২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

তর সইছেনা ফরাসীদের

-

আবার ফাইনালে ফ্রান্স। ১৯৯৮ সালে নিজ মাঠে। ২০০৬ সালে জার্মানীতে । এবং এবার রাশিয়ায়। ১৫ জুলাই মস্কোর লুজনিকি স্টেডিয়ামে তারা এবার করতে চায় শিরোপার উৎসব। যা তারা হাতছাড়া করেছিল ২০০৬ এ। সেবার ইতালী তাদের পরাজিত করেছিল ফাইনালে। এবার ফ্রান্স একে একে সব ভালো দলকে পরাজয়ের স্বাদ দিয়ে এখন শেষ দুই এ। দ্বিতীয় বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফিতে হাত ছোঁয়াতে এখন তাদের জিততে হবে ফাইনালে। গত পরশু এবারের আসরের অন্যতম সেরা দল বেলজিয়ামকে হারানোর পর ফাইনাল জিততে যেন আর তর সইছে না ফরাসী ফুটবলারদের। সেমি ফাইনাল শেষে মিক্সড জোনে তাদের সব ফুটবলারের শরীরের ভাষা এবং মুখের বাক্য ব্যয়ে ফুটে উঠেছে তা।

সেমি ফাইনালে গোল পাননি গ্রিজম্যান। তবে তার নেয়া কর্নার কিক থেকেই ফ্রান্সের বেলজিয়াম বধের উৎসব। স্পেনের অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদে খেলা এই ফরোয়ার্ডের মতে, ‘এখন আমাদের উৎসবের সময়। ফাইনাল জিতে আমরা পুনরায় বিশ্বসেরা হতে চাই। এই স্বপ্ন পূরনে আর মাত্র এক ম্যাচ বাকী।’ এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দুই গোল করেছেন গ্রিজম্যান। দলকে ফাইনাল পর্যন্ত টেনে আনার নেপথ্য নায়ক তিনি। তার সামনে সুযোগ রাশিয়া বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডন বল জেতার। অবশ্য গোল্ডেন বল জেতা নিয়ে ভাবেছেননা । তার মতে, ‘আমার কাছে দলের সাফল্যই মূখ্য।’ ফ্রান্স ডিফেন্সিভ খেলেছে, বেলজিয়ামের এই অভিযোগ প্রসঙ্গে গ্রিজম্যানের জবাব, কে কি বলেছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। আমরা এখন ফাইনালের প্রতিপক্ষ এটাই বড় বিষয়।

মিড ফিল্ডার পল পগবার মতে, আমরা এখন রবিবারের ম্যাচ নিয়ে ভাবছি। যদি সেদিন হেরে যাই তাহলে তা হবে ২০০৬ সালের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি। এবার তা হতে দিতে চাইনা। এরপর সেমি ফাইনাল নিয়ে বলেন, বেশ কঠিন ম্যাচ ছিল বেলজিয়ামের সাথে। আমরা সেরা ম্যাচ উপহার দিয়েই জয় ছিনিয়ে নিয়েছি।

উপরে এম্বাপে, গ্রিজম্যান, মাঝমাঠে পগবা, নগোলো কেন্টে। । আর পোষ্টের নীচে আস্থার প্রতীক অধিনায়ক হুগো লরিচ। বেলজিয়ামের বেশ কয়েকটি গোলের বাধাপ্রাপ্ত হয় তার কারনে। ম্যাচ শেষে উৎফুল্ল এই গোলরক্ষকের বক্তব্য, চমৎকার এক মুহুর্ত পার করছি আমরা। দারুন এক জয় পেয়েছি বেলজিয়ামের বিপক্ষে। এই অর্জনে আমরা খুব খুশী। এখন অপেক্ষা শুধু ফাইনাল ম্যাচের।

এই জয়ে কোচ দিদিয়ের দেশামের অবদানের কথাও উল্লেখ করতে ভুলেননি তিনি। জানান, ‘এই জয় কোচের কৌশলেরই ফসল।’ এরপরই লরিচ বললেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আমি বলেছিলাম এবার রাশিয়ায় ভালো কিছু করবে ফ্রান্স। তা আমরা করে দেখিয়েছি। আর এই পর্যন্ত আসার পেছনে আমাদের রক্ষনকর্মীদেরও অবদান কম নয়। বেলজিয়ামের বিপক্ষেও দূর্ভেদ্য ছিল তারা। যেমনটা করেছিল উরুগুয়ের বিপক্ষে।


আরো সংবাদ