১২ নভেম্বর ২০১৮

রাতে 'গোল্ডেন বুটের' জমজমাট লড়াই

বিশ্বকাপ
'গোল্ডেন বুটের' লড়াইয়ে নামবে লুকাকু ও হ্যারি কেন - সংগৃহীত

তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচ। এক অর্থে একেবারেই গুরুত্বহীন খেলা। সেমিফাইনালে হেরে বিদায়ের পর এই ম্যাচ স্রেফই নিয়মরক্ষার। একই সাথে নিজস্ব কিছু অর্জনের। মনের ইচ্ছের বিপক্ষেই মাঠে নামতে হয় ফুটবলারদের। অতীতে দেখা গেছে, এই ধরনের ম্যাচে কোচরা তাদের রিজার্ভ বেঞ্চের ফুটবলারদের সুযোগ দেয়। তা তাদেরকে বিশ্বকাপের প্রকৃত স্বাদ নেয়ার জন্য। তবে আজকের ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম ম্যাচে অন্য গুরুত্ব দুই দলের দুই ফুটবলার হ্যারি কেন এবং বেলজিয়ামের রোমেলো লুকাকুর জন্য। সেন্ট পিটার্সবার্গের এই ম্যাচ তাদের মধ্যে গোল্ডন বুটের লড়াইও।

ছয় ম্যাচে ছয় গোল দিয়ে এই রেসে বেশ এগিয়ে ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেন। চার গোল দিয়েই এর পরে আছেন বেলজিয়ামের লুকাকু। আজ লুকাকু কোনো গোলের দেখা না পেলে বা একটি গোল করলেও আপাতত টেনশন মুক্ত থাকবেন হ্যারি কেন। তখন তাকে তাকিয়ে থাকতে হবে আগামীকালের ফাইনলের দিকে। যদি সেখানে অপ্রত্যাশিত কিছু না করে বসেন গ্রিজম্যান বা এমবাপে। তিনটি করে গোলের মালিক তারা।

আজ এই ম্যাচে লড়াই ছাড়াও থাকছে প্রতিশোধ মিশন। গ্রুপ পর্বে এই বেলজিয়ামের কাছে ১-০তে হেরেছিল ইংর‌্যান্ড। যা তাদের গ্রুপ সেরা হতে দেয়নি। সুতরাং আজ জিতে সেই প্রতিশোধই নিতে চাইবে ইংলিশরা। একই সাথে ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে সেরা রেজাল্ট করার মিশনও তাদের।

রাশিয়া বিশ্বকাপে হ্যারি কেন তার ছয় গোলের তিনটিই করেছেন পেনাল্টি থেকে। হেডে গোল করেছেন একটি। বক্সের ভেতর থেকে তার নেয়া শট জালে গেছে দুইবার।

অন্য দিকে লুকাকুর চার গোলের তিনটিই বক্সের ভেতর থেকে নেয়া শটে। হেডে গোল পেয়েছেন একবার। হ্যারি কেনের তিন পেনাল্টির দুটি এসেছে দুর্বল পানাম বিপক্ষে। এই ম্যাচে তিনি করেন হ্যাটট্রিক। এছাড়া আরেক দুর্বল দল তিউনিসিয়ার বিপক্ষে পেয়েছেন আরো দুই গোল। সেখানও তার এক গোল পেনাল্টি থেকে। তার ৬ষ্ঠ গোল কলম্বিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডের বিপক্ষে। অর্থাৎ শক্তিশালী কোনো দলের বিপক্ষে তিনি পাননি গোলের দেখা। বেলজিয়ামের বিপক্ষে গ্রুপ ম্যাচে, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সেমিতে এবং কোর্য়াটারে সুইডেনের বিপক্ষেও তিনি গোল শূন্য। সুতরাং আজ কি তিনি গোল পাবেন? যদি পান তাহলে তার দখলেই যাবে গোল্ডেন বুট।

লুকাকুর চার গোলের দুটি তিউনিসিয়ার বিপক্ষে, অপর দুটি পানামার বিপক্ষে। দুই দলই দুর্বল। অর্থাৎ তিনিও গোলশূন্য শক্তিশালী দলের বিপক্ষে। সেখানে গ্রিজম্যান ও এমবাপের গোল বড় দল আর্জেন্টিনার বিপক্ষে।

দেখুন:

আরো সংবাদ