১৫ অক্টোবর ২০১৯

দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু হয়েছে

সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি মহামারি আকার ধারণ করেছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত হয় না বলেই বিচারহীনতার সংস্কৃতি চলছে। আমরা আজ লজ্জিত কারণ একটি অস্বস্তিকর অবস্থার সামনে দাঁড়িয়েছি। আমরা চাই, বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হোক। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের সামনে মানববন্ধনে এসব কথা বলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান।

দেশব্যাপী ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধনে ‘অভিধান থেকে ‘ধর্ষণ’ শব্দ মুছে যাক, রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ’ স্লোগানে প্রতিবাদ জানান তারা।

বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী আলী ইউনুস হৃদয়ের সঞ্চালনায় অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে বলেন, আমাদের মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় হয়েছে। যতদিন না মূল্যবোধ পরিবর্তন হবে ততদিন এসব কার্যকলাপ বন্ধ হবে না। মেয়েরা সমাজ ও পরিবারে ভয়ে যৌন হয়রানি কথা চেপে রাখে। বিগত তিন মাসে যে ধর্ষণ হয়েছে তা দেশের সর্বকালের রেকর্ড। সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্র যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এটা আগে থেকে কার্যকর হলে এমনটা আমাদের দেখতে হতো না। ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি বন্ধে সরকারের পাশাপাশি আমাদেরও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মানুষের মূল্যবোধ জাগ্রত হলেই ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি বন্ধ করা সম্ভব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ বকুল, ড. মাহাবুবুর রহমান, নাজিয়াত হোসেন চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক দিল আফরোজা খাতুন, মাহাবুর রহমান ও আমেনা খাতুন। মানববন্ধনে বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum