২৩ এপ্রিল ২০১৯

আরিফুলের অভিযোগ আমলে নিলেন না রিটার্নিং কর্মকর্তা

নির্বাচন
আরিফুল হক - ছবি : আর্কাইভ

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হকের অভিযোগ আমলে নিলেন না রিটার্নিং কর্মকর্তা।

আজ রোববার সকাল ১১টার পরে বেশ কিছু লিখিত অভিযোগ নিয়ে নগরীর সোবহানীঘাটে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসেন আরিফ।

এরপরেই এক সংবাদ সম্মেলনে রিটার্নিং কর্মকর্তা আলীমুজ্জামান বলেন, ‘আরিফুলের অভিযোগ- নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোট ডাকাতির প্রস্তুতিও চলছে। তবে আমি মনে করি এসবের কোনো সত্যতা নেই।’

‘ভোটের পরিবেশ শান্ত রয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে তাদের। আশা করছি আগামীকালের নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না’, যোগ করেন আলিমুজ্জামান।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, নগরীতে নিরাপত্তার জন্য তিন হাজার ৫০০ পুলিশ, দুই হাজার ৪০০ আনসার, ৩২০ জন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এবং ১৬ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়া ২৬ দশমিক ৫ বর্গকিলোমিটার নির্বাচনী এলাকায় ৩০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

সিলেট সিটি নির্বাচনে মোট তিন লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন ভোটারের মধ্যে ৭১ হাজার ৪৪৪ জন পুরুষ এবং এক লাখ ৫০ হাজার ২৮৮ জন নারী ভোটার ভোট দেবেন। মোট ১৩৪টি কেন্দ্রে ভোটকক্ষের সংখ্যা রয়েছে ৯২৬টি। যার মধ্যে ৩৪টি অস্থায়ী ভোটকক্ষ রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ঝুঁকিপূর্ণ না বললেও ৮০টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্ণিত করা হয়েছে।

আরো পড়ুন :
নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করতে ঢাকা থেকে ১৩৯ পুলিশকে সিলেটে আনা হয়েছে : আরিফুল হক
মঈন উদ্দিন খান, সিলেট থেকে
সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আমাদের দলের নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য ডিএমপি (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ) থেকে ১৩৯ জন পুলিশকে সিলেটে নিয়ে আসা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘পবিত্র এই মাটিতে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করলে এই নগরের মানুষ তা মেনে নেবে না।’

শনিবার রাত ১১টায় সিলেট নগরীর কাজিটুলা এলাকায় বিএনপির প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আগামীকাল সোমবার সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে মামলা ও গ্রেফতারের শঙ্কায় রয়েছে বিএনপি।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার করে ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায়। আমাদের দলের নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য ডিএমপি (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ) থেকে ১৩৯ জন পুলিশকে সিলেটে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের এই স্বপ্ন কোনোভাবেই পূরণ হবে না।

তিনি বলেন, ‘আমার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাককে পুলিশ নগরের মীরবক্সটুলা এলাকা থেকে প্রচারণা চালানোর সময় সাজানো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে এসব বিষয়ে একাধিকবার অভিযোগ দিয়েও লাভ হয়নি। সিলেটে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের নৈতিক দায়িত্ব পালন করছে না।’

আরিফ বলেন, ‘আমার সঙ্গে যে অন্যায় করা হচ্ছে, আমি এর বিচার ভোটারদের কাছে দিয়ে দিলাম। সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, শান্তিপূর্ণ এই নগরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা যেন না করা হয়।’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্র থেকে রেজাল্ট ঘোষণা না করা পর্যন্ত তোমরা কেন্দ্র ছাড়বে না।’


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat