১৪ নভেম্বর ২০১৯

জেতা এবারো হয়ে উঠল না বাংলাদেশের

ভারত ১ : ১ বাংলাদেশ : : (আদিল খান) (সাদ উদ্দিন)
-

২০১৩ সাল থেকে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেই একই কাহিনী। সারাক্ষণ লিডে থেকেও শেষ সময়ের গোলে জয় বঞ্চিত হওয়া। ২০১৩ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে সাফ ফুটবলে ৯৩ মিনিটের গোলে ভারতের সাথে ড্র করতে বাধ্য হওয়া। ২০১৪ সালে ভারতের গোয়াতে অনুষ্ঠিত ফিফা প্রীতিম্যাচেও এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ ২-২তে ড্র করে মাঠ ছাড়ে। গতকাল মঙ্গলবার কাতার ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই পর্বেও হতাশ হতে হলো লাল-সবুজদের। ৮৮ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও ৮৯ মিনিটে গোল হজম করে গোলে ১-১ গোলে ড্র করতে হয় জেমি ডে- জামাল ভূঁইয়ার দলকে। অবশ্য এবারের বাছাই পর্বে এটাই বাংলাদেশের প্রথম পয়েন্ট। আর ভারতের টানা দ্বিতীয় ড্র। বাংলাদেশ আগের ম্যাচে কাতারের কাছে ০-২ গোলে হারলেও ভারত গোলশূন্য ড্র করেছিল কাতারের সাথে। তিন ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট পেয়ে লাল-সবুজরা এখনো ‘ই’ গ্রুপের তলানিতে। ভারত আছে চার নম্বরে। তাদের পয়েন্ট সমান ম্যাচে দুই।
কলকাতার সল্টলেকের যুব ভারতীয় স্টেডিয়ামে গতকাল ৬০ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ বেশ ভালো খেলেছে এই অ্যাওয়ে ম্যাচে। ভারতীয়দের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে বাংলাদেশ কাউন্টার অ্যাটাকে লড়তে থাকে। প্রথম মিনিটেই বাংলাদেশের পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন সিরিয়ার রেফারি মাসুদ তোফেলিয়া। ইব্রাহিম ফাউলের শিকার হলেও রেফারি তা এড়িয়ে যান। অবশ্য এরপর গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা কয়েক দফা রক্ষা করেন দলকে। ৪২ মিনিটে বাংলাদেশের গোল উৎসব। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি-কিক পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে আয়ত্তে নিতে ব্যর্থ হন ভারতীয় কিপার গুরপ্রিত সিং। সেই বলে ফরোয়ার্ড সাদ উদ্দিনের লাফিয়ে নেয়া হেড চলে যায় ভারতীয়দের জালে। সাথে স্টেডিয়ামে উপস্থিত অল্পসংখ্যক বাংলাদেশ সমর্থকের উল্লাস।
এই স্কোর লাইনে শেষ প্রথমার্ধ। বিরতির পর ৫১ ও ৫৫ মিনিটে বাংলাদেশ ব্যবধান বৃদ্ধির সুযোগ নষ্ট করে। প্রথমে সোহেল রানার ক্রসে নাবিব নেওয়াজ জীবনের শট ভারতীয় গোলরক্ষকের পায়ে লেগে প্রতিহত হয়। আর ৫৫ মিনিটে ইব্রাহিমের শট ক্রসবারে বাধা প্রাপ্ত হয়।
এরপর চলতে থাকে ভারতের সমতার চেষ্টা। কখনো গোলরক্ষক রানা কখনো ডিফেন্ডাররা অক্ষত রাখতে চেষ্টা করেন পোস্টকে। ভারতের একটি শট বাংলাদেশের ক্রসবারে প্রতিহত হয়। ৬৯ মিনিটে কর্নার থেকে আনাসের হেড জালে যাওয়ার সময় ইব্রাহিম হেডে গোললাইন থেকে তা ঠেকান। ৭২ মিনিটে বাধা ফের রানা। তবে বাংলাদেশ ৭৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে। লব থেকে আসা বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তা আগোয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে তুলে দেন স্ট্রাইকার জীবন। বল গুরপ্রিত সিংয়ের হাতে লেগে গোল লাইন অতিক্রম করছিল। তখনই ছুটে এসে ক্লিয়ার করেন ভারতীয় ডিফেন্ডার মোহাম্মদ আদিল। ৮৯ মিনিটে এই আদিলই সর্বনাশ করেন বাংলাদেশ দলের। কর্নার থেকে আসা বলে তার হেড গোলরক্ষক রানাকে ঠায় দাঁড়িয়ে রেখে জালে জড়ায়। যদিও ৮৪ মিনিটে জীবনের বদলি সুফিল বলের দখল নিতে ব্যর্থ হয়ে গোলবঞ্চিত করেন লাল-সবুজদের। সাদ উদ্দিনের ক্রস থেকে বলটি পান তিনি।
ভারতের তারকা স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রী, যিনি আগের দুইবার বাংলাদেশকে জিততে দেননি, কাল তার বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে বলেন, আমাদের তিন পয়েন্ট প্রাপ্য ছিল। শেষ সময়ে গোল খেয়েছি। বিরতির পর গোলের সুযোগও নষ্ট হয়েছে আমাদের।
বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ১৪ অক্টোবর ওমানের সাথে তাদের মাঠে।
বাংলাদেশ দল : রানা, ইয়াসিন, রিয়াদুল, রহমত, রায়হান ( বিশ্বনাথ ৭২ মি.), বিপলু, সাদ, সোহেল রানা, জামাল, জীবন (সুফিল ৭৮ মি.) ইব্রাহিম (রবিউল ৭৯ মি:)।


আরো সংবাদ

ওমানের বিপক্ষে পারলো না জামাল ভূঁইয়ারা ঘুম থেকে তুলে নিয়ে এক সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ! জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় : যুদ্ধাপরাধীদের নামে কলেজের নাম থাকছে না সেদিন শুধু আমিই নুসরাতের পক্ষে ছিলাম : ওসি মোয়াজ্জেম পেঁয়াজের দাম কী কারণে দু’শ টাকা ছাড়াল বাস্তবিক অর্থেই আমরা ম্যাচে নেই : মুমিনুল প্রথম কর্মস্থলে ২ বছর থাকতে হবে চিকিৎসকদের ক্ষুদ্র ঋণ দেয়া শুরু করেছিলেন জাতির পিতা : প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে প্রধানমন্ত্রীকে এমপি হারুনের অনুরোধ নিষিদ্ধ হলেন ম্যানচেস্টার সিটি তারকা সিলভা স্পর্শকাতর বিষয়ে  বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

সকল