film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে সরকারের ঋণ

লক্ষ্যমাত্রার ৯২ শতাংশ নেয়া হয়েছে ৫ মাসে ; চাপ বাড়ছে বেসরকারি খাতের ঋণের ওপর
-

বেসরকারি খাতে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ হচ্ছে না। তবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে সরকারের ঋণ। চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ মাসে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ৪৩ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯২ শতাংশ। যেখানে পুরো বছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা। সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বেশি পরিমাণ ঋণ নেয়ায় চাপ বাড়ছে বেসরকারি খাতের ওপর।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল সাড়ে ১৪ শতাংশ। কিন্তু গত অক্টোবর শেষে তা অর্জন হয়েছে ১০ দশমিক ৫৮ শতাংশ, অর্থাৎ বেসরকারি খাতের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয় রয়েছে। বেসরকারি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার কারণ সম্পর্কে ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, বেশির ভাগ ব্যাংকেরই এখন টাকার সঙ্কট রয়েছে। ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণ দেয়া যাচ্ছে না। এমনকি চলতি মূলধনও চাহিদা অনুযায়ী জোগান দেয়া যাচ্ছে না। এর অন্যতম কারণ হলো আমানত প্রবাহ কমে যাওয়া। কাক্সিক্ষত হারে আমানত না পাওয়ায় ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমনি পরিস্থিতিতে সরকারের বাড়তি ঋণের জোগান দিতে হচ্ছে। এতে বেসরকারি ঋণের ওপর চাপ বেড়ে যাচ্ছে।
ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণগ্রহণ বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি ঋণ প্রবাহ আরো কমে যাবে বলে মনে করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি গতকাল নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। রাজস্ব আদায় কমে যাচ্ছে। অন্য দিকে টিআইএন বাধ্যতামূলক করায় সঞ্চয়পত্র বিক্রিও কমে গেছে। কিন্তু সরকারের ব্যয় কমছে না; অর্থাৎ ব্যয় ঠিকই হচ্ছে। আর এ ব্যয় ঠিক রাখার জন্য ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বেশি মাত্রায় ঋণ নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরেই বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে। সরকার বেশিমাত্রায় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণ করলে বেসরকারি ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়ার মাত্রা আরো বেড়ে যাবে। আর বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ কমতে থাকলে বর্ধিত হারে কর্মসংস্থান হবে না। এতে বেকারত্বের হার অনেক বেড়ে যাবে।
জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার কী পরিমাণ ঋণ নেবে তা আগেই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে দেয়া হয়। প্রতি সপ্তাহেই এ বিষয়ে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকগুলো যাতে বাধ্যতামূলকভাবে ঋণের জোগান দিতে পারে সে জন্য ব্যাংকগুলোর সাথে অর্থ মন্ত্রণালয়ের চুক্তি রয়েছে। যাদেরকে বাধ্যতামূলক ঋণের জোগান দিতে হয় এমন ব্যাংকগুলোকে পিডি ব্যাংক বা প্রাইমারি ডিলার ব্যাংক বলা হয়। নিলামে কোনো ব্যাংক ঋণের যোগান না দিলে পিডি ব্যাংকগুলোকে বাধ্যতামূলক ঋণের যোগান দিতে হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাক্সিক্ষত হারে রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। আবার সঞ্চয়পত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করায় সঞ্চয়পত্র থেকেও আগের মতো ঋণ পাচ্ছে না সরকার। যেমন গত বছরের প্রথম চার মসে (জুলাই-অক্টোবর) সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে সরকার ঋণ নিয়েছিল ১৭ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে সরকার সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ঋণ পেয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৫২১ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের চার মাসে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণগ্রহণ কমেছে ৬৯ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। এক দিকে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না, অন্য দিকে ব্যাপক হারে কমে গেছে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ঋণগ্রহণ। আবার বিভিন্ন প্রকল্প ব্যয় বেড়ে গেছে। এর ফলে ব্যয়নির্বাহ করতে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা বেছে নিয়েছে। এভাবেই বেড়ে গেছে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণগ্রহণ।
ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, এক দিকে আমানত প্রবাহ কমে গেছে, অন্য দিকে বেড়ে গেছে সরাকরের ঋণগ্রহণ। আবার অস্বাভাবিক হারে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। সব মিলেই ঋণের সুদহার কমানো যাচ্ছে না। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বেসরকারি খাতের ঋণের ওপর। ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, আমানতকারীদের ব্যাংকমুখী করতে হলে আমানতের সুদহার বাড়াতে হবে। কেননা মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে। এর মধ্যে মুদ্রাক্ষয় যোগ করলে আমানতের সুদহার কমপক্ষে ১০ শতাংশ করা দরকার। কিন্তু ঋণের সুদহার এক অঙ্কের ঘরে নামিয়ে আনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ আছে। আর ঋণের সুদহার এক অঙ্কের ঘরে নামিয়ে আনতে হলে বিদ্যমান আমানতের সুদহার আরো কমাতে হবে। এতে আমানতকারীরা আরো ব্যাংকবিমুখ হবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ব্যাংকিং খাতের সঙ্কট আরো বেড়ে যাবে বলে তারা মনে করছেন।

 


আরো সংবাদ

মহান একুশে উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাতায়াতের রুট ম্যাপ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণের মধ্য দিয়ে সংসদ অধিবেশন সমাপ্ত মুজিববর্ষ নিয়ে অতি উৎসাহী না হতে দলীয় এমপিদের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর আ’লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা আজ চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বুড়িগঙ্গারনৌকা মাঝিদের মানববন্ধন আজ থেকে সোনার দাম আবার বেড়েছে ভরি ৬১৫২৭ টাকা আজ থেকে ঢাকার ১৬ ওয়ার্ডের সবাইকে খাওয়ানো হবে কলেরার টিকা ঘুষ দাবিকে কেন্দ্র করে টঙ্গী ভূমি অফিসে তুলকালাম কোম্পানি (সংশোধন) বিল পাস সংসদে সিটি ইউনিভার্সিটির ভিসিকে তলব আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী পিডি নিয়োগ চায় ইউজিসি

সকল