১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা

হাইকোর্টের নির্দেশনা চেয়ে খালেদা জিয়ার রিটের শুনানি আজ

-

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেশের যেকোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনের ওপর নট টু ডে (শুনানি আজ নয়) আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। এর ফলে আবেদনটির ওপর আজ মঙ্গলবার শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
এর আগে শুনানির জন্য খালেদা জিয়ার আবেদনটি হাইকোর্ট বেঞ্চের সোমবারের কার্যতালিকায় ৬৫ নম্বরে রাখা হয়েছিল। তবে শুনানির প্রস্তুতির জন্য আরো সময় প্রয়োজন উল্লেখ করে হাইকোর্টের কাছে সময় আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এরপর আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে নট টু ডে আদেশ দেন।
রোববার দেশের বিশেষায়িত কোনো হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়। রিট আবেদনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করার নির্দেশনা এবং তার চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়। স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজি (প্রিজন), ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সাতজনকে রিটে বিবাদি করা হয়।
এ বিষয়ে রিটকারী আইনজীবী কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার পছন্দমতো কোনো হাসপাতালে সুচিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল দাবি করেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ। এ জন্য কারাগারে আদালত বসানো হয়েছে। এতে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে যে, খালেদা জিয়া অসুস্থ। খালেদা জিয়া নিজেও ৫ সেপ্টেম্বর আদালতে বলেছেন, তার হাত-পা প্যারালাইজড হয়ে যাচ্ছে। তিনি গুরুতর অসুস্থ। এ কারণে তার পছন্দমতো হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আমাকে রিট করার দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, রিটে বিশেষায়িত যেকোনো হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নির্দেশ এবং এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পরই আদালত থেকে তাকে রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই থেকে তিনি সেখানেই আছেন।


আরো সংবাদ