১৮ আগস্ট ২০১৯

পিপিপির ৬২ প্রকল্পে ২০ লাখ কোটি টাকা

বাজেট ২০১৯-২০
-

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির চিত্র না থাকলেও আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৬২টি প্রকল্প রাখা হচ্ছে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) এই খাতে। আর এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে ২০ লাখ কোটি টাকা। বহুমাত্রিক সমস্যার কারণে পিপিপির প্রকল্পগুলো এগোচ্ছে না। আবার বেসরকারি খাতও তেমনভাবে এগিয়ে আসছে না পিপিপিতে। তবুও প্রত্যাশা নিয়ে সরকার প্রতি বছরই এডিপির এই খাতে নতুন করে প্রকল্প যুক্ত করছে বলে পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
পরিকল্পনা কমিশন ও পিপিপি সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যানুযায়ী, আগামী অর্থবছরের এডিপিতে এই খাতে বাস্তবায়নের জন্য ৬২টি প্রকল্প তালিকায় রাখা হয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগই সড়ক উন্নয়ন খাতের। এ ছাড়া রয়েছে, স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালগুলোকে আধুনিকায়ন এবং শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করা। বাংলাদেশ রেলওয়ের শপিংমল কাম গেস্ট হাউজ নির্মাণ, চট্টগ্রামে পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণ, ঢাকা শহরের চার দিকে বৃত্তাকার রেললাইন নির্মাণ, রেলের মাল্টিমোডাল হাব নির্মাণ, বাল্ক টার্মিনাল নির্মাণ, পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ড্রেজিং, কনটেইনার টার্মিনাল। ডজনখানেক এলাকায় স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণ, কয়েকটি ফ্লাইওভার নির্মাণ। এই প্রকল্পগুলোর অনেকগুলোই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি থেকে নীতিগতভাবে অনুমোদনও দেয়া হয়েছে।
এডিপির তথ্যানুযায়ী, আগামী অর্থবছরের এডিপিতে পিপিপিতে নেয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, কামরাঙ্গিরচর, সাভার, মিরপুরে স্যাটেলাইট টাউন স্থাপন। প্রতিটি প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ কোটি টাকার বেশি। ৫.৪৬ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝিলমিল প্রকল্প এলাকায় হাইরাইজ অ্যাপার্টমেন্ট, ঝিলমিল প্রকল্পে পানি সরবরাহ, ৩০ কোটি ডলার ব্যয়ে হাতিরঝিল থেকে ডেমরা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ, ১৯ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে, দুই লাখ ৭২ হাজার ১৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে গাবতলী নবীনগর মহাসড়ককে এক্সেস কন্ট্রোল সড়কে উন্নীতকরণ, হাটিকুমরুল-নাটোর-রাজশাহী সড়ক উন্নয়নে ৭ লাখ কোটি টাকা, নবীনগর-মানিকগঞ্জ সড়ক উন্নয়নে তিন লাখ কোটি টাকা, ঢাকা শহরের চার দিকে বৃত্তাকার রেললাইন নির্মাণে ১৩ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। দু’টি মাল্টিমোডাল হাব নির্মাণে এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। ট্রানশিপমেন্ট কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে পাঁচ লাখ ৮৭ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা এবং ডিপ ওয়াটার কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে পাঁচ লাখ ৮৭ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।
এ দিকে পিপিপি দফতর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৪৪টি প্রকল্পের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ তিনটি প্রকল্পের কাজ। গত বছর পিপিপি প্রকল্পের ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে মোট বিনিয়োগ প্রকল্পের ৩০ শতাংশ পিপিপির আওতায় বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়। এসব বাস্তবায়নে এডিপি প্রণয়নের নীতিমালায় অন্তর্ভুক্তির জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানানো হয় পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগকে। ওই নির্দেশনায় বলা হয়, সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার হিসাব মতে সরকারের রূপকল্প-২০২১ ও ২০৪১ অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে দেশের ভৌত অবকাঠামো ও সেবা সেক্টরে প্রতি বছর বিনিয়োগ প্রয়োজন মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬ ভাগ। অর্থাৎ প্রতি বছর কমপক্ষে দেড় হাজার কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। সেখানে পিপিপির মাধ্যমে পূরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ দশমিক ৮ ভাগ। অর্থাৎ প্রতি বছর পিপিপি প্রকল্পে বিনিয়োগ হতে হবে ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা অবকাঠামো ও সেবা সেক্টরের মোট বিনিয়োগের শতকরা ৩০ ভাগ।


আরো সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে সন্ত্রাসীদের সাথে গুলি বিনিময়ে এক সেনাসদস্য নিহত স্মিথের বদলি লাবুশানে; টেস্ট ক্রিকেটে ইতিহাস ভারতের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার এখন ফ্যাসিস্ট মোদির হাতে : ইমরান খানের হুঁশিয়ারি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো ঘড়যন্ত্র করছে : আইনমন্ত্রী দুর্ঘটনা কেড়ে নিলো একটি পরিবার, ঈদ আনন্দে বিষাদের ছায়া ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদক হতে ইচ্ছুক ১০৮ তরুণ নেতা মানিকগঞ্জে বেড়েই চলছে ডেঙ্গু রোগী সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গু রোগে আক্রন্ত কলেজ ছাত্রের মৃত্যু উপকূল সুরক্ষায় ৬৪২ কিলোমিটার সুপার ডাইক নিমার্ণের উদ্যোগ ছাগলের ক্ষেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধা খুন

সকল




bedava internet