২৬ মে ২০১৯

নানামুখী সঙ্কটে ব্যাংকিং খাত

নগদ আদায় কমে যাওয়ায় বাড়ছে তহবিল সঙ্কট ; ঋণ পরিশোধে আগ্রহ হারাচ্ছেন উদ্যোক্তারা ; খেলাপি ঋণ বাড়ছে, বাড়ছে প্রভিশন ও মূলধন ঘাটতি
-

ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বড় উদ্যোক্তাদের বেশির ভাগই ঋণ পরিশোধ করছেন না। নানা কৌশল অবলম্বন করে দীর্ঘ দিন ধরে জনগণের আমানত ফেরত দিচ্ছেন না বড় উদ্যোক্তারা। উপরন্তু তারা প্রতিনিয়তই ঋণের নামে ব্যাংক থেকে অর্থ বের করে নিচ্ছেন। এতে ব্যাংকে কমে গেছে নগদ আদায়। নগদ আদায় কমে যাওয়ায় ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড় জমে গেছে। খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে গেছে। বাড়ছে মূলধন ঘাটতি। এর পাশাপাশি ব্যাংকের বিনিয়োগযোগ্য তহবিল কমে যাচ্ছে। এদিকে তুলনামূলক কম সুদ হওয়ায় ব্যাংকে আমানত প্রবাহ কমে গেছে। এতে দেখা দিয়েছে চরম তহবিল সঙ্কট। ব্যাংকগুলো বিনিয়োগের চ্যানেল ঠিক রাখতে স্বল্প মেয়াদে আমানত নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করছে। একই সাথে দৈনিক প্রয়োজন মেটাতে রেপোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কেউ কেউ ধার নিচ্ছেন। আবার কোনো কোনো ব্যাংক কলমানি মার্কেট নির্ভর হয়ে পড়েছে। সাধারণ আমানত না পাওয়ায় কোনো কোনো ব্যাংক সরকারি আমানত নির্ভর হয়ে পড়েছে। সরকারের উন্নয়ন ব্যয় চালাতে ব্যাংকে রাখা সরকারি আমানত প্রত্যাহার করতে হতে পারে। এতে ভয়াবহ বিপদে পড়ে যেতে পারে দুই ডজনেরও বেশি ব্যাংক। সবমিলে নানামুখী সঙ্কটে পড়ে গেছে দেশের ব্যাংকিং খাত। ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে আদায় বাড়াতে না পারলে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে দেশের ব্যাংকিং খাতকে।
বিপরীতমুখী ঋণ আমানতের প্রবৃদ্ধি : জানা গেছে, ২০১৬ সাল থেকে দেশের ব্যাংকিং খাতে তারল্য সঙ্কট শুরু হয়। ওই বছর শেষে ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগযোগ্য তারল্য ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ৭৪ কোটি টাকা। উদ্বৃত্ত এ তারল্য কাজে লাগাতে আগ্রাসী বিনিয়োগ শুরু করে বেসরকারি ব্যাংকগুলো। ফলে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এরপর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ১৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ হলেও পরবর্তী সময়ে তা আরো বেড়ে যায়। সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়ে ১৬ দশমিক ৯৪ শতাংশে দাঁড়ায়।
এদিকে, ঋণ প্রবৃদ্ধি বাড়লেও সে অনুপাতে আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়নি ব্যাংকগুলোয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ব্যাংকিং খাতে আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল দশমিক ৫২ শতাংশ। পরের দুই অর্থবছরে তা আরো কমে আসে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমানতের প্রবৃদ্ধি নেমে আসে মাত্র ১০ দশমিক ৬০ শতাংশে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ব্যাংকিং খাতে এ প্রবৃদ্ধি আরো কমে পৌনে ১০ শতাংশে নেমে আসে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ফেব্রুয়ারিতে আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৯ শতাংশে। ঋণ প্রবৃদ্ধির হারে আমানত না বাড়ায় তারল্য সঙ্কটে পড়ে ব্যাংকগুলো। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগযোগ্য আমানত ৭৬ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকায় নেমে আসে। তবে উদ্বৃত্ত এ আমানতের বেশির ভাগই রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকে। রাষ্ট্রায়ত্ত এ ব্যাংকগুলোর এডি রেশিও এখনো ৪০-৬০ শতাংশে সীমাবদ্ধ। অথচ দেশের ইসলামী খাতের ব্যাংকগুলোর বর্তমান এডি রেশিও ৯৫ শতাংশের বেশি। বর্তমানে দেশের অন্তত ১৫টি ব্যাংকের এডি রেশিও নির্ধারিত সীমার বেশি রয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাংকিং খাতে ঋণ আমানতের প্রবৃদ্ধি বিপরীতমুখী হয়ে পড়েছে। সাধারণত আমানত বাড়লে ঋণ বাড়ার কথা, সেখানে হচ্ছে উল্টো। আমানত যে হারে বাড়ছে তার চেয়ে বেশি হারে বাড়ছে ঋণের প্রবৃদ্ধি। ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করা হচ্ছে না। হয় সেই অর্থ পাচার করা হচ্ছে, অথবা অন্য ঋণ পরিশোধ করছে। আর এতে সামগ্রিক ঋণ বাড়ছে। কিন্তু বাড়ছে না আমানত। এ অবস্থায় বেশি দিন চলতে থাকলে সামনে ব্যাংকিং খাতের বিনিয়োগ সক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি তহবিল ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
বাড়ছে খেলাপি ঋণ ও মূলধন সঙ্কট : এদিকে ব্যাংকিং খাতে নগদ আদায় কমে যাওয়ায় খেলাপি ঋণের পাহাড় জমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী অবলোপনসহ গত ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ছেড়ে গেছে। এটাতো শুধু কাগজে কলমে। ঋণ নবায়ন ধরলে প্রকৃত খেলাপি ঋণ আরো বেড়ে যাবে। আর এ খেলাপি ঋণের কারণে ঋণের গুণগত মান কমে যাচ্ছে। এতে বেড়ে যাচ্ছে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ। ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের কারণে বড় আকারের মূলধন ঘাটতির মুখে পড়েছে সরকারি ৬ ব্যাংকসহ ১১ বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান মতে, গত ডিসেম্বর শেষে ১১ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে ডিসেম্বর শেষে সাড়ে ১২ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণের কথা থাকলেও ব্যাংকগুলো তা অর্জন করতে পারেনি। বরং এ সময়ে ১১ ব্যাংকের বিশাল মূলধন ঘাটতির কারণে ব্যাংকিং খাতে সামগ্রিক মূলধন সংরক্ষণের হার আলোচ্য সময়ে হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে মূলধন ঘাটতি সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে দুর্বলতাই ফুটে ওঠে। এর ফলে শুধু ব্যাংকিং খাতে নয়, পুরো অর্থনীতিতেই বিপর্যয় নেমে আসার আশঙ্কা থাকে। বিদেশী বিনিয়োগেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে ঘাটতির মুখে পড়া ব্যাংকগুলোর সাথে বিদেশী ব্যাংকগুলো লেনদেন করতে আস্থার সঙ্কট দেখা দেয়। এতে পণ্য আমদানি-রফতানিতে গ্যারান্টি হিসেবে তাদের বাড়তি ফি দিতে হয়, যার প্রভাবে ব্যবসা ব্যয় বেড়ে যায়।
সরকারি আমানতনির্ভর হয়ে পড়েছে অনেক ব্যাংক : আইএমএফের হিসাবে, ২০১৬ সালের জুনে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে ঋণ আমানতের অনুপাত অর্থাৎ এডি রেশিও ছিল ৭৫ শতাংশ। সরকারি আমানত বাদ দিলে এ হার ৮০ শতাংশে সীমাবদ্ধ ছিল। এর পর থেকেই ব্যাংকিং খাতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে এডি রেশিও। ২০১৮ সালের নভেম্বরে এডি রেশিও বেড়ে দাঁড়ায় ৮৫ দশমিক ৬ শতাংশে। সরকারি আমানত বাদ দিয়ে হিসাব করলে ওই সময় ব্যাংকিং খাতের এডি রেশিও ৯২ দশমিক ২ শতাংশ ছাড়ায়। ব্যাংকাররা বলছেন, দেশে যে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ, তাতে সরকারি আমানত থেকে ব্যয়ের প্রয়োজন পড়বে। ফলে তুলে নেয়ার প্রয়োজন হবে সরকারি আমানত। এতে বেড়ে যাবে ঋণ-আমানতের অনুপাতও, যা বিপদে ফেলবে ব্যাংকগুলোকে।
নতুন সঙ্কটে ব্যাংকিং খাত : ঋণখেলাপিদের নানা ধরনের সুযোগ দেয়ার ঘোষণায় ঋণ পরিশোধে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ছেন উদ্যোক্তারা। যারা এত দিন নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করতেন তাদের অনেকেই হঠাৎ করে ঋণ পরিশোধ বন্ধ করে দিয়েছেন। এর ফলে ব্যাংকের নগদ আদায়ের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। ব্যাংকের নগদ আদায় কমে যাওয়ায় ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এ ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে অনেক ব্যাংক। এতে ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছে, কমে যাচ্ছে ব্যাংকের ঋণ বিতরণের সক্ষমতা। প্রভাব পড়ছে ব্যাংকের মুনাফায়। বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে বছর শেষে নিশ্চিত লোকসান এড়ানো যাবে না।
গত বৃহস্পতিবার এসব কথা বলছিলেন দেশের দ্বিতীয় প্রজন্মের একটি ব্যাংকের এমডি।
দেশের প্রথম প্রজন্মের একটি ব্যাংকের এমডি গতকাল নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন, ব্যাংকের নগদ আদায় হঠাৎ করে অস্বাভাবিক হারে কমে যাচ্ছে। এমনিতেই ব্যবসায়ীরা নানা অজুুহাতে ঋণ নিয়ে তা আর পরিশোধ করতে চান না, এরপরও গত কিছু দিন ঋণখেলাপিদের নানা সুযোগ দেয়ার ঘোষণায় যারা এত দিন নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করতেন, বলা চলে গত কিছু দিন তারা ঋণ পরিশোধ বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে তার ব্যাংক বহুমুখী সমস্যায় পড়ে যাচ্ছে। প্রথমেই ব্যাংকের ঋণ আমানতের অনুপাতের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে। কারণ, ব্যাংকের আমানতপ্রবাহ কমে যাচ্ছে। এত দিন ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করায় ঋণ আমানতের অনুপাত বাংলাদেশ ব্যাংক বেঁধে দেয়া সীমার মধ্যে ধরে রাখা সম্ভব ছিল; কিন্তু হঠাৎ ঋণ আদায় কমে যাওয়ায় খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছে। সে অনুযায়ী আমানত বাড়ছে না। ফলে আমানতপ্রবাহ না বাড়লেও ঋণ আদায় কমে যাওয়ার কারণে আমানতের চেয়ে ব্যাংকের ঋণের পাল্লা ভারী হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ আমানতের অনুপাত সাড়ে ৮৩ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনতে হবে। যদিও সম্প্রতি এটা সমন্বয়ের সময়সীমা ছয় মাস বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অপর দিকে ব্যাংকের ঋণ আদায় কমে যাওয়ায় খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছে। খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় বেশি হারে প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। এতে কমে যাচ্ছে নিট আয়। অপর দিকে, নগদ আদায় কমে যাওয়ায় ব্যাংকের ঋণ বিতরণের সক্ষমতাও কমে যাচ্ছে। সব মিলে ব্যাংকগুলোর মধ্যে একধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে।
বাড়ছে সরকারি ঋণ : এ দিকে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। বাড়ছে বৈদেশিক ঋণের অবমুক্তি। ফলে সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য সঞ্চয়পত্রসহ ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান মতে, গত ২ এপ্রিল পর্যন্ত সরকার এক বছরে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের ২ এপ্রিলে ব্যাংকব্যবস্থায় সরকারের ঋণের স্থিতি ছিল ৬৭ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা। চলতি ২ এপ্রিলে তা বেড়ে হয়েছে ৮৪ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা। নতুন মুদ্রানীতিতেও সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ। এর আগের মুদ্রানীতিতে সরকারি খাতে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছিল। আর বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। যদিও ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৩ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।
তীব্র তারল্যসঙ্কটে ব্যাংকিং খাত : এক দিকে আমনতপ্রবাহ কমে গেছে। অপর দিকে কমেছে ঋণ আদায়। পাশাপাশি বাড়ছে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ। এতে উভয় সঙ্কটে পড়েছে কিছু ব্যাংক। তারা দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে পারছেন না। তাদের কেউবা আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার থেকে ধার করছেন। কেউবা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হাত পাতছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রেপোর মাধ্যমে প্রতিদিনই কিছু কিছু ব্যাংক ধার নিচ্ছে। এতে ১০০ টাকা ধার নিতে ব্যয় করতে হচ্ছে ছয় টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ১৫ এপ্রিল ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রেপোর মাধ্যমে ও বিশেষ তারল্য সহায়তার আওতায় প্রায় চার হাজার কোটি টাকা ধার নিয়েছে।
সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে জনগণের আমানত ফিরিয়ে আনার কঠোর উদ্যোগ গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, দেশের অর্থনীতির স্বার্থে বড় ঋণখেলাপিদের আর সুযোগ না দিয়ে তাদের কাছ থেকে কিভাবে অর্থ আদায় করা যায় সে উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় বেশির ভাগ ব্যাংকের হাতে আর বিনিয়োগ করার মতো তহবিল থাকবে না। ফিরিয়ে দিতে পারবে না জনগণের আমানত। আর এটা দেশের অর্থনীতির জন্য মোটেও সুখকর হবে না বলে তারা মনে করেন।


আরো সংবাদ




Instagram Web Viewer
agario agario - agario
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa