১৮ নভেম্বর ২০১৮

শুভ জন্মদিন কনকচাঁপা

-

আজ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণী সঙ্গীতশিল্পী কনকচাঁপার জন্মদিন। তবে জন্মদিনকে ঘিরে তিনি কখনোই কোনো বিশেষ আয়োজন করেন না। পৃথিবীতে আগমনের এই দিনে তিনি সবসময়ই পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে দিনটি অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের মতোই অতিবাহিত করেন। তাই যথারীতি এবারের জন্মদিনেও কনকচাঁপার জন্মদিনকে ঘিরে নেই তেমন কোনো বিশেষ আয়োজন। আজকের দিনে পুরোটা তিনি পুরোটা সময়ই পরিবারের সঙ্গেই কাটাবেন। কনকচাঁপা বলেন, ‘জন্মদিনে আমি নিজে কখনোই কোনো বিশেষ আয়োজন করি না। তবে মাঝে মাঝে আমার স্কুুলের শিক্ষার্থীরা, ভক্তরা বিশেষ আয়োজন করেও ফেলে। তাতে অংশ নিতে হয়। কিন্তু এবার আর তেমন কিছু করাই হচ্ছে না। কিছুটা পারিবারিক ব্যস্ততা আছে। যে কারণে কোনো আয়োজনেই এবার সাড়া দিতে পারছি না। যেহেতু এই সুন্দর একটি দিনে পৃথিবীতে আমার জন্ম হয়েছে। আল্লাহর রহমতে সুন্দর একটি জীবন হয়েছে আমার। সুস্থ সুন্দরভাবে বেঁচে আছি, তাই মহান আল্লাহর কাছে সবসময়ই আমি শুকরিয়া করি। আগামী দিনগুলোতেও যেন এভাবে বেঁচে থাকতে পারি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে।’ কনকচাঁপা জানান, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর যশোহরে একটি স্টেজ শোতে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন তিনি। কনকচাঁপার একক অ্যালবাম ‘পদ্মপুকুর’ যার সুর-সঙ্গীতায়োজন করেছেন মইনুল ইসলাম খান। আলাউদ্দিন আলীর সুরে ‘বিধাতা’ চলচ্চিত্রে গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে একজন প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কনকচাঁপার যাত্রা শুরু হয়। এরপর দ্বিলীপ বিশ্বাসের ‘অস্বীকার’সহ আরো বেশ কিছু চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করেন। কিন্তু বেশ কিছুটা সময় পর সালমান শাহ-শাবনূরের প্রথম চলচ্চিত্র ‘তুমি আমার’-এ আবু তাহেরের সুরে ‘দেখা না হলে একদিন, কথা না হলে একদিন’ ও ‘তুমি আমার ভালোবাসার গান ’ এই দু’টি গানে আগুন ও শেখ ইশতিয়াকের সঙ্গে কনকচাঁপা তার গায়কীর শৈল্পিকরূপ দিয়ে এ দেশের গানপাগল মানুষের মাঝে আলোড়ন সুষ্টি করেন। এই দু’টি গানই কনকচাঁপার জীবনে নতুন এক অধ্যায়ের রচনা করে। ১৯৯৪ সালের পর থেকে ২০০৫-২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যতগুলো সিনেমা হয়েছে প্রায় সব ছবিতেই ছিল কনকচাঁপার কণ্ঠের গান। বিশেষ করে শাবনূরের ছবি মানেই ছিল কনকচাঁপার গান। শাবনূরের কণ্ঠের সাথে কনকচাঁপার কণ্ঠের অনেকটা সাদৃশ্যতার কারণেই সে সময় কনকচাঁপাকে দিনে চার-পাঁচটি গানও রেকর্ড করতে হয়েছে। ২০১৬ সালে কনকচাঁপার প্রথম একক চিত্রপ্রদর্শনী ‘দ্বিধার দোলাচল’ও সবার মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছিল। একজন লেখক হিসেবে সবার মাঝে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ২০১০ সালে অনন্যা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘স্থবির যাযাবর’ বইটি প্রকাশের মধ্য দিয়ে। এরপর আরো তিনটি বই তিনি পাঠককে উপহার দেন। সে তিনটি বই হচ্ছে ‘মুখোমুখি যোদ্ধা’, ‘মেঘের ডানায় চড়ে’ ও ‘কাটা ঘুড়ি’।


আরো সংবাদ