২২ জুলাই ২০১৯
অর্থ আত্মসাতের মামলা

এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

-

ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ৩৮৩ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার তদন্তে এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ প্রতিষ্ঠানটির ১১ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞায় চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পুলিশের বিশেষ শাখায় পাঠানো চিঠিতে ওই নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। দুদক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যাদের নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে তারা হলেন, আরব বাংলাদেশ ব্যাংকের (এবি) সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, পরিচালক ফিরোজ আহমেদ, সৈয়দ আফজাল হোসেন, সাবেক পরিচালক মো: আব্দুল আউয়াল, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসেন, শিশির রঞ্জন বোস, ফাহিমুল হক, মো: মেজবাহুল হক, জাকিয়া খান রুনা, মিশাল কবির এবং বি বি শাহ রয়।
তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো: সামছুল আলমের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সপরিবারে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাই অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক। এর আগে গত ১০ জুন স্ত্রীসহ এম মোরশেদ খানকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।
৩৮৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৭ সালের ২৮ জুন দুদকের উপপরিচালক শেখ আবদুস ছালাম বাদি হয়ে এম মোরশেদ খানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মোরশেদ খান ছাড়াও তার স্ত্রী নাসরিন খান, সিটিসেলের ভাইস চেয়ারম্যান আসগর চৌধুরী, সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরী, এবি ব্যাংকের সাবেক এমডি মসিউর রহমান চৌধুরী ও ব্যাংকটির সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার আহমেদ চৌধুরী এবং এম ফজলুর রহমানকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা সিটিসেলের নামে ৩৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যাংক গ্যারান্টি ইস্যু করার জন্য এবি ব্যাংক মহাখালী শাখায় আবেদন করেন। যাচাই-বাছাই না করেই কোনো জামানত ছাড়া সিটিসেলের নামে ব্যাংক গ্যারান্টি ইস্যু করে এবি ব্যাংক। পরে এ ব্যাংক গ্যারান্টির ভিত্তিতে আটটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সিটিসেলের ব্যবসা সম্প্রসারণের নামে ৩৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ নেয়া হয়। যথাসময়ে ঋণ পরিশোধ না করায় সুদসহ এ অর্থ দাঁড়ায় ৩৮৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার ৩৬৩ টাকা। ব্যাংক গ্যারান্টির শর্তানুযায়ী এবি ব্যাংক এ অর্থ পরিশোধ করে। দেশের সবচেয়ে পুরনো সেলফোন অপারেটর সিটিসেল লাইসেন্স পায় ১৯৮৯ সালে। দেনার দায়ে ২০১৬ সাল থেকে সিটিসেল বন্ধ রয়েছে।


আরো সংবাদ

gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi