২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

কারাগারের আদালতে আসেননি খালেদা জিয়া

অনুপস্থিতিতে বিচারের বিষয়ে শুনানি আজ
-

ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে আসেননি বিএনপির কারাবন্দী চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এই আদালতে হাজির হতে তিনি অনিচ্ছুক বলে জানিয়েছেন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার শুনানি কারাগারে স্থাপিত আদালতে চলতে পারে কি না সে বিষয়ে আইনজীবীদের যুক্তি উপস্থাপনের পর গতকাল ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো: আখতারুজ্জামান গতকাল বুধবার কারা কর্তৃপক্ষের হাজিরা পরওয়ানা দেখিয়ে বলেন, এখানে লেখা আছে তাকে (খালেদা জিয়াকে) আদালতে হাজির হওয়ার জন্য বলা হলে জানিয়েছেন তিনি আদালতে আসতে অনিচ্ছুক।
আদালত এরপর আসামিপরে আইনজীবীদের কাছে জানতে চান, এ অবস্থায় তার (খালেদা জিয়ার) অনুপস্থিতিতেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচার চলতে পারে কি না। আদালত আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারাই ঠিক করেন আদালতে মামলা পরিচালনা করবেন কি না। আর আসামি যদি আদালতে না আসেন তাহলে জামিন বৃদ্ধি করা ঠিক হবে কি না। এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, খালেদা জিয়া আদালতের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু তিনি অসুস্থ। তিনি আসার মতো অবস্থায় নেই।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এরপর তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য এক সপ্তাহ সময় আবেদন করেন। তখন আদালত বলেন, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য আগেই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আপনারা আইনি যুক্তি তুলে ধরবেন। এরপর আদালত খালেদা জিয়ার জামিন বৃদ্ধির আবেদন এবং তার অনুপস্থিতিতে মামলার কার্যক্রম চলতে পারে কি না, সে বিষয়ে আজ শুনানির দিন ধার্য করেন। একই সাথে এ মামলার আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানের জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেন।
এ দিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার অস্থায়ী পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালতের আদেশের আগে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বেগম খালেদা জিয়া গত ৫ সেপ্টেম্বর আদালতে বলেছেন তিনি গুরুতর অসুস্থ। এই আদালতে ন্যায়বিচার পাবেন না। এ জন্য তিনি হাজির হননি। তার শরীর ভালো না। সানাউল্লাহ মিয়া আদালতকে উদ্দেশ্য করে বলেন, খালেদা জিয়া কতটা অসুস্থ তা আপনার সামনে বলেছেন। ব্যাখ্যা করেছেন, তখন আমরা ছিলাম না। সিনিয়র আইনজীবীরা তার সাথে দেখা করেছেন। তারা দেখেছেন খালেদা জিয়া খুবই অসুস্থ। তারা দেখা করার পর বিএনপি মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দেখা করে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা এবং চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলেন। এরপর একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই কারাগারের আদালত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে, সময় দেন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কি তা জানি। তিনি বলেন, এ রকম কাস্টুডিতে আমরা মামলা করতে পারব না। মামলার শুনানিকালে আসামিকে লাগে, আসামি না থাকলে আমরা কি করব। তিনি আরো বলেন, এই আদালত আইন ও সংবিধান অনুযায়ী হয়নি। এ ব্যাপারে প্রধান বিচারপতির কাছে একটি আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে প্রধান বিচারপতির অনুমোদন ছাড়া এ আদালত বসানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে এখনো কিছু বলেননি।
সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, যে প্রক্রিয়ায় কারা অভ্যন্তরে আদালত গঠন করা হয়েছে, তা সঠিক হয়নি। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সিনিয়র আইনজীবীদের বক্তব্য শুনেছেন কিন্তু তিনি কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। ওই বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এক মাস শুনানি মুলতবি করুন।
কারাগারে আদালত সম্পর্কিত আবেদনে বলা হয়, আদালতে পরিবেশ নেই। এটি উন্মুক্ত আদালত না। এখানে স্বাভাবিক পরিবেশে বিচারসংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা প্রবেশ করতে পারেন না। এ ছাড়া খালেদা জিয়া অসুস্থ। কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করা হয়েছে। ওই রিটের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সার্বিক বিবেচনায় এক মাসের সময় চান তারা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য : রাষ্ট্রপরে আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতে বলেন, তারা বলছেন, কারাগারে এই আদালত সংবিধান ও আইনের পরিপন্থী। আবার এখানে তারা জামিন চাচ্ছে। তা হলে কিছু আইনের মধ্যে আর কিছু পরিপন্থী। তারা যা বলছে তা আষাঢ় মাসের গল্প। তারা এখানে এসে বলছে খোলা আদালত নয়। তারা বলতে পারে এসি লাগিয়ে দেন। বসার চেয়ার বৃদ্ধি করেন। আমরা তা হলে আদালতের কাছে আবেদন করব। রাষ্ট্রপরে আইনজীবী আরো বলেন, আসামি আদালতে আসতে অনিচ্ছুক, সাধারণ ক্ষেত্রে আসামি না আসতে চাইলে কারাকর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা করত। কিন্তু আসামি খালেদা জিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তার সম্মানের কথা বিবেচনা করে সেটা করা যাচ্ছে না। গত ৫ সেপ্টেম্বর তিনি এখানে এসেছেন। তার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি এই আদালতে না এলে, সহায়তা না করলে সামনে অন্য যেসব আসামি আছে তাদের নিয়ে বিচার করা হবে। তিনি বলেন, ওনাকে আনার মতো ভালো গাড়ি কারা কর্তৃপক্ষের নেই। এজন্য হুইল চেয়ারে করে আনা হবে। আমরা চাই তারা সহায়তা করুক। আদালতে না আসতে চাইলে আইন অনুযায়ী মামলার বিচার চলবে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে হাজির করার সুবিধার জন্যই এই আদালত বসানো হয়েছে। এখন আসামিপরে আইনজীবীরা আদালতকে অবৈধ বলছেন। আবার সেই আদালতেই জামিন বর্ধিত করার আবেদন করেছেন।
বেলা ১২টা ২২ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়ে সোয়া ১টা পর্যন্ত চলে। এর আগে বেলা ১০টায় খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া কারাগারে স্থাপিত আদালতে প্রবেশ করেন। বেলা ১০টা ৩৫ মিনিটে এ মামলার আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান আদালতে আসেন। তাদের সাথে তাদের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম ও আখতারুজ্জামান আদালতে আসেন। আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার বিচার ঘিরে আশপাশে তৈরি করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বলয়। কারাগারের চারপাশে অবস্থান নেন পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের বিপুল পুলিশ সদস্য। বেলা পোনে ১১টায় তিন দফা শরীর তল্লাশি করে মোবাইল ফোন জমা রেখে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশ করতে দেয়া হয়। সাংবাদিকরা প্রবেশ করার পর প্রথমে তাদের আদালত কক্ষের পাশের একটি রুমে অবস্থান করতে বলা হয়। পরে সাংবাদিকরা পিপি মোশাররফ হোসেন কাজলকে অনুরোধ করে আদালত কক্ষে অবস্থান করার অনুমতি নেন। বিচারক আদালতের খাস কামরায় আসেন বেলা ১১টায়। এরপর খালেদা জিয়ার জন্য অপো করতে থাকেন। কিন্তু তিনি না আসায় এর মধ্যে বেলা ১২টার পর বিচারক এজলাসে উঠে শুনানি শুরু করেন। বেলা ১২টা ২২ মিনিটে আদালত বসার আগে ১২ বাই ২৪ ফুটের আদালত কক্ষটি পুলিশ কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও আইনজীবীদের উপস্থিতিতে ভরে যায়। তবে সাংবাদিকরা আদালত কক্ষে দাঁড়ানোর সুযোগ পেলেও পুলিশ সদস্যরা তাদের ঘিরে রাখেন। এ সময় আদালত কক্ষে উপস্থিত সাংবাদিক ও অন্যরা ঘর্মাক্ত হয়ে যান।
শুনানির শুরুতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ১৫ বাই ২০ ফুটের এই সংকীর্ণ রুমে আইনজীবী, সাংবাদিক এবং পুলিশ কর্মকর্তারা বসতে পারছেন না। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এটা কোনো পাবলিক কোর্ট নয়। খালেদা জিয়া অসুস্থ, তার হাত পা প্যারালাইজড হয়ে যাচ্ছে। তিনি যা আদালতে বলেছেন আমরা তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। তিনি খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন জানান।
স্যাঁতসেঁতে কক্ষে বিচারের পরিবেশ নেই : আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্নার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম শুনানিতে বলেন, আইন ও সংবিধান অনুযায়ী এটা কোনো উন্মুক্ত আদালত নয়। আর ১২ ফুট বাই ২৪ ফুটের এই কক্ষকে কোনোভাবে আদালত বলার সুযোগ নেই। আইনে উন্মুক্ত আদালতের কথা বলা হয়েছে। এখানে সাধারণের দূরের কথা আসামির আইনজীবী ও আত্মীয়স্বজনেরও প্রবেশের সুযোগ নেই। এই কক্ষটি গুহার মতো স্যাঁতসেঁতে এখানে বিচারের কোনো পরিবেশ নেই। সিনিয়র আইনজীবীরা এখানে এলে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমিনুল ইসলাম বলেন, এই আদালত সংবিধান ও আইন অনুযায়ী আইনসম্মত কোনো আদালত হয়নি। এ জন্য এখানে বিচারকাজ চলতে পারে না। এখানে বিচারকাজ না চালোনোর জন্য আমরা আবেদন জানাচ্ছি। তিনি বলেন, বকশিবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত আদালতে এ মামলার বিচারকার্য পরিচালনা করার জন্য আপনার নাম উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কিন্তু কারাগারের এই আদালতে বিচার করার জন্য যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে সেখানে আপনার নাম নেই। এ কারণে এখানে আপনি বিচারকাজ চালাতে পারেন না। তিনি বলেন, আমরা জুডিশিয়াল নথিতে দেখেছি, বকশিবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠের আদালতে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির কারণে এ মামলার শুনানি হয়নি। কিন্তু সেখানে কোথাও নেই নিরাপত্তার কারণে শুনানি হয়নি। আর এখানে কারারক্ষী ও পুলিশের অনুমতি ছাড়া প্রবেশের সুযোগ নেই। এখানে সর্বসাধারণের প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। এরপর আসামি মনিরুল ইসলাম খানের আইনজীবী আখতারুজ্জামান বলেন, মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কোনো কার্যকলাপ দেখতে পাচ্ছি না। কারাগারে আদালত বসানো সংবিধান ও মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থী।
আমিনুল ইসলাম আরো বলেন, পিপি সাহেব ভালো জানেন, এই গরমের মধ্যে সেন্সলেস হয়ে যাওয়ার অবস্থা। এই ছোট্ট রুমে আইনজীবী, সাংবাদিক পুলিশ সবার দাঁড়ানোর জায়গা নেই। গরমে সবাই ঘামতে ঘামতে অস্থির অবস্থায়।
আদালত থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমের কাছে মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, খালেদা জিয়া বর্তমানে কাস্টডিতে আছেন। কাস্টডিতে থাকা অবস্থায় তাকে আদালতে হাজির করার দায়িত্ব জেল কর্তৃপরে। জেল কর্তৃপ তাকে হাজির করবেন, মাননীয় আদালত তার বিচার করবেন। সে েেত্র খালেদা জিয়া যদি না আসেন, তিনি যদি অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, আমরা বলেছি, তার অনুপস্থিতিকে উপস্থিতি হিসেবে ধরে নিয়ে মামলার আইনগত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য।
অপর দিকে আদালত থেকে বেরিয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, খালেদা জিয়ার জামিন বাড়ানো বা তার অনুপস্থিতিতে মামলার কার্যক্রমের ব্যাপারে আমরা আজ আইনগত ব্যাখ্যা দিয়ে শুনানি করব।
গত ৫ সেপ্টেম্বর পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে অসুস্থ খালেদা জিয়াকে হুইল চেয়ারে করে আনা হয়। ওই দিন কারাগারের আদালতে খালেদা জিয়ার কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তবে ওই দিন বেগম খালেদা জিয়া আদালতে তার গুরুতর অসুস্থতার কথা তুলে ধরে বলেছিলেন, আমার শারীরিক অবস্থা ভালো না। আমার ফুলা পায়ে পুঁজ এসেছে। আপনাদের যা মনে চায় যত দিন ইচ্ছা সাজা দিতে পারেন, আমি অসুস্থ, এ অবস্থায় বারবার আসতে পারব না। আমার বাম হাত প্যারালাইজড, বাম পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা। এভাবে বসে থাকলে আমার পা ফুলে যাবে। ডাক্তারের রিপোর্ট দেখলে আপনারা বুঝবেন আমি কতটা অসুস্থ। ন্যায়বিচার এখানে হবে না। এখানে আমি ন্যায়বিচার পাবো না। সরকারের ইচ্ছায় এখানে বিচার হচ্ছে। আমার প্রতি অবিচার করা হচ্ছে।
গত ৪ সেপ্টেম্বর আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে বলা হয়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে যেখানে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রয়েছেন সেখানেই বসবে আদালত। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিরাপত্তার কারণে এই পদপে নেয়া হয়েছে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়। এ মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন এখনো শুরু হয়নি।
২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ বিচারক বাসুদেব রায় এ মামলার অভিযোগ গঠন করেন।

 


আরো সংবাদ

পরীক্ষার্থীকে উত্যক্ত করায় ছাত্রলীগ নেতার কারাদণ্ড তাড়াশে উৎকোচ ছাড়া মিলছেনা সেচ সংযোগ ডাকসু নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বিতরণ করছে ছাত্রদল আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের ব্যাপক গোলাগুলি, নিহত ২ আসামে মদপানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪, হাসপাতালে ভর্তি ২০০ টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইভান উইলিয়ামসের পদত্যাগ গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগে দুই সিনিয়র পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তার কোর্ট মার্শাল বেঙ্গালুরুর বিমান প্রদর্শনীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড : পুড়ে গেছে ১০০ গাড়ি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার হয়ে পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে কলেজছাত্র আটক পাকিস্তানি শিল্পীদের বাদ দিলে ভারত ছাড়বেন শাহরুখ! হজে প্রবাসী স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ ও ওমরায় প্রাক-নিবন্ধনের বিধান

সকল




Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme