১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

যে কোনো সময় শুরু হয়ে যেতে পারে মার্কিন-রুশ পরমাণু যুদ্ধ

পোল্যান্ডে স্থাপিত মার্কিন অ্যান্টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র - ছবি : সংগৃহীত

নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে। এর জেরে যে কোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে দুই দেশের। রাশিয়ার একজন উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা সম্প্রতি এ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

রাশিয়ার ওই শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা বলেন, রুশ সীমান্তের কাছে আমেরিকা যে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে, তার কারণে আশঙ্কা করা হচ্ছে, দেশটি রাশিয়ার ওপর আকস্মিকভাবে পরমাণু হামলা চালাতে পারে। তার মতে, এ অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র হামলার আগে নিজের প্রতিরক্ষা ব্যুহ তৈরির চেষ্টা করছে।

রাশিয়ার জেনারেল স্টাফের মেইন অপারেশন ডিপার্টমেন্টের ফার্স্ট ডেপুটি চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভিক্টর পোজনিখির মস্কোয় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক এক সম্মেলনে এমন আশঙ্কার কথা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আমেরিকা পরমাণু হামলা চালালে জবাবে রাশিয়া যদি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তাহলে সেসব ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার জন্য আমেরিকা রুশ সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যুহ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। এসব তৎপরতা থেকে বোঝা যাচ্ছে, রাশিয়ার ওপর মার্কিন পরমাণু হামলার আশঙ্কা অনেক বেশি জোরালো হয়েছে।

মার্কিনীদের মিত্র দেশগুলোর প্রতি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে জেনারেল পোজনিখির আরো বলেন, মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের সুযোগ দিচ্ছে যে সব দেশ, সম্ভাব্য যুদ্ধে তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হবে রাশিয়ার প্রধান টার্গেট।

এছাড়া, পরমাণু যুদ্ধে হলে এসব দেশের ওপর পরমাণু ওয়ারহেডবাহী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস বা বিস্ফোরিত হবে, যা থেকে মারাত্মক রকমের তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়বে। তাই এ সব দেশ ওই যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

রাশিয়া এ পরিস্থিতিতে এ ধরনের সুযোগ করে দেয়া থেকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে সরে যাওয়ার কথা বলছে। একই সাথে তারা যুক্তরাষ্ট্রকেও এ ধরনের যুদ্ধের রাস্তা থেকে সরে আসারও আহ্বান জানায় রাশিয়া।


আরো সংবাদ




hacklink Paykwik Paykasa
Paykwik