২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সার্টিফায়েড কপি পেতে ইসিতে বিক্ষোভ

সার্টিফায়েড কপি পেতে ইসিতে বিক্ষোভ - নয়া দিগন্ত

আপিল করে প্রার্থিতা ফেরত পাওয়া অথবা প্রত্যাখ্যাত হবার পরও রায়ের সার্টিফায়েড কপি না পেয়ে ইসিতে বিক্ষোভ করেছেন প্রার্থীরা। তাদের অভিযোগ, প্রথম দিনের শুনানীতে বৈধ ও খারিজ হওয়া কাউকেই ইসি থেকে রায়ের সার্টিফাইড কপি দেয়া নিয়ে টালবাহানা করছে। হিরো আলম জানান, আমার কপিও দিচ্ছে না।

তাদের অভিযোগ, কপি পেতে সচিব বরাবর আবেদন করতে বলা হলো। সেটা করলাম। সকাল ১০টায় আসতে বললো, আসলাম। পরে বলে বিকেল তিনটায়। এখন সন্ধ্যা হলো তাদের কোনো খবর নেই। আমরা কিভাবে উচ্চ আদালতে যাবো। হাতে তো সময় কম।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁয়ে নির্বাচন ভবনে বৈধ প্রার্থীর পাশাপাশি আপীল নামঞ্জুর হওয়া ব্যক্তিরাও বিক্ষোভ-হট্টগোল করেন। এর আগে তারা ইসির আইন শাখায় বার বার যোগাযোগ করেও রায়ের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আইন শাখা থেকে কপি তো দূরের কথা কবে দেয়া হবে তারও তথ্য পাননি তারা।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, তারা আপিল করলে শুনানি করে নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু রায়ের সার্টিফায়েড কপি দেয়া হচ্ছে না। এতে দলের চূড়ান্ত নমিশনেশন না পাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

শুনানি শুরুর আগের দিন গত মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছিলেন, শুনানির পরপরই আমরা রায়ে সার্টিফায়েড কপি দিয়ে দেবো।
ভূক্তভোগিরা বলছেন, সচিব সেদিন নিজেই একথা বলার পর, এখন আমাদের ভোগান্তির মধ্যে ফেলা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. এরশাদ উল্লাহ। তফসিল ঘোষণার পূর্বেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার কারণ দেখিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিন্তু সেই অ্যাকাউন্টে অন্য কোনো লেনদেন না করায় আপিলে নির্বাচন কমিশনে তার প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি এম হামেশ রাজু দু’দিন থেকে ঘোরাঘুরি করছেন। কিন্তু রায়ের সার্টিফায়েড কপি পাচ্ছেন না বলেন অভিযোগ তার। তিনি বলেন, আমরা আপিল বৈধতা পেয়েছি। কিন্তু রায়ের সার্টিফায়েড কপি না দেওয়ার কারণে আমরা শঙ্কায় রয়েছি। কেননা, এটা পার্টি অফিসে না দিতে পারলে তো চূড়ান্ত মনোনয়ন পাবো না। নির্বাচন কমিশন বুধবার জানিয়েছিল বৃহস্পতিবার সকালে দেবে। কিন্তু এখনো দিচ্ছে না। তাই আমরা বিক্ষোভ করছি।
জাতীয় পার্টির মাদারীপুর-১ আসনের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম মিন্টু। তার প্রার্থীতা বাতিল হয়েছিল হলফনামায় একটি স্বাক্ষর না করায়। নির্বাচন কমিশন শুনানি করে মনোনয়নপত্র ফিরিয়ে দিয়েছে।কিন্তু সকালে বলল নামাজের পর দেবে, নামাজের পর বলল বিকেলে দেবে। এখন বলছে যার যার জেলা-উপজেলা থেকে সংগ্রহ করতে। সময় আছে মাত্র দু’দিন। এ সময়ের মধ্যে এলাকায় গিয়ে সংগ্রহ করে আবার ঢাকায় পার্টি অফিসে জমা দেওয়ার সময় কোথায় পাবো। কেননা, দলগুলো ৯ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ইসিকে জানাবে।

এক্ষেত্রে যদি কোনো কারণে স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছতে দেরি হয়, তাহলে তো জমাই দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেন নড়াইল-২ আসনের জেএসডি প্রার্থী ফকির শওকত আলী। তিনি বলেন, এই গড়িমড়ির কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারি।

বগুড়া-৬ আসনের হিরো আলমের আপীল নামঞ্জুর হয়েছে। তিনি উচ্চ আদালতে যাবেন। কিন্তু পাচ্ছেন না সার্টিফাইড কপি।

আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ। আর ভোটগ্রহণ ৩০ ডিসেম্বর।


আরো সংবাদ




Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme