১৭ নভেম্বর ২০১৮

রাশিয়ার নতুন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘টোর-এম২’

রাশিয়ার নতুন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘টোর-এম২’ - সংগৃহীত

সিরিয়ার হেমেইমিম বিমানঘাঁটিতে রাশিয়ার নতুন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ‘টোর-এম২’ মডেলের এ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে হেমেইমিম বিমানঘাঁটিতে। এ ঘাঁটিতে রাশিয়ার বেশকিছু যুদ্ধবিমান রয়েছে।

সিরিয়ার ওপর মার্কিন সরকার ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে বলে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করার পর রাশিয়ার এ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেখানে নেয়া হলো।

সম্প্রতি রাশিয়ার কয়েকটি সামরিক পরিবহন বিমান সিরিয়ায় গেছে। এসব বিমানে করে টোর-এম২ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সিরিয়ায় নেয়া হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, সামরিক পরিবহন বিমানে করে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে যা আকাশে শত্রুর যেকোনো গোপন লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে এবং সিরিয়ার ওপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে সক্ষম।

চীনকে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দিলো রাশিয়া
স্পুটনিক নিউজ ও প্রেস টিভি, ২৯ জুলাই ২০১৮

প্রথমবারের মতো রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা এস-৪০০ মিসাইল প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেয়েছে চীন। এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সব সরঞ্জাম বেইজিংকে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই প্রতিরক্ষাসামগ্রী দ্রুত পরীক্ষা করে দেখতে চায় বেইজিং। এই বছরের জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের প্রথম দিকে এই পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা চলছে। 

রাশিয়ার তৈরি ট্রায়াম্ফ নামে পরিচিত এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাটি সহজে বহনযোগ্য। এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থাটি ২৫০ কিলোমিটার উঁচুতে থাকা উড়োজাহাজ, ক্রুজ অথবা ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম। ২০১৫ সালের এপ্রিলে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে এই ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রেতা হয়েছিল চীন। ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তি অনুযায়ী গত সপ্তাহে চীন প্রথম চালানের সরবরাহ পায়। চলতি বছরের শেষ নাগাদ দ্বিতীয় চালান চীনে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাশিয়ায় প্রশিক্ষণ নেয়া চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) দলটি চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের প্রথম দিকে নিজেদের মাটিতে ওই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখার পরিকল্পনা করছে। পিপলস লিবারেশন আর্মির বহরে কবে নাগাদ এস-৪০০ যুক্ত হবে তা পরিষ্কার নয়। তবে দ্রুত আমদানি ও পরীক্ষার ঘোষণায় প্রমাণ হয় শিগগিরই তা চীনের অস্ত্রাগারে যুক্ত করার আশা করা হচ্ছে।


আরো সংবাদ