১৬ নভেম্বর ২০১৮

লিটন ও সাদিক বিজয়ী 

লিটন ও সাদিক - ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা দু’টিতে বিজয়ী ও অপর একটিতে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ের পথে রয়েছেন। দুই সিটিতে বিএনপির প্রার্থীদের অবস্থান ছিল দ্বিতীয় স্থানে। 


রাজশাহীতে লিটন জয়ী
রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে ১৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে সব ক’টির ফলাফল পাওয়া গেছে। আওয়ামী লীগের এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের প্রাপ্ত ভোট হচ্ছেÑ এক লাখ ৬৫ হাজার ৯৬। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের প্রাপ্ত ভোট ৭৭ হাজার ৭০০।বরিশালেও আ’লীগের প্রার্থী বিজয়ী
বরিশাল সিটি নির্বাচনে এক লাখ সাত হাজার ৩৫৩ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের সাদিক আবদুল্লাহ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার প্রাপ্ত ভোট ১৩ হাজার ১৩৫। এখানে ১৫টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত এবং একটি কেন্দ্রে নানা অনিয়মের কারণে রিটার্নিং অফিসার ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দিয়েছেন।
আরিফ জয়ের পথে
সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী মেয়র পদে এগিয়ে আছেন। সোমবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে সিসিকের ১৩২টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো: আলীমুজ্জামান।
তিনি জানান, নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে আরিফ পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। নৌকা প্রতীকে কামরান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান চার হাজার ৬২৬।
আলীমুজ্জামান আরো জানান, সিসিকের মোট ১৩৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩২টিতে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। তবে, বাকি দুই কেন্দ্র স্থগিত করা হয়। স্থগিতকৃত ওই দুই ভোটকেন্দ্রে ভোটের সংখ্যা চার হাজার ৭৮৭।


স্থগিতকৃত ওই দুই কেন্দ্রে নির্বাচন হলে কামরান যদি সব ভোট পান, তবে তিনি আরিফের চেয়ে ১৬১ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হবেন। আর যদি আরিফ স্থগিতকৃত ওই দুই কেন্দ্র থেকে আরো ১৬২ ভোট পেয়ে যান, তবে তিনিই বিজয়ী হবেন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ঢাকায় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা।
নির্বাচন কর্মকর্তা মো: আলীমুজ্জামান জানান, সিসিক নির্বাচনে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ১০ হাজার ৯৫৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন খান দুই হাজার ১৯৫ ভোট, সিপিবি-বাসদের প্রার্থী আবু জাফর ৯০০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী এহসানুল হক তাহের ২৯২ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বিএনপি নেতা বদরুজ্জামান সেলিম ৫৮২ ভোট পেয়েছেন।


সোমবার নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে ভোট গ্রহণ। অসংখ্য কেন্দ্রে পাওয়া যায় অনিয়মের খবর। অনেক স্থানে সঙ্ঘাত সংঘর্ষ হয়। আহত হয়েছেন অর্ধশত। হাজার হাজার জাল ভোট প্রদান করা হয়। সিলেটের ইতিহাসে যা ছিল নজিরবিহীন। ভোট গ্রহণ চলাকালে সংবাদ সম্মেলন করে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ আনেন আরিফুল হক।


আরো সংবাদ