২২ জুলাই ২০১৯

রংপুর বিভাগের অধিকাংশ কেন্দ্রই দখল, ৪ জন গুলিবিদ্ধ

-

রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের ১২৫৯২টি কেন্দ্রের অধিকাংশেই কেন্দ্র দখল করে সিল মেরেছে মহাজোট প্রার্থীরা। এমন অভিযোগ এনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ, স্বতন্ত্র ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের একক প্রার্থীরা ভোট বর্জন করেছেন। ভোট কারচুপির প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন চারজন।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মাজেদুল ইসলাম সরকার বেলা ১২টার দিকে নিজ বাড়ীতে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনের জাতীয় পার্টির একক প্রার্থী এস এম ফখর-উজ-জামান দুপুর পৌণে একটার দিকে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

সোয়া একটার দিকে ভোট বর্জন করেন রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা।

রংপুর-৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শাহ সোলায়মান আলম ফকির সোয়া ৩টার দিকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

এছাড়া রংপুর-২ আসনে জাতীয় পার্টির আসাদুজ্জামান চৌধুরী সাবলু ও রংপুর-৩ আসনে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের আমিরুজ্জামান পিয়াল।

এদিকে নৌকা প্রতীকের ব্যালটসহ জনতার হাতে ধরা পড়েছেন আওয়ামী লীগের দুই নেতা। রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনে বদরগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান টুটুল চৌধুরী কালীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে সিল মারা এক বস্তা ব্যালট নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকতে গেলে জনতার হাতে আটক হন। পরে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এছাড়া রংপুর-৪ (পীরগাছাড়া-কাউনিয়া) আসনের দেউতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও তার পুত্র জয় নৌকায় সিল মারা ব্যালট নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকতে চাইলে জনতার হাতে আটক হন।

রংপুর-২ আসনের কালজানী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুলিশের গুলিতে তিনজন ও গাইবান্ধা-১ আসনের উত্তর পরান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুলিশের গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।


আরো সংবাদ




gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi