film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নানামুখী চাপে শঙ্কায় স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থীরা

শঙ্কার মধ্যে আছেন স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থীরা। বিশেষ করে সরকারি দল আওয়ামী লীগের যেসব স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করতে পারবেন কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। এদিকে এসব প্রার্থী নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার দলীয় নেতাকর্মীরাও আছেন বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে। অনেক এলাকায় দলীয়ভাবে এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে যাদের বিরদ্ধে নানা অভিযোগ আছে। তাদের চেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যোগ্য হলেও স্থানীয় নেতাকর্মীদের পদ-পদবী টিকিয়ে রাখতে বিতর্কিত লোকের পক্ষেই কাজ করতে হচ্ছে।

বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ক্লিন ইমেজের। এলাকায় তাদের সুনাম আছে। কিন্তু তারপরেও নানা সমীকরণে তারা দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এসব প্রার্থী মাঠে থাকায় সাধারণ ভোটারদের অনেকেই ক্লিন ইমেজের ওই প্রার্থীকে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মাঠে তাদের তোড়জোড় না থাকলেও নীরব ভোটে তারা অনেক এগিয়ে আছেন। তবে দলীয় হাইকমান্ডের ধারণা, স্থানীয় নেতাকর্মীরা মুখে যে কথাই বলুক না কেন, ভোটের দিন দলসমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীকেই তারা ভোট দেবে। প্রচারণার মাঠেও তারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষেই প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে সোচ্চার থাকবেন।

দলের মুষ্টিমেয় নেতাকর্মী বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে থাকলেও তা দলীয় প্রার্থীর বিজয়ে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বলে মনে করেন তারা। দলীয় হাইকমান্ডের ওই ধারণা সত্ত্বেও কোনো কোনো এলাকায় স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থীর হয়ে কাজ করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। দক্ষিণের এক মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী নয়া দিগন্তকে বলেন, তার এলাকার দলীয় নেতাকর্মীরা তার পক্ষেই আছেন। দলীয় এক প্রার্থীর এপিএসসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় সম্প্রতি মামলা হয়েছে। বঙ্গবাজারে তারা ত্রাণের কম্বল লুটের চেষ্টা চালালে ওই মামলা হয়। এর বাইরেও তাদের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ আছে। যে কারণে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে দলীয় মহিলা প্রার্থীর পক্ষে স্থানীয় নেতাকর্মীরা নেই।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মামুন রশিদ শুভ্রর পক্ষে মিছিল ও জনসংযোগ করছেন। তারা তার পক্ষে ভোটারদের ঘরে ঘরে গিয়ে লাটিম মার্কায় ভোট চাইছেন। ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা এসব টিমের নেতৃত্বে আছেন। শুভ্র নিজেও ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন। বেশকিছু টিমের অগ্রভাগে আওয়ামী লীগের নেতারাও রয়েছেন। তাদের কয়েকজন বলেছেন, শুভ্রর ক্লিন ইমেজ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই।

অপর দিকে দলীয় প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম আশরাফ তালুকদারের পক্ষে প্রচারণায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের তেমন কাউকে দেখা গেল না। নেতাকর্মীদের কেউ কেউ বলেছেন, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের সাবেক উপতথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মামুন রশিদ শুভ্রকে দলীয় সমর্থন দেয়া হয়েছিল প্রথমে। পরে তা প্রত্যাহার করে বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম আশরাফ তালুকদারকে সমর্থন দেয়া হয়। অথচ তার বিরুদ্ধে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি থাকাকালে নিয়োগ ও ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ আছে। এ নিয়ে স্থানীয় ভোটারদের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও নানা প্রশ্ন আছে। সুষ্ঠু ভোট হলে মামুন রশিদ শুভ্র বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে আশা তার সমর্থকদের।

আবার কোনো কোনো এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রাস্তায়ই নামতে পারছেন না। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করতে পারবেন কি না তা নিয়ে শঙ্কিত তারা। গত ১১ জানুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থী। এ হামলার জন্য জহিরুল ইসলাম ওয়ার্ডের দলীয় প্রার্থী ও তার সমর্থকদের দায়ী করেন। জহিরুলের এক সমর্থক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওই ঘটনার পর থেকেই তারা আশঙ্কার মধ্যে আছেন। এদিকে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষ থেকেও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা চাপের মধ্যে আছেন বলে অভিযোগ আছে। মনোনয়নপত্র জমা দেয়া থেকে শুরু করে নানা চাপ সহ্য করতে হচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের। তাদের দাবি, কাউন্সিলর পদে তারা উন্মুক্তভাবে নির্বাচন করতে চান। এখানে দলীয় কোনো প্রভাব থাকবে না। তা হলেই বোঝা যাবে দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে তিনি জনপ্রিয় না বিদ্রোহী প্রার্থী জনপ্রিয়।


আরো সংবাদ