২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বিএনপির প্রতীকী অনশন পালিত

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ দিতে হবে সামরিক বাহিনীকে

-

দলের চেয়ারপারসন কারাবন্দী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং সরকারের পদত্যাগ ছাড়া দেশে নির্বাচন হতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিএনপি। গতকাল বুধবার রাজধানীতে দুই ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে দলটির নেতারা এই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন আর এ দেশে হবে না এবং বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেই বিএনপি আগামী নির্বাচন করবে। সেইসাথে আইনি প্রক্রিয়ায় সম্ভব না হলে রাজপথের কঠোর আন্দোলনে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে বলে নেতারা জানান। এ দিকে বিএনপির অনশন ভাঙার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। মামলা প্রত্যাহার এবং নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি সামরিক বাহিনীর হাতে দিতে হবে।
খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির উদ্যোগে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের সামনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই প্রতীকী অনশন পালিত হয়। এতে ঢাকা মহানগর বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। সারা দেশে মহানগর ও জেলা সদরে একযোগে এই প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালিত হয়। দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদের পরিচালনায় অনশনে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, জয়নুল আবদিন ফারুক, মিজানুর রহমান মিনু, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শিরিন সুলতানা, নাজিমউদ্দিন আলম, ঢাকা মহানগর দেিণর কাজী আবুল বাশার, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসাইন, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাসসহ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতারা বক্তব্য রাখেন। প্রতীকী অনশনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মিয়া গোলাম পরওয়ার, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, কল্যাণ পার্টির সাহিদুর রহমান তামান্না। এ ছাড়া অনশনে বিএনপি নেতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, বরকতউল্লাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, নিতাই রায় চৌধুরী, রেহানা আক্তার রানু, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিমসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠন এবং পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনশন পালন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তার সাথে অনশন করেন দলের সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেনসহ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের বাইরে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য মোতায়েন করা হয়। অনশনে সভাপতির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকে সারা দেশের জনগণ ও বিভিন্ন দলের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, আগামী নির্বাচন নিরপে ও অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। আজকে আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো বলছে, বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে হবে। আমরা বলতে চাই, দেশনেত্রী ও বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না এবং এ ধরনের নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে অত্যন্ত অসুস্থ। অবিলম্বে তাকে তার পছন্দমতো বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানাই। একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় আনা যায় না। তাই তার আশু সুস্থতা প্রয়োজন, তার সুচিকিৎসা প্রয়োজন। তাকে হাসপাতালে নিন।
তিনি বলেন, আজকে গণতন্ত্র আওয়ামী লীগের বাক্সে বন্দী। দেশের জনগণ, বিএনপি, ২০ দল, তার বাইরেও অনেক রাজনৈতিক দল সবাই একমত হয়েছে যে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। সে জন্য প্রথমে প্রয়োজন গণতন্ত্রের মুক্তি। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র মুক্ত হবে না। সরকার একটি অবৈধ ও মিথ্যা মামলায় তাকে কারাগারে নিয়েছে। আমরা অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করছি।
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্দলীয় নিরপে সরকারের দাবি তুলে ধরে মোশাররফ হোসেন বলেন, সারা দেশের মানুষ একমত হয়েছে যে, আগামী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে, তফসিল ঘোষণার আগে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে, নির্বাচনকালীন নিরপে সরকার গঠন করতে হবে, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে, নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। দেশের জনগণ ও সব দল যারা এই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তাদের সবাইকে জাতীয় ঐক্যে একত্র হয়ে আগামী দিনে আন্দোলনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘গায়েবি’ মামলা দায়ের ও নির্যাতনে ােভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা সরকারকে বলতে চাই, আপনাদের সময় শেষ। পুলিশ বাহিনীকে বলছিÑ এভাবে গণগ্রেফতার করে নির্যাতন চালাবেন না। আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আপনারা আওয়ামী লীগের কর্মকর্তা-কর্মচারী নন। আমি আহবান জানাব, দেশের আইন বিভাগ থেকে শুরু করে, বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন আপনারা আওয়ামী লীগের নির্দেশিত পথে আর নির্যাতন করবেন না। এসব বন্ধ করুন। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে কাজ করুন, দলীয় হিসেবে কাজ করবেন না।
আন্দোলনের প্রস্তুতির আহবান জানিয়ে মওদুদ আহমদ বলেন, উচ্চতর আদালত জামিন দেয়ার পরও নি¤œ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটরা সরকারের ইন্ধনে সরকারের প্রভাবে বেগম খালেদা জিয়ার জামিন বিলম্বিত করেছেন। বিষয়টি স্পষ্ট সরকার চায় না বেগম খালেদা জিয়া জামিনে মুক্তি পাক। আইনি প্রক্রিয়ায় তার মুক্তি আর সম্ভবপর নয় বলে আমি মনে করি। তার মুক্তির একমাত্র উপায় রাজপথ। এই রাজপথের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আনতে হবে। আমাদের যে আন্দোলন চলছে এই আন্দোলন বেগবান হবে, এই আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে যাবে যেদিন এই সরকারের পতন আসবে। এমন কর্মসূচি দেয়া হবে যেই কর্মসূচির মাধ্যমে এই সরকারের নৌকা পানিতে ভেসে যাবে। আর আছে মাত্র মাসখানেক সময়। এ সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে হবে যাতে আন্দোলন সফল না করে বাড়ি ফিরতে না হয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, প্রত্যেকটি থানায় হাজার হাজার কর্মীর বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দেয়া হয়েছে। ভয়ে কম্পমান এই সরকার। এত অত্যাচারের পরও বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘরে বসে থাকেনি এবং থাকবে না। আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব ইনশাআল্লাহ। তাকে নিয়েই আমরা নির্বাচনে যাবো।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের দলের মধ্যে যদি কেউ মনে করে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, আমাদের মাঝে যদি কেউ আড়ালে নির্বাচনে যাওয়ার চেষ্টা করে তাদেরকে ঘরের মধ্যে জবাব দেয়ার জন্য আপনারা সজাগ থাকবেন। বিগত দিনে ১/১১তে যারা বেঈমানী করেছিল তারা হয়তো অনেকেই ভালো। কিন্তু নতুন করে যদি আবার বেঈমানী করতে চায়, তাদের সমুচিত জবাব দেবেন রাজপথে নেমে। শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিশ্চিত করে বাংলাদেশে নির্বাচন হবে, তার আগে কোনো নির্বাচন হবে না, জনগণ কোনো নির্বাচন করতে দেবে না।
ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, গণতন্ত্র আজ ভূলুণ্ঠিত। যে গণতন্ত্র ১৯৭১ সালে মুিক্তযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জনগণ তাদের সীমাহীন ত্যাগ তিতিার মধ্য দিয়ে যে গণতন্ত্র এনেছিল, সেই গণতন্ত্র আজকে নির্মূল হয়ে গেছে। সেই গণতন্ত্রকে উদ্ধার করার জন্য আগামী নির্বাচন হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদপে। নির্বাচন অর্থপূর্ণ করতে হলে, প্রথমেই এই সংসদ ভেঙে দিতে হবে। বিভিন্নভাবে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে ৭৮ হাজার মামলা করা হয়েছে। ২০ লাখ লোক এই মামলায় জড়িত। তাদের মুক্তি দিতে হবে।
তিনি বলেন, এ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়া। যিনি জেলখানায় থেকে আরো বেশি শক্তিশালী হয়েছেন, আরো বেশি জনপ্রিয় হয়েছেন, তার মুক্তি অত্যন্ত জরুরি। সাথে সাথে যারা গ্রেফতার হয়েছেন তাদেরও মুক্ত করতে হবে। নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য সব থেকে বেশি প্রয়োজন হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের হাতে দিতে হবে। যেন তারা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
তিনি বলেন, এই সময়ের মধ্যে আমরা অনেক কিছু হারিয়েছি। আমরা আইনের শাসন ও অধিকার হারিয়েছি, আমাদের নিরাপত্তাবোধ সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়েছে। এসব আমরা ফেরত পেতে চাই। খালেদা জিয়ার মুক্তির মাধ্যমে, সেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার যেন হয়। পরে তিনি গণ-অনশনরত বিএনপি নেতাদের পানি পান করিয়ে প্রতীকী অনশন ভঙ্গ করান।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ওপর বর্বরোচিত অত্যাচার করা হচ্ছে। আদালত তাকে জামিন দিলেও সরকার তাকে কারাগার থেকে বের হতে দিচ্ছে না। আমরা বিএনপির এই অনশনে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে সরকারকে পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাইÑ দেশনেত্রীকে নিয়ে যত ষড়যন্ত্রই করুন না কেন তাকে ছাড়া দেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না। জনগণ হতে দেবে না। অতীতের মতো আগামী দিনের সব আন্দোলনেও জামায়াত ২০ দলীয় জোটের পাশে থাকবে বলে গোলাম পরওয়ার জানান।
ফরিদপুর সংবাদদাতা জানান, ফরিদপুর জেলা ও শহর বিএনপির উদ্যোগে প্রতিকী অনশন পালন আয়োজন করা হয়েছে। তবে পুলিশের বাধার মুখে প্রতিকী অনশন কর্মসূচি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
শহরের স্বাধীনতা চত্বরে শহর বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মিরাজ, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ কে কিবরিয়া স্বপন ও মহানগর যুবদলের সভাপতি বেনজির আহমেদ তাবরীজ।
কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান চৌধুরী রঞ্জন, জেলা বিএনপির পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, বিএনপি নেতা ওবায়দুল কাদের, মামুনুর রশীদ মামুন, যুবদল নেতা বিএম নাহিদ হোসেনসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশ নেন।
জাবি সংবাদদাতা জানান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম জাবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিমের সঞ্চালনায় গণ-অনশনে জাতীয়তাবাদী ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক সৈয়দ কামরুল আহসান টিটো বলেন, সরকার খালেদা জিয়াসহ জাতীয়তাবাদী শক্তিকে যেভাবে প্রতিহত করছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে তার জবাব এ দেশের জনগণ আগামী নির্বাচনে দেবে।
উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক কামরুল আহসান, অধ্যাপক শরিফ উদ্দিন, অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু প্রমুখ।
চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা জানান, চুয়াডাঙ্গায় গণ-অনশন পালন করেছে বিএনপি, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও জাসাস। বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপিত হাবিবুর রহমান সাদিদ, জাসাস নেতা সেলিমুল হাবিব স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সফিকুল ইসলাম পিটু, বিএনপি নেতা লিফটন, মাবুদ সরকার।
অপর দিকে জেলা বিএনপির যুগ্মআহ্বায়ক ওয়াহেদুজ্জামান বুলার নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে পৃথক কর্মসূচি পালন করা হয়।
লালমনিরহাট সংবাদদাতা জানান, লালমনিরহাটে অনশন পালন করছেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্য আসাদুল হাবিব দুলুর নেতৃত্বে এ কর্মসূচিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ভাষাসৈনিক আব্দুল কাদের ভাসানী।
নোয়াখালী সংবাদদাতা জানান, নোয়াখালীতে গণ-অনশন পালন করেছে বিএনপি। নোয়াখালী প্রেস কাব চত্বরে গণ-অনশনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন সেলিম। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দর বিএসসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা ছলিম উল্যাহ বাহার হিরন, আবু নাছের, শহীদুল ইসলাম কিরণ, শাহ জাফর উল্যাহ রাসেল, ভিপি জসিম, ওমর ফারুক টপি, যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি ভিপি ফজলে এলাহী পলাশ, আবু জাহের হারুন, মজিবুল হক, ছাত্রদলের জেলা সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু, সাধারণ সম্পাদক আবু হাছান নোমান প্রমুখ।
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, সুনামগঞ্জে জেলা বিএনপি শহরের পুরাতন বাসস্টেশনে প্রতীকী অনশন পালন করে। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুল হক আছপিয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি কলিমউদ্দিন আহমদ মিলন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওয়াকিফুর রহমান গিলমান, আকবর আলী, আনিসুল হক, আবুল কালাম প্রমুখ।
সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রতীকী অনশন করেছেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন সরকার সভাপতি আব্দুল গফুর সরকারকে জুস খাইয়ে প্রতীকী অনশন ভাঙেন। বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, সাধারণ সম্পাদক সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য ও পৌরমেয়র আমজাদ হোসেন সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর জিয়াউল হক জিয়া এবং শাহীন আকতার শাহীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রওনক জাহান রেনু, গজনাফর আলী মিন্টু, এম এ পারভেজ লিটন, শেখ বাবলু, আবিদ হোসেন লাড্ডান, মো: দুলাল হোসেন প্রমুখ।
বরগুনা সংবাদদাতা জানান, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন হয়েছে। জেলা বিএনপি সহসভাপতি এ জেড এম সালেহ ফারুকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আ: হালিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: মঈনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: হুমায়ূন হাসান শাহীন, মো: শফিকুজ্জামান মাহফুজ, জাফরুল হাসান জাফর ভেন্ডার, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল ইসলাম জুয়েল, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি গোলাম হায়দার হাদি, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি আবুল বাশার রিয়াজ, জেলা তরুণ দলের সভাপতি মনিরুজ্জামান মিন্টু প্রমুখ।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: শাহাদাত হোসেন বলেছেন, কারাগারে বেগম খালেদার জিয়ার বাম হাত ও পা প্রায় অবশ হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করানোর সুপারিশ করলেও সরকার তা অগ্রাহ্য করছে।
তিনি গতকাল বুধবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয় মাঠে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচিতে বিভিন্ন পেশাজীবী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যোগ দেন। অনশন শেষে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নেতৃবৃন্দকে জুস পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সামশুল আলম, নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান অনশন চলাকালে বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি এম এ আজিজ, মো: মিয়া ভোলা, হাজী মো: আলী, আশরাফ চৌধুরী, হারুন জামান, সৈয়দ আহামদ, মাহাবুব আলম, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, লায়ন কামাল উদ্দিন, ইকবাল চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার সরওয়ার, এস এম আবুল ফয়েজ, এম এ হান্নান, উপদেষ্টা জাহিদুল করিম কচি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, ইসকান্দর মির্জা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, গাজী মো: সিরাজ উল্লাহ, কোষাধ্য সৈয়দ সিহাব উদ্দিন আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, হাজী মো: তৈয়ব, বিএনপি নেতা সিহাব উদ্দিন মুবিন, কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, ফাতেমা বাদশা, শেখ নুর উল্লাহ বাহার, ইঞ্জিনিয়ার কে এম সুফিয়ান, শামছুল আলম(ডক), হাজী সালাহউদ্দিন, আবু জহুর, জহির আহামদ, হামিদ হোসেন, হাজী নুরুল আক্তার, ডা: এস এম সারওয়ার, দিদারুল আলম চৌধুরী ইব্রাহীম বাচ্চু, আবদুল নবী প্রিন্স, শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, জিয়াউদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবদুল বাতেন, মনজুর রহমান চৌধুরী, হাজী বাবুল হক, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মোশারফ হোসেন ডেপটি, কাউন্সিলর মো: আজম, আবদুল্লাহ আল হারুন, এ কে খান, আবদুল হালিম স্বপন, মো: সেলিম, রফিকুল ইসলাম, মো: ইদ্রিস আলী প্রমুখ।
বগুড়া অফিস জানায়, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম বলেছেন, সরকার আরো একটি পাতানো নির্বাচন চায়। যতই ষড়যন্ত্র করা হোক খালেদা জিয়া ছাড়া কোনো নির্বাচন এ দেশে আর হবে না। শহরের নবাব বাড়ী সড়কে প্রতীকী অনশনে আরো বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, লাভলী রহমান, আলী আজগর হেনা, রেজাউল করিম বাদশা, ফজলুল বারী বেলাল, সাবেক এমপি এ কে এম হাফিজুর রহমান ও মোস্তফা আলী মুকুল, অধ্যাপক ডাক্তার শাহ মো: শাহজাহান আলী, পরিমল চন্দ্র দাস, অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা পপন, সহিদ উন নবী সালাম, মীর শাহে আলম, শাহ মেহেদী হাসান হিমু, সিপার আল বখতিয়ার, খাদেমুল ইসলাম, সাইদুল কবির, মাহমুদ শরীফ মিঠু, নাজমা আক্তার, সুরাইয়া জেরিন রনি, লিটন শেখ বাঘা, মাজেদুর রহমান জুয়েল, আবু জাফর জেম্স প্রমুখ।
জামালপুর সংবাদদাতা জানান, জামালপুরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছে জেলা বিএনপি। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ্ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন, বিএনপি নেতা আনিছুর রহমান, শহিদুল হক খান, গোলাম রব্বানী, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, জেলা ওলামাদলের সভাপতি কাজী মশিউর রহমান, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান প্রমুখ।
রাজশাহী ব্যুরো জানায়, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেছেন, দেশ নিয়ে অনির্বাচিত এই সরকারকে আর ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না। নগরীর ভুবন মোহন পার্কে রাজশাহী মহানগর বিএনপি আয়োজিত প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন ও সাবেক এমপি আব্দুল গফুর। বক্তব্য দেন রাজপাড়া থানা বিএনপির সভাপতি শওকত আলী, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, মতিহার থানা বিএনপির সভাপতি আনসার আলী, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন, শাহ্ মখদুম থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন প্রমুখ।
রাজশাহী জেলা বিএনপি : এ দিকে একই দাবিতে গতকাল প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী জেলা বিএনপি। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মন্টুর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সৈয়দ শাহীন শওকত। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি নজরুল ইসলাম মণ্ডল, বিশ্বনাথ সরকার, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন, সামিউল ইসলাম মুন ও আলাউদ্দিন আলো, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মামুন অর রশিদ মামুন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন প্রমুখ।
ময়মনসিংহ ব্যুরো জানায়, ময়মনসিংহ শহরের নতুনবাজার দলীয় কার্যালয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে অনশন কর্মসূচি পালনকালে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দক্ষিণ জেলা সভাপতি সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ, যুগ্ম-সম্পাদক কাজী রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর মাহমুদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম মাহবুবুল আলম, শরাফ উদ্দিন কোহিনুর, কোষাধ্যক্ষ রতন আকন্দ, শ্রমিক দলের সভাপতি আবু সাঈদ, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট এম এ হান্নান খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। ময়মনসিংহের তারাকান্দায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনশন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার।
খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা জানান, খাগড়াছড়িতে অনশন কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অনশনে অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা না হলে খাগড়াছড়ি থেকে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহসভাপতি প্রবীণ চন্দ্র চাকমার সভাপতিত্বে অনশনে জেলা সহসভাপতি আবু ইউসুফ চৌধুরী, ত্রে মোহন রোয়াজা, কংচারী মারমা, অনিমেষ দেওয়ান নন্দিত, মোসলেম উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ চাকমা রিংকু, সম্পাদক সাংগঠনিক এম এন আবছার, আব্দুর রব রাজা, সম্পাদক খনি রঞ্জন ত্রিপুরা, জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মুফিজুর রহমান, দফতর সম্পাদক আবু তালেব, সমবায়বিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান নাছির আহমেদ চৌধুরী, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা কুহেলী দেওয়ান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা জানান, অনশন কর্মসূচি পালন করেছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি। শহরের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ প্রতীকী অনশন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফা, সিনিয়র সহসভাপতি সাইদুল হক সাদু, সহসভাপতি জিয়াউল হক শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নিলুফার ইয়াসমিন প্রমুখ।
খুলনা ব্যুরো জানায়, বিএনপির মহানগর ও জেলা শাখা পৃথকভাবে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করে।
মহানগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর শাখা আয়োজিত অনশন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন নগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় কর্মসূচিতে বক্তৃতা দেন কেসিসি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, মীর কায়সেদ আলী, মোল্লা আবুল কাশেম, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, ডা: সেখ আখতারুজ্জামান, ফখরুল আলম, রেহানা বেগম, সিরাজুল হক নান্নু, মহিবুজ্জামান কচি, মেহেদী হাসান দীপু, শফিকুল আলম মুহিন, আজিজুল হাসান দুলু, মুজিবর রহমান, ইকবাল হোসেন খোকন, সাদিকুর রহমান সবুজ, এহতেশামুল হক শাওন, শেখ সাদী, একরামুল হক হেলাল, কামরান হাসান, রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ। দুপুর ১২টায় নেতৃবৃন্দকে শরবত পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি এম নুরুল ইসলাম।
একই সময়ে অনশন পালন করে জেলা বিএনপি। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা। বক্তৃতা দেন আমীর এজাজ খান, খান জুলফিকার আলী জুলু, কামরুজ্জামান টুকু, চৌধুরী কওসার আলী, খান আলী মুনসুর, মেজবাউল আলম, সাইফুর রহমান মিন্টু, অ্যাডভোকেট মাসুম আল রশিদ, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, আব্দুর রকিব মল্লিক, এস এ রহমান বাবুল, মোস্তফা উল বারী লাভলু, অ্যাডভোকেট শহিদুল আলম, শামসুল আলম পিন্টু, মুর্শিদুর রহমান লিটন, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, শামীম কবির, তৈয়েবুর রহমান, উজ্জ্বল কুমার সাহা, আতাউর রহমান রনু, গোলাম মোস্তফা তুহিন, সরফরাজ হিরো, শেখ হাফিজুর রহমান, খায়রুল ইসলাম জনি ও মোল্লা সাইফুর রহমান।
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি শায়েস্তানগরের বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এই অনশন কর্মসূচি পালন করে। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সফিকুর রহমান ফারছু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু, মিজানুর রহমান চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ হাজী এনামুল হক, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস এম বজলুর রহমান, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসিম, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান কাজল, জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম নানু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সফিকুর রহমান সিতু প্রমুখ।
মাদারীপুর সংবাদদাতা জানান, মাদারীপুর প্রেস কাবের সামনে প্রতীকী অনশন করেছে জেলা বিএনপি। তবে পুলিশের বাধায় কর্মসূচি পালন করতে পারেননি দলের নেতাকর্মীরা। অনশন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহান্দার আলী জাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামিনুর হোসেন মিঠু, সহসভাপতি মজিবর হাওলাদার, বজলু হাওলাদার, যুবদলের সভাপতি মোফাজ্জেল হোসেন মফা, সাধারণ সম্পাদক ফারুক বেপারী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, ছাত্রদলের সভাপতি মো: শাহীন মৃধা, সাধারণ সম্পাদক নূর এ মস্তফা প্রমুখ। এ ছাড়াও কালকিনি, রাজৈর ও শিবচর উপজেলা বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল ব্যুরো জানায়, বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কর্মসূচি চলাকালীন অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট মো: মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন করতে হবে।
অনশন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মনিরুজ্জামান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) জিয়া উদ্দিন সিকদার, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম ফরিদ, সহসাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিণসহ মহানগর যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।
নাটোর সংবাদদাতা জানান, নাটোর জেলা অফিসে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতীকী অনশন পালন করেন। বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো: শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, নাটোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আমিনুল হক, থানা বিএনপির সভাপতি রহিম নেওয়াজ, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ডা: সুফিয়া হক, সাধারণ সম্পাদক হাসান আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: ফয়সাল আলম আবুল ব্যাপারী, জেলা যুবদলের সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: কামরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মো: সৃজান আলী।
গাজীপুর সংবাদদাতা জানান, গাজীপুরে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
গাজীপুর মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো: সোহরাব উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রতীকী কর্মসূচিতে বিএনপি নেতা আহমদ আলী রুশদী, মাহবুবুল আলম গোলাপ, মঞ্জুর মোর্শেদ প্রিন্স, আশরাফ হোসেন টুলু, সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, বশির আহমেদ বাচ্চু, হুমায়ন কবির রাজু, জয়নাল আবেদীন তালুকদার, প্রফেসর নজরুল ইসলাম, আনোয়ারা বেগম, সৈয়দ আক্তারুজ্জামান, প্রভাষক বশির আহমেদ, গোলাম মোস্তফা, সাইফুল ইসলাম টুটুল, আব্দুর রহিম কালা, জিএস স্বপন, শরিফ আজাদ, ইদ্রিস খান, রাজু মাস্টার, অ্যাড. শহিদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 


আরো সংবাদ