রতি মিয়ানমার তাদের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেও যুদ্ধাপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে। তাই আমরা চাই মিয়ানমার অপরাধীদের বিচারের পাশাপাশি নৃশংসতার শিকার রোহিঙ্গাদের যথাযথভাবে ক্ষতিপূরণ দিয়ে পুনর্বাসন করুক।
আইসিজের আদেশ মানতে মিয়ানমার কতটা বাধ্য এবং না মানলে কী হতে পারে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, নির্দেশনা মানতে আইসিজের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। শর্ত মানার প্রতিশ্রুতি দিয়েই সদস্যরাষ্ট্রগুলো জাতিসঙ্ঘ গণহত্যা সনদে সই করেছে। আইসিজে অন্তর্বর্তী আদেশ দিয়েছে। চূড়ান্ত রায় এখনো আসেনি। তাই অন্তর্বর্তী আদেশ না মানাটা মিয়ানমারের জন্য ভালো পরিণতি ডেকে আনবে না। তিনি বলেন, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এমনিতেই মিয়ানমার যথেষ্ট আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে। এখন অভিযোগগুলোর শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির মাধ্যমে মিয়ানমার মানবাধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভাবমর্যাদা পুনরুদ্ধার, রোহিঙ্গা ইস্যুতে অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধান এবং বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারে।
‘বিশ্ব আদালত’ নামে পরিচিত জাতিসঙ্ঘের সর্বোচ্চ আদালত আইসিজে ১৫ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত, যারা নিরাপত্তা পরিষদ বা সাধারণ পরিষদ দ্বারা নির্বাচিত। আইসিজেতে গাম্বিয়া বা মিয়ানমারের কোনো বিচারক নেই। তাই গত ১০ ডিসেম্বর অভিযোগ শুনানির প্রথম দিন গাম্বিয়ার পক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক নাভা নেডাম পিলাই এবং মিয়ানমারের পক্ষে জার্মান নাগরিক ক্লাউস ক্রেসকে অ্যাডহক বিচারক হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করানো হয়। নেডাম পিলাই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার সংস্থার হাইকমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। অন্য দিকে ক্লাউস ক্রেস আন্তর্জাতিক ও অপরাধ আইনের অধ্যাপক। তিনি জার্মান বিচার মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক ছিলেন।
আইসিজেতে শুনানির প্রথম দিনে গাম্বিয়া বক্তব্য উত্থাপন করে। পরদিন বক্তব্য রাখে মিয়ানমার। শেষদিন গাম্বিয়া ও মিয়ানমার উভয়েই পাল্টাপাল্টি যুক্তিতর্ক উত্থাপন করে। শুনানি শেষ হওয়ার ছয় সপ্তাহ পর আইসিজে অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপের ব্যাপারে গতকাল সিদ্ধান্ত জানায়। নেদারল্যান্ডসের হেগে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা) আইসিজে সিদ্ধান্ত জানানোর প্রক্রিয়া শুরু করে, যা ঘণ্টাব্যাপী চলে। আইসিজের শুনানিতে গাম্বিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির বিচারমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল আবুবাকার তামবাদু। অন্য দিকে মিয়ানমার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির রাষ্ট্রীয় পরামর্শক ও ক্ষমতাসীন দলের নেতা অং সান সু চি। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজেতে অভিযোগ দায়েরে গাম্বিয়াকে সব ধরনের সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ, কানাডা ও নেদারল্যান্ডস। গতকালও এসব দেশের প্রতিনিধিরা আইসিজেতে উপস্থিত ছিল।
আইসিজের আদেশ : আইসিজে সর্বসম্মতভাবে অন্তর্বর্তী পদক্ষেপের ব্যাপারে আদেশ দিয়েছে। এতে বলা হয়, গণহত্যা প্রতিরোধ ও শাস্তিসংক্রান্ত সনদের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী মিয়ানমার তার ভূখণ্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের কোনো সদস্যকে হত্যা, শরীরিক বা মানসিকভাবে গুরুতর আঘাত, সম্প্রদায়কে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের লক্ষ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণ এবং তাদের সন্তান জন্মদানে বাধা প্রদানের কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারবে না। মিয়ানমারকে নিশ্চিত করতে হবে তার সামরিকবাহিনী অথবা তার নির্দেশনায় পরিচালিত, নিয়ন্ত্রিত বা সমর্থিত কোনো অনিয়মিত সশস্ত্র ইউনিট, সংস্থা বা ব্যক্তি গণহত্যার ষড়যন্ত্র, গণহত্যায় উসকানি দান অথবা গণহত্যা সংঘটনে বিরত থাকবে। আদেশে বলা হয়, গণহত্যার অভিযোগের সাথে সংশ্লিষ্ট আলামত ধ্বংসের কোনো প্রচেষ্টা রোধ করে তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণে মিয়ানমারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে নেয়া সব পদক্ষেপ সম্পর্কে মিয়ানমারকে চার মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে। এরপর চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত ছয় মাস অন্তর প্রতিবেদন দিতে হবে।
জাতিসঙ্ঘের স্পেশাল রেপোর্টিয়ার : রোহিঙ্গা গণহত্যা ও দমন-পীড়ন বন্ধ এবং গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের আলামত ধ্বংস না করতে আইসিজের নির্দেশনা মিয়ানমার যথাযথভাবে অনুসরণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসঙ্ঘের স্পেশাল রেপোর্টিয়ার ইয়াংহি লি।
রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মিয়ানমারের মানবাধিকারবিষয়ক স্পেশাল রেপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে আগামী মার্চে জাতিসঙ্ঘে প্রতিবেদন দেবেন ইয়াংহি লি। স্পেশাল রেপোর্টিয়ার হিসেবে বাংলাদেশে শেষ সফরে এসে গত কয়েক দিন তিনি কক্সবাজারে ছিলেন। এ সময় রোহিঙ্গা শরণার্থী, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও এনজিও প্রতিনিধিদের সাথে তিনি মতবিনিময় করেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের পক্ষে চীন ও রাশিয়ার ভূমিকাকে ‘বেদনাদায়ক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসঙ্ঘের স্পেশাল রেপোর্টিয়ার ইয়াংহি লি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতাধর এই দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের উচিত কক্সবাজারে এসে রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখে যাওয়া, প্রকৃত অবস্থা অনুধাবন করা। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতাসহ জাতিসঙ্ঘের সংস্কার প্রয়োজন বলে ইয়াংহি লি মন্তব্য করেন।
কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইন এখনো নিরাপদ নয় বলে উল্লেখ করে ইয়াংহি লি বলেন, রাখাইনে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই চলছে। পরিস্থিতি অস্থিতিশীল। প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ থাকায় সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে এমন মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো যাচ্ছে না। তিনি বলেন, মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে মিয়ানমার কিছুই করছে না। সব কিছু আগের মতোই চলছে। যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও গণহত্যা চলতে থাকায় মিয়ানমার নিয়ে উচ্চাশা পোষণের কোনো সুযোগ নেই।
যুদ্ধাপরাধের বিচার নিশ্চিতে আরো সময় প্রয়োজনÑ সু চি : রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো যুদ্ধাপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের আরো সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন অং সান সু চি।
আইসিজের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর বিচারপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই ২০১৭ সালে রাখাইনে অভিযানকালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিচার করা হবে। আমাদের উচিত এই বিচারপ্রক্রিয়ার ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং অযৌক্তিক দাবি না তোলা। বিশ্বের আর সব দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মতো মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কাছেও নিজ সদস্যদের দায়বদ্ধতার ব্যাপারটিকে নিশ্চিত করা কঠিন। সু চি বলেন, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বেশির ভাগ অভিযোগই বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে শোনা। মিয়ানমার সরকারের প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিশন আইসিওই এসব অভিযোগকে অতিরঞ্জিত বলে অভিহিত করেছে। ২০১৭ সালে রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের জন্য ফিলিপাইনের কূটনীতিক রোজারিও মানালো ও জাপানি দূত কেনজো ওশিমার নেতৃত্বে আইসিওই গঠন করা হয়। গত সোমবার দেয়া প্রতিবেদনে আইসিওই জানায়, রাখাইনে সেনা অভিযানকালে যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে, তবে গণহত্যার প্রমাণ মেলেনি।
মানবতার জয়Ñ পররাষ্ট্রমন্ত্রী : রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় আইসিজের রায়কে ‘মানবতার জয় এবং বিশ্বের মানবাধিকারকর্মীদের জন্য মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন। গতকাল ইকুয়েডর থেকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এটি মানবতার বিজয়, সব দেশের মানবাধিকারকর্মীদের জন্য মাইলফলক। এটি গাম্বিয়া, ওআইসি, রোহিঙ্গা এবং অবশ্যই বাংলাদেশের বিজয়। আইসিজের এ আদেশ বিশ্বে জাতিগত নির্মূল ও গণহত্যার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (জিএফএমডি) সম্মেলনে অংশ নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এখন ইকুয়েডর রয়েছেন।

 


আরো সংবাদ




short haircuts for black women short haircuts for women Ümraniye evden eve nakliyat