১৮ আগস্ট ২০১৯

টাইগারদের দাপুটে জয়

আয়ারল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারাল
-

ট্রাইন্যাশনের ফাইনালের রিহার্সাল ভালোই সেরে রাখল বাংলাদেশ। গুরুত্বহীন ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জিতেছে মাশরাফিরা ৪২ বল হাতে রেখে। আইরিশরা ম্যাচে বেশ প্রভাব খাটিয়েছিল ব্যাটে। পল স্ট্রিলিংয়ের সেঞ্চুরি, উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের ৯৪ রানের ইনিংসে ভর করে ২৯২/৮ কিন্তু বিশাল স্কোর। বাংলাদেশ সেটাকে বেশ ভালোই মোকাবেলা করে জিতেছে। যা সম্ভব হয়েছে টপ অর্ডারের দায়িত্বপূর্ণ ব্যাটিংয়ে। সৌম্য খেলেননি। কিন্তু তামিমের সাথে এ ম্যাচে লিটনও (৭৬) যথেষ্ট দায়িত্বের পরিচয় দিয়ে লড়েছেন। তিন তিনটি হাফ সেঞ্চুরির উপর দাঁড়িয়ে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। তামিম, লিটন ও সাকিব করেছেন ওই হাফ সেঞ্চুরিগুলো। এর আগে প্রথম ব্যাটিং করতে নেমে জয়ের জন্য ২৯২ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল তারা বাংলাদেশকে। সৌম্য এ ম্যাচে খেলেনি। তবে কেন যেন বিশ্রামে যাননি তামিমও। সাকিব, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ, মাশরাফি প্রায় সবাই খেলছেন। তবে এত বিশাল স্কোরের মধ্যেও উজ্জ্বল আবু জায়েদ রাহী। সবে দ্বিতীয় ওয়াানডে। কিন্তু এতেই পাঁচ উইকেট নিয়েছেন এ পেস বোলার। আইরিশদের ৩০০ পেরিয়ে যেতে বাদ সেধেছেন তিনি। ৯ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে নিয়েছেন উইকেটগুলো। আগের ম্যাচেও ৯ ওভার করেছিলেন ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে। কিন্তু ছিলেন উইকেটশূন্য। এ ম্যাচে আরেকটি নৈপুণ্য রয়েছে। সেটা আয়ারল্যান্ডের ওপেনার পল স্ট্রার্লিং। ১৪১ বলে ১৩০ করে আউট হয়েছেন তিনি। সেঞ্চুরি মিস করেছেন আরো একজন। তিনি অধিনায়ক পোর্টারফিল্ড। ৯৪ রানে আউট হয়েছেন তিনি। দু’জনই আউট হয়েছেন জায়েদের বলে।
এ ম্যাচে রুবেল সূচনায় ওপেনার ম্যাককালামকে আউট করে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে আর থাকতে পারেননি। রুবেল সাত ওভার বোলিং করেছেন। আর মাশরাফি বোলিং করেছেন একেবারে ৬ নম্বরে গিয়ে। এক উইকেট পেলে সাকিবের একটা রেকর্ড হয়ে যেত। কিন্তু ৯ ওভারে ৬৮ রান দিয়েও ওই লক্ষ্যে যেতে পারেননি তিনি। উইকেটপ্রাপ্তিতে অন্যদের মধ্যে রয়েছেনÑ মোহাম্মাদ শাইফুদ্দিন। দুই উইকেট নেন তিনি। আয়ারল্যান্ডের যা করার করেছেন ওই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানই। আর কেউই সেভাবে আর পারেননি। পল স্টার্লিং ৫১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে সেঞ্চুরি করেন ১২৭ বলে। ২ ছক্কা ৬ চারে সাজানো ছিল তার ইনিংস। আর পূর্ণ ইনিংসে ছক্কা হাঁকিয়েছেন ৪ ও চার ছিল ৮টি।
এরপর বিশাল চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশও সূচনা ভালোই করেছেন। দুই ওপেনার তামিম ও লিটনের বোঝাপড়া বেশ ভালো। ১১৭ রানের পার্টনারশিপ খেলে বিচ্ছিন্ন হন তরিা। তামিম আউট হন প্রথম ৫৩ বলে ৫৭ করে। এরপর লিটন ও সাকিবও চমৎকার খেলেন। তারা দলীয় রান ১৬০ এ নিয়ে যেয়ে বিচ্ছিন্ন হন। লিটন আউট হন তখন। পরে মুশফিককে নিয়ে খেলে সাকিব জয়ের কাছাকাছি যেয়ে সেঞ্চুরি করে উইকেট ছেড়ে আসেন। ৫১ বলে ৫০ করেছিলেন তিনি। পরে মাহমুদুল্লাহ, মোসাদ্দেকরা মিলে দলকে নিয়ে যান জয়ের লক্ষ্যে সহজেই। মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ দু’জনই করেন ৩৫ করে। র্যানকিন নেন দুই উইকেট। আবু জায়েদ রাহী ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।


আরো সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে সন্ত্রাসীদের সাথে গুলি বিনিময়ে এক সেনাসদস্য নিহত স্মিথের বদলি লাবুশানে; টেস্ট ক্রিকেটে ইতিহাস ভারতের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার এখন ফ্যাসিস্ট মোদির হাতে : ইমরান খানের হুঁশিয়ারি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো ঘড়যন্ত্র করছে : আইনমন্ত্রী দুর্ঘটনা কেড়ে নিলো একটি পরিবার, ঈদ আনন্দে বিষাদের ছায়া ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদক হতে ইচ্ছুক ১০৮ তরুণ নেতা মানিকগঞ্জে বেড়েই চলছে ডেঙ্গু রোগী সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গু রোগে আক্রন্ত কলেজ ছাত্রের মৃত্যু উপকূল সুরক্ষায় ৬৪২ কিলোমিটার সুপার ডাইক নিমার্ণের উদ্যোগ ছাগলের ক্ষেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধা খুন

সকল




bedava internet