১৪ নভেম্বর ২০১৮

রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই রুটিন জীবনে ফিরবে ফুটবলপ্রেমীরা

বিশ্বকাপ
বিশ্বকাপের ফাইনালে রেফারি থাকবেন আর্জেন্টিনার নেস্তোর পিতানা - সংগৃহীত

রাশিয়া বিশ্বকাপের শেষ বাঁশি বাজাটা এখন সময়ের ব্যাপার। ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে পর্দা নামবে রাশিয়ায় আয়োজিত ২০১৮ ফুটবল বিশ্বকাপের।

বিশ্বকাপের আগে থেকেই মস্কোর রেড স্কয়ারে চালু হয়েছিলো তথ্য কেন্দ্র।

শুধু যে তথ্য কেন্দ্র তা নয় এগুলো, এখানে হাসিমুখে বরণ করে নিয়ে রাশিয়ায় বিদেশী পর্যটক ও ফুটবল ভক্তদের প্রতিনিয়ত আশ্বস্ত করা হয়, যে আপনারা নিরাপদে আছেন।

এখানকার একজন স্বেচ্ছাসেবক ক্রিস্টিনা। তিনি বলেন, রাশিয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভিন্ন মিথ আছে, এই বিশ্বকাপে সেটা ভেঙেছে, রাশিয়া উন্মুক্ত দেশ।

তার মতে, এখানকার আবহ মানুষ পছন্দ করেছে। সবাই উৎসব করেছে। অনেক মানুষ ও সংস্কৃতির সাথে যোগাযোগ হয়েছে।

এটা অনেক উপকারি। রাশিয়াকে তুলে ধরাই আসল, কারণ রাশিয়া নিয়ে সবার মধ্যে যে ধারণা সেটা সত্য নয়।

লিয়া ইসাকোভা নামের এক রাশিয়ানকে প্রশ্ন করা হয়, কিভাবে রাশিয়া এই উৎসবের রঙ ধারণ করে।

তিনি বলেন, মূল চ্যালেঞ্জ ছিল রাশিয়া একটি বন্ধুবৎসল দেশ এটা জানানো। এখানকার পরিবেশ বদলে গেছে, অনেক দেশের মানুষ এসেছে।

"আমরা এই পরিবেশ খুব মিস করবো, পুরো মাস জুড়ে আনন্দ উৎসব হল। এবার রুটিন জীবনে ফিরতে হবে।"

আয়োজক দেশের প্রশংসা করেছেন ভক্তরাও। আর্জেন্টিনা থেকে এসেছেন, আলবার্তো পায়েস।

তিনি বলেন, "মস্কো অনেক বড় ও সুন্দর শহর। ফিফা ও রাশিয়া দারুণ একটি আসর করলো।"

তবে শেষ উপলক্ষে রাশিয়ানদের চেয়ে একটু বেশি উৎসব ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ান লোকজনের মধ্যে।

ইভানা ও আনতে, এই জুটি ক্রোয়েশিয়া থেকে শুক্রবার মস্কো এসেছেন। জাগরেব থেকে ভিয়েনা হয়ে মস্কো এসে টিকিট খুঁজছেন তারা। নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকেট।

আনতে বলেন, ক্রোয়েশিয়ার প্রথম ফাইনাল এটি। আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত পার করছি। এমনও হতে পারে এটাই শেষ ফাইনাল তাই আমি এই সময়টা উপভোগ করতে চাই।

ইভানার মতে, এই সফরের পরেও তারা ক্লান্ত নন। মস্কোতে থাকবেন মঙ্গলবার পর্যন্ত।

ফরাসি সমর্থকরা ২০ বছরের মধ্যে তৃতীয়বার ফাইনালে ওঠার আনন্দে উদ্বেল।

আন্দ্রিয়েস তুলস নামের এক সমর্থক জোর গলায় বলেন, আমাদের দলটাই এবার সেরা। এই দলকে হারানো কঠিন হবে অনেক।

দেখুন:

আরো সংবাদ