১৯ এপ্রিল ২০১৯

বিজয় সুনিশ্চিত : কামরান

নির্বাচন
বদর উদ্দীন আহমেদ কামরান - ছবি : আর্কাইভ

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদর উদ্দীন আহমেদ কামরান।
সকাল ৯টার দিকে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি।

ভোদ দান শেষে নৌকার প্রার্থী কামরান জানান, ‘নগরীর কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে। নৌকার পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তাতে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত।’

কেন্দ্র দখল বা ভোটের পরিবেশ নিয়ে বিনপির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কামরান বলেন, ‘জণগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে আসছে। ইনশাআল্লাহ আমি জয়ী হবো।’

আরো পড়ুন :
রাতেই নৌকার পক্ষে সিল মেরে বাক্স ভরে রাখা হয়েছে: আরিফুল হক চৌধুরী
মঈন উদ্দিন খান, সিলেট থেকে
প্রয়োজনে মৃত্যুকে বরণ করে নেবেন তবু নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে কাউকে জায়গা করে দেবেন না বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।

আজ সকালে রায়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাংবাদিকদের কাছে এক প্রতিক্রিয়ায় আরিফুল হক একথা বলেন। এর আগে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে এই কেন্দ্রে নিজের ভোট দেন তিনি।

এসময় বিএনপির এই মেয়র প্রার্থী অভিযোগ করেন যে, নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের এমসি কলেজ কেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে রোববার (২৯ জুলাই) রাতেই নৌকার প্রার্থীর পক্ষে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরে রাখা হয়েছে।

শত প্রতিকূলতার মধ্যে যদি জনগণ ভোট দিতে পারে তাহলে তিনি বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কোনো অবস্থাতেই সিলেটের ভোটের মাঠ অস্থিতিশীল হতে দেবো না।’

সিলেটের মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসছেন উল্লেখ করে এই মেয়র প্রার্থী বলেন, ‘তারা যেন নিজের ভোট নিজে দিতে পারে সেটি প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।’

রাজশাহী ও বরিশালের সঙ্গে সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

শান্ত সিলেটে ভয়াবহ শঙ্কা
মঈন উদ্দিন খান ও এনামুল হক জুবের, সিলেট থেকে
পক্ষকালব্যাপী প্রচার-প্রচারণা, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের উত্তাপ শেষে সিলেট সিটিতে ভোটগ্রহণ আজ। দৃশ্যত শান্ত সিলেটে এখন কেবল ভোট নিয়ে শঙ্কা। ভোট উৎসব, না নীরব ‘নয় ছয়’, তা নিয়েই সাধারণ ভোটারদের যত উদ্বেগ। ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।

২৬ দশমিক ৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ছোট্ট সিটি করপোরেশন ছেয়ে ফেলা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে। ভোট সুষ্ঠু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আলীমুজ্জামান ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। অন্য দিকে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী সুষ্ঠু ভোট হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

তফসিল ঘোষণার পর থেকে গতকাল ভোটের আগের দিন পর্যন্ত সিলেট সিটিতে ছয়টি মামলায় বিএনপির ৪৭৮ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। গত ছয় দিনে মামলা হয়েছে চারটি। এসব মামলার আসামিরা কেউ কেউ জামিন নিয়ে এসে নির্বাচনী মাঠে আছেন। অনেকে গ্রেফতার এড়িয়ে চলছেন। পুলিশের নজরদারিও অব্যাহত আছে। গ্রেফতার হয়রানির কারণে বিএনপির এজেন্টরা কেন্দ্রে থাকতে পারবেন কি না তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এসব মামলা আজ অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগানো হতে পারে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সিলেট সিটি নির্বাচনে সাতজন মেয়রপ্রার্থী হলেও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো: বদরুজ্জামান সেলিম নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। বাকি ছয়জন মেয়রপ্রার্থী মাঠে রয়েছেন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের বদরউদ্দিন আহমদ কামরান ও বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী। এ ছাড়া জামায়াতের প্রার্থী এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রথমবার প্রার্থী হয়ে আলোচনায় আছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ভোট হলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। দলীয় প্রতীকে ভোট হলেও সাধারণ ভোটারদের কাছে এবার ব্যক্তি ইমেজই মূল বিবেচনায় আছে। বিশেষ করে নতুন ও নারী ভোটাররা ব্যক্তি দেখে ভোট দেবেন। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত স্বভাব-চরিত্র, পারিবারিক বিষয়াদি, জনপ্রতিনিধি হিসেবে অতীতের কর্মকাণ্ড ইত্যাদি বিষয় ভোটাররা মূল্যায়ন করছেন।

শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, সিলেটে এবারের নির্বাচনে যেসব ঘটনা ঘটেছে তার সাথে তারা পরিচিত নন। প্রত্যেক প্রার্থী নিজ নিজ প্রচার কাজ চালাবেন। ভোটারদের কাছে নিজের প্রতিশ্রুতি ও বক্তব্য তুলে ধরবেন। সেসব দেখে জনগণ ভোট দেবেন। কিন্তু এবার ধরপাকড়, তল্লাশি, বাসাবাড়িতে হানা দেয়া, হুমকি-ধমকি, হামলাসহ যেকোনো ঘটনায় বিরোধী পক্ষের শীর্ষ নেতা ও এজেন্ট দেখে মামলার আসামি করার ঘটনা সিলেটের মানুষ আগে কখনো দেখেননি। আওয়ামী লীগের একটি অংশ মনে করছে, যেহেতু সিলেটের জনগণ রাজনৈতিক সম্প্রীতি প্রত্যাশা করেন। তাই নেতিবাচক ঘটনা যদি জনগণ সিরিয়াসলি নেন, তাহলে জয়ের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

আর বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ দু’টি। একটি হচ্ছে কেন্দ্রে এজেন্ট বসিয়ে রাখা, আরেকটি ভোটারদের কেন্দ্রে হাজির করা।

ভোটের লড়াইয়ে ১৯৫ প্রার্থী :
সিলেট সিটি করপোরেশনে আজকের নির্বাচনে মেয়র, সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে মোট ১৯৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এর মধ্যে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান নৌকা প্রতীক, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও নগর জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের টেবিল ঘড়ি প্রতীক, বাসদ মনোনীত প্রার্থী আবু জাফর মই প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রফেসর ডা: মোয়াজ্জেম হোসেন খান হাতপাখা প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এহছানুল হক তাহের হরিণ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সংরক্ষিত আসনের ৯টি ওয়ার্ডে ৬২ জন ও ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ১২৭ প্রার্থী।

সিলেট সিটি নির্বাচনে সাতজন মেয়রপ্রার্থী হলেও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো: বদরুজ্জামান সেলিম নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। বাকি ছয়জন মেয়র প্রার্থী মাঠে রয়েছেন।

এ সিটিতে মোট ভোটার তিন লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭১ হাজার ৪৪৪ এবং নারী ভোটার এক লাখ ৫০ হাজার ২৮৮ জন।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al