২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ফরিদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ঝরে গেল ১৮ প্রাণ

-

ফরিদপুরে ৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত ও ৩১ জন আহত হয়েছেন। অন্যান্য স্থানে সড়কে নিহত হন আরো ৭ জন।
ফরিদপুর সংবাদদাতা জানান, ফরিদপুরে তিন সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩১ জন। গতকাল দুপুরে ফরিদপুর-ঢাকা মহাসড়কের মাচ্চর ইউনিয়নের ধুলদী নামকস্থান, নগরকান্দা উপজেলার তালমার মোড় ও সদর উপজেলার কোমরপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফরিদপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আলম দুলাল জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কমফোর্ট লাইনের একটি বাস গোপালগঞ্জ যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি ধুলদী ব্রিজের কাছে একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে একেবারে শুকনো গভীর খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে প্রথমে ফরিদপুর স্টেশন থেকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি চায়না পোর্টন অ্যাক্সিডেন্ট রেসক্যু কারযোগে প্রায় ২০ জনের মতো উদ্ধার কর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এরপর রাজবাড়ী থেকে আরো একটি অ্যাক্সিডেন্ট রেসক্যু কারযোগে সেখানকার স্টেশন মাস্টার শওকত জোয়ার্দারের নেতৃত্বে ১০ জন উদ্ধার কর্মী এতে যোগ দেন। নুরুল আলম দুলাল জানান, এ বাস দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৬ জন নিহত হন। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী উদ্ধার কাজ চালান তারা।
নিহতদের একজন কমফোর্ট লাইন বাসের সুপারভাইজার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার ফারুক হোসেন (৫০)। এছাড়া নিহতদের মধ্যে হানিফ (৪৫) নামে আরো একজন রয়েছেন বলে জানা গেছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত ৮ টা) নিহত অন্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন।
ফরিদপুরে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি ওয়ার্ডে কর্মরত ওয়ার্ড মাস্টার সাখাওয়াত জানান, ধুলদীতে এ বাস দুর্ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে আনার পথে একজন ও হাসপাতালে ভর্তি করার পর একজন নিহত হন। বর্তমানে ফমেক হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ১৩ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ট্রমা সেন্টারের জেনারেল বেডে ৯ জন ও পেইং বেডে আরো ৪ জন ভর্তি রয়েছেন।
আহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। এরা হলেনÑ ময়মনসিংহের ত্রিশালের দেলোয়ার হোসেনের পুত্র ইব্রাহিম (২৮), ইসরাইল হোসেন (২০), মেয়ে নাসরিন (২৩) ও আয়েশা (১৮)। এছাড়া আহত অন্যরা হলেনÑ যুথি (৭), মারুফ (৫০), ঝর্ণা, (৪০), স্বপন (৩৮), মাহবুব (৩৫), মোস্তাফিজুর (৫৬), আবীর (১৪), ইউনুস (৫২), হাসান (২১), আলআমিন, সম্রাট (২০), অজ্ঞাত, মিজানুর (৫০), ইসতিয়াক, অজ্ঞাত, আব্দুল্লাহ (১৪), ইয়ার আলী (৫৬), রেজোয়ান (৩৫),আজিজুল (২০, হালিমা (২২), মান্নান (৫৮) ও রাহেলা (৩৫)।
দুর্ঘটনাকবলিত বাসের যাত্রী ভাটিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রাকিব হোসেন জানান, বাসটি ফেরিতে পদ্মা নদী পার হয়ে গোয়ালন্দ পৌঁছার পর চালক অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বাসটি চালাচ্ছিলেন। প্রায় ৩০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন বাসটিতে। রাকিব হোসেন অভিযোগ করেন, বারবার অনুরোধ করার পরও চালক বাসটির গতি কমাননি।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের চালক হাসিব জানান, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে সাইড দিতে যেয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের ধারণা। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি খাদে পড়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়। ভারী যন্ত্র দিয়ে বডি কেটে অনেককে উদ্ধার করা হয়। কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে হাসিব জানান, সম্ভবত বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে সাইড দিতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত স্থানে আমরা দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া একটি মোটরসাইকেলও দেখতে পাই। তবে মোটরসাইকেল চালককে শনাক্ত করা যায়নি। পাশাপাশি বাস চালককেও পাওয়া যায়নি। প্রায় দেড় ঘণ্টা উদ্ধার কাজ চালানোর পর নিহতদের ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে, ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় মোড়ে বাসের চাপায় মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৫ জন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের উপজেলার তালমার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন নগরকান্দা উপজেলা লস্কারদিয়া গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী রেশমা বেগম (৩০) ও তার ছেলে রনি (৮)। আহতদের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক আবুল হোসেনের (৪০) অবস্থা আশঙ্কাজনক। নগরকান্দা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান নিহতের খবর নিশ্চিত করে জানান, এ দুর্ঘটনার পর ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের দু’পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। নগরকান্দা থানা পুলিশ ও নগরকান্দা ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উপস্থিত হয়ে ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সড়কের যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, মুকসুদপুর থেকে ফরিদপুরের উদ্দেশে ছেড়ে আসা আর কে পরিবহন নামের বাসটি তালমার মোড় অতিক্রম করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের চাপা দেয়। এ সময় হতাহতের ঘটনা ঘটে। বাসটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে যায়।
ফরিদপুরে বাসের নিচে চাপা পড়ে এরশাদ মোল্লা (২৮) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। গতকাল ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ফরিদপুর সদরের কোমরপুর এলাকায় মুসলিম মিশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এরশাদ মোল্লা ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দনপুর মহল্লার ওয়াজেদ মোল্লার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এরশাদ একটি মোটরসাইকেল নিয়ে রঘুনন্দনপুরস্থ নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। কাদেরের স’মিলের সামনে এসে সে রাস্তা অতিক্রম করে ওপারে যাওয়ার সময় ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। কোতোয়ালি থানার (ওসি) এ এফ এম নাসিম বলেন, সোহাগ পরিবহনের ওই বাসটিকে চালকসহ গোয়ালন্দ এলাকায় আটক করেছে র্যাব।
বগুড়া অফিস ও শিবগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, রংপুর-বগুড়া মহাসড়কের শিবগঞ্জ উপজেলার রহবল নামক স্থানে গতকাল সকালে এক যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে উল্টে পড়ে ঘটনাস্থলে এক সেনাসদস্য নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন।
হাইওয়ে পুলিশের গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী জানান, লক্ষ্মীপুর জেলা থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস রংপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো ব ১৪-৮৭২০) ঘটনাস্থলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এ সময় বান্দরবনে কর্মরত এক সেনাসদস্য সার্জেন্ট আব্দুল আজিজ (৩৫) ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। তিনি লক্ষ্মীপুর থেকে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্টে যাচ্ছিলেন। বাসটি হাইওয়ে পুলিশ হেফাজতে আছে। আহতরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎিসাধীন আছেন।
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা তাজ পরিবহন নামে এক নৈশকোচের হেলপার নিহত হয়েছেন। হেলপারের নাম ইউসুফ (৩৪)। তার বাড়ি চাঁদপুর জেলায়। এ ঘটনায় আহত হন অন্তত ১১জন।
গতকাল সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের জেলা বনবিভাগ কার্যালয় সংলগ্ন ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অদূরে নৈশকোচটি নিয়ন্ত্রণ হারালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পরে স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মফিদার রহমান জানান, আহতদের হাসপাতালে নেয়া হলে নাজেদা (৪৫) এবং মামুন (৯) নামে দুইজনকে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার অলিপুরে গতকাল সকালে দ্রুতগামী ট্রাক চাপায় আজাদ মিয়া (২৫) নামেএক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। নিহত আজাদ মিয়া বি. বাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার বারগিরা গ্রামের মোহন মিয়ার পুত্র। তিনি হবিগঞ্জ ইন্ডাষ্ট্রিয়াল পার্কের প্রাণ কোস্পানীর শ্রমিক।
খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
ভালুকা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, ময়মনসিংহের ভালুকায় রাস্তা পারাপারের সময় মাইক্রোবাস চাপায় ইন্তাজ আলী (৪২) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। গতকাল সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ধামশুর কনজিউমার নিটেক্স মিলের সামনে ঘটনাটি ঘটে।
ভালুকা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ এসআই শাহ জালাল জানান, ঘটনার সময় গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার দক্ষিণউল্লাহ গ্রামের মৃত জনাব আলীর ছেলে ইন্তাজ আলী রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় ময়মনসিংহগামী একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, নারায়ণগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। আহত হয় আরো ২০ জন। সকালে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ আদমজী সড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়। অপর দিকে আড়াইহাজারে নসিমনের চাপায় নিহত হয় এক রিকশাচালক
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল ১০টার দিকে চাষাঢ়া-শিমরাইল সড়কের দূরন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস চাষাঢ়া থেকে চিটাগাং রোডের দিকে যাওয়ার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা নিট কনসার্ন নামে একটি পোশাক কারখানার যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের চালকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। পরে আহতদের মধ্যে দূরন্ত বাসের চালক মেহেদীকে (৩০) দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া গুরুতর আহত সাতজনকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি আহতদের শহরের খানপুর এলাকার ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস দু’টিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে যানজট মুক্ত করে।
অপর দিকে গতকাল সকালে আড়াইহাজার উপজেলার বগাদী এলাকায় নসিমনের চাপায় নিহত হন রিকশা চালক আজগর আলী। নিহত আজগর মাহমুদপুর ইউনিয়নের সালমদী গ্রামের ওসমানের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজগর সালমদী থেকে রিকশায় যাত্রী নিয়ে আড়াইহাজারে যাচ্ছিলেন। বগাদী মোড় এলাকায় আড়াইহাজার-গোপালদী সড়কে ওঠার সময় একটি নসিমন তার রিকশাকে ধাক্কা দিয়ে খাদে ফেলেছে। এ সময় নসিমনের নিচে পড়ে রিকশাচালক আজগরের মৃত্যু হয়।
আড়াইহাজার থানা পুলিশের ওসি মো: নজরুল ইসলাম বলেন, নসিমন চালককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
আশুলিয়া (ঢাকা) সংবাদদাতা জানান, আশুলিয়ার ডিইপিজেড এলাকায় বাস চাপায় নিরাপত্তা কর্মী মঞ্জুরুল ইসলাম নিহত হয়েছেন।
গতকাল সকালে ডিইপিজেডের সামনে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্রতক্ষদর্শীরা জানায়, গ্রুপ ৪ এর নিরাপত্তা কর্মী মঞ্জুরুল ইসলাম সকালে মহাসড়ক পারাপরের মুহূর্তে উত্তর বঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রকি পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি।
নিহত মঞ্জুরুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার বাসিন্দা। তার লাশ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরো সংবাদ