১৬ অক্টোবর ২০১৯

মাসাকাদজাকে জয় উপহার দিলো বিদায়ী ম্যাচ

জিম্বাবুয়ে বিধ্বস্ত আফগানরা
-

টি-২০ ক্রিকেটে টানা ১১ ম্যাচ জয়ের পর আফগানিস্তান দল, ওয়েস্টইন্ডিজের কাছে তিন ম্যাচে হারে। এরপর আর পেছনে তাকায়নি। আবার জিতেছে তারা টানা ১২ ম্যাচ। যদিও ওই ২৩ ম্যাচের মধ্যে একটি জয় ছিল ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে আর চারটি বাংলাদেশের বিপক্ষে। বাকি সবই দুর্বল দেশ, আমিরাত, আয়ারল্যান্ড জাতীয় দল। জয়-জয়ই। কাল সে জয়ের ধারায় ছন্দপতন এনে দিলো জিম্বাবুয়ে। জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের কাছে বিধ্বস্ত হলো আফগানরা ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে। ম্যাচটা নিয়ম রক্ষার থাকলেও জিম্বাবুয়ের জন্য ছিল অনেক চ্যালেঞ্জ। একে তো টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচেও জিততে না পারা। তার সাথে ছিল শেষ ম্যাচ এবং অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায়ের ম্যাচ। দেশের ক্রিকেটে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যেও দলকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশে আসা এ ক্রিকেটার তার দীর্ঘ (৩৮ টেস্ট, ২০৯ ওয়ানডে ও ৬৬ টি-২০ ম্যাচ) ক্যারিয়ারের বিদায় টানলেন। এ মাঠেই ক’দিন আগে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন আফগান ক্রিকেটার মোহাম্মাদ নবি। সে স্থানে এবার হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। তবে বিদায়ের আবেগ তাকে পায়নি। অসীম সাহস ও দৃঢ়তা নিয়ে বীরের মতোই খেললেন তিনি এ ম্যাচ। এমনিতেই আফগানরা দুর্দান্ত। তাদের বিপক্ষে ৪২ বলে ৭১ রানের এক চমকপ্রদ ইনিংস খেলে দলকে সহজ জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে দেন। যেখান থেকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে আর ভুল করেনি অন্যরা। ৫ ছক্কা ও ৪টি চারে মাসাকাদজা ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সেই সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন।
প্রথমে ব্যাটিং করে আফগানিস্তান সূচনায় ঝড় তুললেও সে ধারা আর থাকেনি। জিম্বাবুয়ের বোলাররা কঠিনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে বেঁধে ফেলেন তাদের ১৫৫/৮ রানে। আগের সাক্ষাতে যে স্কোর ছিল ১৯৭। সেটা এ ম্যাচে কম হওয়ায় সাহসও বেড়ে যায় জিম্বাবুয়ের। শেষ পর্যন্ত ৩ বল হাতে রেখে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাল তারা। এর আগে ব্রেন্ডন টেইলর ও মাসাকাদজা নামেন ওপেন করতে। এরা খেলেছিলেন ৪০ রানের জুটি। টেইলর ১৯ করে আউট হন। পরের জুটি রান নিয়ে যান ১১০ এ। ব্যাটে ঝড় তুলে ওই রান করে আউট হন মাসাকাদজা। পরে চাকাবা ও উইলিয়ামস মিলে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়ে চাকাবা ৩৯ করে আউট হলেও উইলিয়াম জয় নিয়ে ফেরেন। আফগান বোলারদের মধ্যে মুজিব নেন ২ উইকেট। রশিদ খান এ ম্যাচে ছিলেন উইকেট শূন্য। দিয়েছেন চার ওভারে ২৯ রান। এর আগে মফুর চমৎকার বোলিংয়ে আফগান ওপেনার রহমতুল্লাহ গুরবাজ ছাড়া আর কেউই সুবিধা করতে পারেনি। গুরবাজ করেছিলেন ৬১ রান। পরের স্কোর জাজাইর ৩১। মফু নিয়েছিলেন চার উইকেট ৩০ রান।


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum