২৪ মে ২০১৯

টাইগারদের দাপুটে জয়

আয়ারল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারাল
-

ট্রাইন্যাশনের ফাইনালের রিহার্সাল ভালোই সেরে রাখল বাংলাদেশ। গুরুত্বহীন ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জিতেছে মাশরাফিরা ৪২ বল হাতে রেখে। আইরিশরা ম্যাচে বেশ প্রভাব খাটিয়েছিল ব্যাটে। পল স্ট্রিলিংয়ের সেঞ্চুরি, উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের ৯৪ রানের ইনিংসে ভর করে ২৯২/৮ কিন্তু বিশাল স্কোর। বাংলাদেশ সেটাকে বেশ ভালোই মোকাবেলা করে জিতেছে। যা সম্ভব হয়েছে টপ অর্ডারের দায়িত্বপূর্ণ ব্যাটিংয়ে। সৌম্য খেলেননি। কিন্তু তামিমের সাথে এ ম্যাচে লিটনও (৭৬) যথেষ্ট দায়িত্বের পরিচয় দিয়ে লড়েছেন। তিন তিনটি হাফ সেঞ্চুরির উপর দাঁড়িয়ে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। তামিম, লিটন ও সাকিব করেছেন ওই হাফ সেঞ্চুরিগুলো। এর আগে প্রথম ব্যাটিং করতে নেমে জয়ের জন্য ২৯২ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল তারা বাংলাদেশকে। সৌম্য এ ম্যাচে খেলেনি। তবে কেন যেন বিশ্রামে যাননি তামিমও। সাকিব, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ, মাশরাফি প্রায় সবাই খেলছেন। তবে এত বিশাল স্কোরের মধ্যেও উজ্জ্বল আবু জায়েদ রাহী। সবে দ্বিতীয় ওয়াানডে। কিন্তু এতেই পাঁচ উইকেট নিয়েছেন এ পেস বোলার। আইরিশদের ৩০০ পেরিয়ে যেতে বাদ সেধেছেন তিনি। ৯ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে নিয়েছেন উইকেটগুলো। আগের ম্যাচেও ৯ ওভার করেছিলেন ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে। কিন্তু ছিলেন উইকেটশূন্য। এ ম্যাচে আরেকটি নৈপুণ্য রয়েছে। সেটা আয়ারল্যান্ডের ওপেনার পল স্ট্রার্লিং। ১৪১ বলে ১৩০ করে আউট হয়েছেন তিনি। সেঞ্চুরি মিস করেছেন আরো একজন। তিনি অধিনায়ক পোর্টারফিল্ড। ৯৪ রানে আউট হয়েছেন তিনি। দু’জনই আউট হয়েছেন জায়েদের বলে।
এ ম্যাচে রুবেল সূচনায় ওপেনার ম্যাককালামকে আউট করে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে আর থাকতে পারেননি। রুবেল সাত ওভার বোলিং করেছেন। আর মাশরাফি বোলিং করেছেন একেবারে ৬ নম্বরে গিয়ে। এক উইকেট পেলে সাকিবের একটা রেকর্ড হয়ে যেত। কিন্তু ৯ ওভারে ৬৮ রান দিয়েও ওই লক্ষ্যে যেতে পারেননি তিনি। উইকেটপ্রাপ্তিতে অন্যদের মধ্যে রয়েছেনÑ মোহাম্মাদ শাইফুদ্দিন। দুই উইকেট নেন তিনি। আয়ারল্যান্ডের যা করার করেছেন ওই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানই। আর কেউই সেভাবে আর পারেননি। পল স্টার্লিং ৫১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে সেঞ্চুরি করেন ১২৭ বলে। ২ ছক্কা ৬ চারে সাজানো ছিল তার ইনিংস। আর পূর্ণ ইনিংসে ছক্কা হাঁকিয়েছেন ৪ ও চার ছিল ৮টি।
এরপর বিশাল চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশও সূচনা ভালোই করেছেন। দুই ওপেনার তামিম ও লিটনের বোঝাপড়া বেশ ভালো। ১১৭ রানের পার্টনারশিপ খেলে বিচ্ছিন্ন হন তরিা। তামিম আউট হন প্রথম ৫৩ বলে ৫৭ করে। এরপর লিটন ও সাকিবও চমৎকার খেলেন। তারা দলীয় রান ১৬০ এ নিয়ে যেয়ে বিচ্ছিন্ন হন। লিটন আউট হন তখন। পরে মুশফিককে নিয়ে খেলে সাকিব জয়ের কাছাকাছি যেয়ে সেঞ্চুরি করে উইকেট ছেড়ে আসেন। ৫১ বলে ৫০ করেছিলেন তিনি। পরে মাহমুদুল্লাহ, মোসাদ্দেকরা মিলে দলকে নিয়ে যান জয়ের লক্ষ্যে সহজেই। মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ দু’জনই করেন ৩৫ করে। র্যানকিন নেন দুই উইকেট। আবু জায়েদ রাহী ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।


আরো সংবাদ

বেলকুচিতে চাঁদা না পেয়ে তাঁত ফ্যাক্টরিতে আগুন : নিঃস্ব প্রান্তিক তাঁত ব্যবসায়ী প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে বাবরের সেঞ্চুরি বিশ্বকাপের আগে ইনজুরিতে ইংল্যান্ড অধিনায়ক মোদির দেখানো পথে ভারত নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে : কোহলি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন বিএনপিনেতা মোজাম্মেল গৌরীপুর সরকারি কলেজ মসজিদের জায়গায় মডেল মসজিদ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার ড্যাব'র নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ বড় স্কোরের পথে দক্ষিণ আফ্রিকা, বিপাকে পাকিস্তান দেশে যে শান্তি বিরাজ করছে তা গণতন্ত্র নয় : বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি

সকল




Instagram Web Viewer
agario agario - agario
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa