১৬ নভেম্বর ২০১৯

আন্দোলনের ইতি টানলেও ক্লাসে ফিরবে না বুয়েট শিক্ষার্থীরা

গণমাধ্যমের সাথে কথা বলছেন বুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একজন - ছবি : আবদুল্লাহ আল বাপ্পী

বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় অভিযুক্তদের স্থায়ী বহিষ্কারাদেশ না আসা পর্যন্ত কোনো ধরনের একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন না আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তবে মাঠপর্যায়ের আন্দোলনের ইতি টেনেছেন তারা। মঙ্গলবার বিকেলে বুয়েট ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার চত্ত্ব‌রে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারীরা জানান, আবরার হত্যাকাণ্ডে প্রশাসন যে ব্যবস্থা নিচ্ছে তাতে তারা সন্তুষ্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তবে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগে তারা কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন না বলে ঘোষণা দেন। আন্দোলনকারীরা বলেন, খুনিদের সাথে একই ক্যাম্পাস তারা শেয়ার করতে চান না। আপাতত আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ালেও আবরার হত্যার বিচার প্রক্রিয়ায কোনো ধরনের বাধাগ্রস্ত হলে প্রয়োজনে তারা আবার মাঠে ফিরবেন বলে ঘোষণা দেন।

আবরার ফাহাদের খুনিদের বিচারসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন করছিলেন শিক্ষার্থীরা। ভর্তি পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে আন্দোলন দুদিনের জন্য শিথিল করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।

প্রসঙ্গত, ভারতের সাথে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় খুন হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ভারতের সাথে চুক্তির বিরোধিতা করে গত ৫ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ।

এর জেরে পরদিন ৬ অক্টোবর রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ইতিমধ্যে পুলিশ ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছেন। ১৩ জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন, অনীক সরকার, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, ইফতি মোশারেফ, বুয়েট ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রবিন, গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে মুন্না, ছাত্রলীগের সদস্য মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম ওরফে তানভীর, মোহাজিদুর রহমানকে, শামসুল আরেফিন, মনিরুজ্জামান ও আকাশ হোসেন, মিজানুর রহমান (আবরারের রুমমেট), ছাত্রলীগ নেতা অমিত সাহা এবং হোসেন মোহাম্মদ তোহা।

এদের মধ্যে ১৯ জনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।


আরো সংবাদ

যথাযথ মর্যাদায় ভেটারানস ডে উদযাপিত নাশকতা কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে : রেলমন্ত্রী বাবরি মসজিদ রক্ষায় মুসলিমদেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে : ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লায় ২ কিশোর ও গেটম্যানের বুদ্ধিমত্তায় রক্ষা পেল যাত্রীবাহী ট্রেন রাষ্ট্রপতি দেশে ফিরেছেন সাভার উপজেলা আ’লীগের সম্মেলনে : হাসিনা-সভাপতি রাজিব-সাধারণ সম্পাদক প্রধানমন্ত্রী দুবাই এয়ারশোতে যোগ দিতে আমিরাত যাচ্ছেন আজ ঢাবি থেকে ২৬ জনের পিএইচডি লাভ ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের অবসর গ্রহণের সুযোগ নেই : মহানগর জামায়াত অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি জ্ঞাপনপত্র প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রত্যাখ্যান তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলো কমিটি

সকল