বেটা ভার্সন
চমৎকার একটি ম্যাচ দেখবে ফুটবল বিশ্ব

সৌদি আরব-রাশিয়া

-

এশিয়ার অন্যতম শক্তি হিসেবে কোয়ালিফাই করেছে সৌদি আরব। রাশিয়ার নামডাক তো আগে থেকেই। তাদের খেলোয়াড়েরা যে পর্যায়ে খেলে থাকে, সৌদি আরবের ফুটবলারদের সে পর্যায়ে যেতে আরো অপেক্ষা করতে হবে। ফুটবল বলে কথা। সবাই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়েই চূড়ান্ত পর্বের টিকিট কেটেছে। কাউকে ছোট করে দেখা যাবে না। উদ্বোধনী ম্যাচে ¯œায়ুচাপে ভুগবে সবাই। তার পরও চমৎকার একটি উদ্বোধনী ম্যাচ দেখবে ফুটবলবিশ্ব।
আর্জেন্টিনার রেফারি পিতানার বাঁশির অপেক্ষায় রয়েছে সারা বিশ্ব। রাশিয়ার আছে চৌকস ফিজিক ও স্বাগতিক সুবিধা। সৌদির আছে সমন্বয়। উদ্বোধনীতে এক জমজমাট লড়াই দেখবে ফুটবলপ্রেমীরা। মনে হচ্ছে হতাশ হবেন না কেউ। আবহাওয়া ও নিজস্ব ঘারানার সুবিধাটুকু আদায় করতে চাইবে রাশিয়া। ছেড়ে কথা বলবে না সৌদি আরবও। জার্মানির সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে শেষ ১৫ মিনিট যে খেলাটা খেলল সৌদি ফুটবলাররা, তেমনটি যদি খেলতে পারে তাহলে রাশিয়ার বিপদই হতে পারে। উভয় দলেই ব্যক্তি ও সমষ্টিগত প্রতিভা রয়েছে। তবে দুটি দলকেই শেষ ষোলোর জন্য কেউ বিবেচনায় নিচ্ছে না।
সৌদির ৮ নাম্বার জার্সিধারী ইয়াহিয়া আল শেরফি একজন চমৎকার প্লেয়ার। আর্জেন্টিনার যেমন মেসি, ব্রাজিলের যেমন নেইমার, পর্তুগালের যেমন রোনালদো, মিসরের যেমন সালাহÑ তেমনি সৌদির প্রাণভ্রোমরা ইয়াহিয়া। এশিয়া থেকে আগামীর সুপারস্টার হতে পারেন ইয়াহিয়া।
রাশিয়া অভিজ্ঞতায় এগিয়ে। তাদের বেশির ভাগ খেলোয়াড় ইউরোপের চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে খেলে। বিশেষ করে তাদের কিপার কাম অধিনায়ক আকিনফিভ অভিজ্ঞতায় এগিয়ে। রাশিয়ার সবচেয়ে ভাইটাল প্লেয়ার তাদের কিপার। আকিনফেভ জাতীয় দলের হয়ে শতাধিক ম্যাচ খেলায় তার কৌশলটাও থাকবে আলাদা। তাকে ভেদ করা সৌদি ফরোয়ার্ডের জন্য কঠিনই হবে। তাই নজরটা ওর দিকেই থাকছে। প্লেয়ার লিস্টে রাশিয়ার মাত্র দুজন স্ট্রাইকার। মিডফিল্ডার বেশি থাকায় মনে হচ্ছে উইং দিয়ে আক্রমণে যাবে।
এশিয়ার ফুটবল শক্তি কোরিয়া, জাপানের খেলাগুলো বোঝা যেত না, তারা কিভাবে খেলছে। জার্মানির বিপরীতে সৌদি সেটি পরিষ্কার করে দিলো। বিশেষ করে কাউন্টার অ্যাটাকে তারা ভিন্ন ধারা সৃষ্টি করেছে। সরাসরি কাউন্টার অ্যাটাকে না গিয়ে অপজিট দিক থেকে দ্রুতগতিতে কাউন্টারে যায়। তা ছাড়া তাদের টিম কম্বিনেশন খুবই চমৎকার। কোনো সেলফিশনেস নেই। জার্মানির বিপক্ষে দেখলাম তাদের অধিনায়ক যেটি বারে শট নিতে পারতেন, সেটি না করে আরো নিশ্চিত হওয়ার জন্য সতীর্থকে পাস দিয়ে দিলেন। এটিই তো ফুটবলের ব্যাকরণ। যেটি এবার দেখাতে পারে সৌদি আরব।

 


আরো সংবাদ