২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অবশেষে রুনার নিমন্ত্রণে

-

দীর্ঘ দিনের ইচ্ছেটা যেন অপূরণীয়ই রয়ে যাচ্ছিল বহুমাত্রিক চরিত্রে অভিনয়ে প্রতিষ্ঠিত জনিপ্রয় অভিনেত্রী রুনা খানের। স্বামী এবং একমাত্র মেয়ে রাজেশ্বরীকে নিয়ে বেশ কিছু দিন হলো ফার্মগেটের খামারবাড়ি সড়কে নতুন বাসায় উঠেছেন । সে খবর তার প্রিয় সহকর্মীরাও জানেন। রুনার নতুন বাসায় ওঠাকে স্বাগত জানিয়েছেন তার অনেক সহকর্মী। কিন্তু প্রিয় সহকর্মীদের সাথে নিয়ে তার নতুন বাসায় আড্ডা দেয়া, গল্প করা এবং সবাইকে একসাথে নিয়ে খাওয়াদাওয়া করা যেন হয়েই উঠছিল না। কারণ সবাইকে একসাথে পাওয়াটাও যেন কঠিন হয়ে পড়ছিল। অবশেষে সবার সেই সমন্বিত সময় যেন ভাগ্যে জুটল রুনা খানের। রুনা খানের নিমন্ত্রণে ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর তার বাসায় উপস্থিত হন রুনারই প্রিয় সহকর্মীরা। যেহেতু রিচি সোলায়মান দেশের বাইরে থাকেন এবং তিনি চলেও যাবেন শিগগিরই, তাই তার চলে যাওয়ার আগেই রুনা দিনটি নির্ধারিত করেন। রুনার নিমন্ত্রণে রুনার বাসায় যারা আগ্রহ নিয়ে উপস্থিত হন তারা হচ্ছেন ডলি জহুর, শহীদুজ্জামান সেলিম, রোজী সেলিম, সাবেরী আলম, তানভীন সুইটি, করভী মিজান, বিজরী বরকত উল্যাহ-ইন্তেখাব দিনার, জয়া আহসান, শারমিন শিলা, ফারজানা চুমকি, সজল, দীপা খন্দকার, রিচি সোলায়মান-রাসেক মালিক, তাহমিনা সুলতানা মৌ, অপি করিম, রুমানা, জিতু আহসান দম্পতি, সকাল আহমেদ দম্পতি, জেনি-তানভীর মৌসুমী নাগ, তুষ্টি, বাঁধন, ভাবনা, চয়নিকা চৌধুরী, রহমতুল্লাহ তুহিন ও মনিরা মিঠু। রুনা খান বলেন, ‘আমরা সবাই যে একই পরিবারের তা নতুন করে আবারো প্রমাণিত হলো।
আমার নিমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সবাই যে এসেছিলেন তাতেই সন্তুষ্ট আমি।


আমি, আমার স্বামী সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেইসাথে আমার একমাত্র মেয়ে রাজেশ্বরীর জন্য দোয়া চাই যেন তাকে মানুষের মতো মানুষ করতে পারি।’ রুনা জানান সেদিনের সেই আড্ডা এতোটাই জমে উঠেছিলো যে পরেরদিন কাজ না থাকলেও গভীর রাত পর্যন্ত সেই আড্ডা চলতো। কিন্তু অনেকেরই পরেরদিন শুটিং থাকায় নির্ধারিত সময় পর্যন্ত থেকেই বাসায় ফিরে যেতে হয়।

 


আরো সংবাদ