বেটা ভার্সন

বিএনপি ভারতে নালিশ করতে গিয়েছিল ওবায়দুল কাদের

-

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশ ও জনগণের রাজনীতি করে। আর বিএনপি করে নালিশ, অভিযোগ ও স্বার্থের রাজনীতি। আওয়ামী লীগ ভারত গিয়েছিল তিস্তা ও রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ জাতীয় সমস্যা নিয়ে কথা বলার জন্য। আর বিএনপি ভারত গেছে সাপোর্ট চাইতে ও নালিশ করতে। নির্বাচন ও রাজনীতি নিয়ে নালিশ ছাড়া জাতীয় স্বার্থ নিয়ে তারা কথা বলেছে, পত্রিকায় এমন খবর আমরা দেখিনি। বিএনপি দেশে এবং দেশের বাইরে সব জায়গায় শুধু নালিশ করে বেড়াচ্ছে।
গতকাল গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ভিজিলেন্স টিমের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে সাপোর্ট করত তাহলে আওয়ামী লীগই তা পেত। কারণ, আওয়ামী লীগের সাথে ভারতের সম্পর্ক ভালো। আর ভারতের সাপোর্টই যদি পেত তবে আওয়ামী লীগ ২০০১ সালের নির্বাচনে হেরে যেত না। তিনি বলেন, বিএনপি এখন নালিশ ছাড়া কিছু করতে পারে না। প্রত্যেকটি বিদেশী দূতাবাসকে রীতিমতো তটস্থ রেখেছে তারা। তবে নালিশ করে রেজাল্ট কী হবে জনগণ তা জানে। তাদের অনুরোধ করব, জনগণের আস্থা রাখার জন্য কাজ করুন, কথায় কথায় বিদেশীদের কাছে নালিশ বন্ধ করুন। এটি কোনো দলের দায়িত্বজ্ঞান হতে পারে না।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদের পরে জোটগুলোর সাথে বসে কে, কোথায় প্রার্থী দেবে তা ঠিক করা হবে। উইনেবল প্রার্থী ছাড়া কাউকে আমরা মনোনয়ন দেবো না। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের কৌশলগত কিছু বিষয় আছে, তাই এ বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তি ছড়াবেন না।
কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসাসেবা প্রসঙ্গে সেতুুমন্ত্রী বলেন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল-সিএমএইচ হচ্ছে দেশের সবচেয়ে ভালো হাসপাতাল। এর চেয়ে ভালো চিকিৎসা দেশের আর কোথায় আছে। তিনি একটা বড় দলের চেয়ারপারসন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী। যদি তিনি চিকিৎসা চান, তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সিএমএইচ’র বিষয়টা প্রত্যাখ্যান করা উচিত হবে না। আর যদি রাজনীতি করেন তাহলে ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, শুরু থেকেই বিএনপির নেতারা খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা বলে আসছে। বলছে, সরকার তার চিকিৎসার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে না। কিন্তু আপনারা দেখছেন, সরকার তাকে বিএসএমএমইউ ও সিএমএইচএতে চিকিৎসার কথা বলছে, তারা রাজি হচ্ছে না। খালেদা জিয়া যদি না চান তাহলে আমাদের কী করার আছে?


আরো সংবাদ